টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র হলেন লুৎফর রহমান

ই উএসএনিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের বাঙালিপাড়া বলে পরিচিত টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন একজন বাংলাদেশি। ব্রিটেনের ইতিহাসে সংখ্যালঘুদের মধ্য থেকে প্রথম মেয়র হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লুৎফর রহমান। লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত টাওয়ার হ্যামলেটস বরোতে এবারই প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনবার লেবার পার্টি থেকে নির্বাচিত হলেও এবার দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন লুৎফর রহমান। তিনি বিজয়ী হয়েছেন ২৩ হাজার ২৮৩ ভোট পেয়ে, যা মোট কাস্টিং ভোটের ৫১.৭৮ শতাংশ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির প্রার্থী হেলাল উদ্দিন আব্বাসও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ২৫৪ ভোট। এছাড়া ব্রিটেনের বর্তমান শাসক কনজারভেটিভ পার্টির প্রার্থী নেইল অ্যান্থনিকিং ৫ হাজার ৩৪৮, লিবারেল ডেমোক্রেট প্রার্থী জন ডেভিড ম্যাকলিয়ড গ্রিফিথস ২ হাজার ৮০০ এবং গ্রিন পার্টির অ্যালান ডুফেল ২ হাজার ৩০০ ভোট পেয়েছেন।
মেয়র হিসেবে লুৎফর রহমানের বিজয়ের মাধ্যমে ব্রিটেনে আরেকটি ইতিহাস রচনা করল বাঙালিরা। নির্বাহী ক্ষমতাসম্পন্ন এ মেয়রই হবেন কাউন্সিলের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
দল থেকে বহিষ্কৃত লুৎফর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে লেবার পার্টি। ভোটগণনা কেন্দ্র ইয়র্ক হলের বাইরে সমবেত লুৎফরের সমর্থকরা গতকাল ফল ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার।
লেবার পার্টি ও তাদের প্রার্থী হেলাল আব্বাসের জন্য এটি বড় পরাজয়। লেবার পার্টির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত টাওয়ার হ্যামলেটসে এ ভরাডুবির কারণে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
গত মাসে লুৎফর রহমানই টাওয়ার হ্যামলেটসে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য লেবার পার্টি থেকে মনোনয়ন পান। স্থানীয় লেবার সদস্যদের ভোটে তিনি মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে প্রচারণা শুরু করেন। কিন্তু এর পরই পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ তার মনোনয়ন বাতিল করে। দলের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালে লেবার পার্টি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
বিজয়ের পর অনুভূতি ব্যক্ত করে লুৎফর রহমান বলেন, ‘সাদা-কালো কিংবা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে টাওয়ার হ্যামলেটসের সর্বস্তরের মানুষের সেবা করতে চাই। টাওয়ার হ্যামলেটসের জনগণকে একত্র করতে আপনারা আমার সঙ্গে যোগ দিন।’
তবে টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচনে অধিকাংশ ভোটারই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৮২ ভোটারের মাত্র ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়ে।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে এই প্রথম সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচন হলো।
দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশি হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ আগ্রহ ছিল।
পূর্ব লন্ডনের এই কাউন্সিলে মোট ভোটারের ৩৫ শতাংশই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।
বিজয়ের পর লুৎফর রহমান এটাকে জনগণের বিজয় বলে আখ্যা দিয়ে এজন্য যারা নিরলস কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান।
লুৎফরের এ বিজয় পূর্ব লন্ডনে বাঙালিদের প্রতি অবিচারের সমুচিত জবাব বলে মন্তব্য করেন লুৎফর রহমানের ক্যাম্পেইন ম্যানেজার কাউন্সিলর ওহিদ আহমেদ।
তিনি বলেন, বাঙালিরা ঐতিহ্যগতভাবেই লেবার পার্টি সমর্থন করে। সেই লেবার পার্টি লুৎফরের প্রতি যে অন্যায় আচরণ করেছে, এ বিজয় তার দাঁতভাঙা জবাব। পরে লেবার পার্টি অন্যায় আচরণ করার আগে দ্বিতীয়বার ভাববে। এদিকে লুৎফরের পক্ষে প্রচার অভিযানে অংশ নেওয়ায় লেবার পার্টির লন্ডনের মেয়র প্রার্থী কেন লিভিমেন্টালও দলীয় শৃঙ্খলভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হতে পারেন। লুৎফর রহমান আগামী সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে টাউন হলে দায়িত্ব গ্রহণ এবং বুধবারের কাউন্সিল সভায় তার ডেপুটি ও কেবিনেট সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন।
মেয়র হিসেবে লুৎফর রহমানের বিজয়ের মাধ্যমে ব্রিটেনে আরেকটি ইতিহাস রচনা করল বাঙালিরা। নির্বাহী ক্ষমতাসম্পন্ন এ মেয়রই হবেন কাউন্সিলের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
দল থেকে বহিষ্কৃত লুৎফর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে লেবার পার্টি। ভোটগণনা কেন্দ্র ইয়র্ক হলের বাইরে সমবেত লুৎফরের সমর্থকরা গতকাল ফল ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার।
লেবার পার্টি ও তাদের প্রার্থী হেলাল আব্বাসের জন্য এটি বড় পরাজয়। লেবার পার্টির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত টাওয়ার হ্যামলেটসে এ ভরাডুবির কারণে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
গত মাসে লুৎফর রহমানই টাওয়ার হ্যামলেটসে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য লেবার পার্টি থেকে মনোনয়ন পান। স্থানীয় লেবার সদস্যদের ভোটে তিনি মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে প্রচারণা শুরু করেন। কিন্তু এর পরই পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ তার মনোনয়ন বাতিল করে। দলের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালে লেবার পার্টি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে।
বিজয়ের পর অনুভূতি ব্যক্ত করে লুৎফর রহমান বলেন, ‘সাদা-কালো কিংবা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে টাওয়ার হ্যামলেটসের সর্বস্তরের মানুষের সেবা করতে চাই। টাওয়ার হ্যামলেটসের জনগণকে একত্র করতে আপনারা আমার সঙ্গে যোগ দিন।’
তবে টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র নির্বাচনে অধিকাংশ ভোটারই ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৮২ ভোটারের মাত্র ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পড়ে।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে এই প্রথম সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচন হলো।
দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশি হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ আগ্রহ ছিল।
পূর্ব লন্ডনের এই কাউন্সিলে মোট ভোটারের ৩৫ শতাংশই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত।
বিজয়ের পর লুৎফর রহমান এটাকে জনগণের বিজয় বলে আখ্যা দিয়ে এজন্য যারা নিরলস কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান।
লুৎফরের এ বিজয় পূর্ব লন্ডনে বাঙালিদের প্রতি অবিচারের সমুচিত জবাব বলে মন্তব্য করেন লুৎফর রহমানের ক্যাম্পেইন ম্যানেজার কাউন্সিলর ওহিদ আহমেদ।
তিনি বলেন, বাঙালিরা ঐতিহ্যগতভাবেই লেবার পার্টি সমর্থন করে। সেই লেবার পার্টি লুৎফরের প্রতি যে অন্যায় আচরণ করেছে, এ বিজয় তার দাঁতভাঙা জবাব। পরে লেবার পার্টি অন্যায় আচরণ করার আগে দ্বিতীয়বার ভাববে। এদিকে লুৎফরের পক্ষে প্রচার অভিযানে অংশ নেওয়ায় লেবার পার্টির লন্ডনের মেয়র প্রার্থী কেন লিভিমেন্টালও দলীয় শৃঙ্খলভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হতে পারেন। লুৎফর রহমান আগামী সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে টাউন হলে দায়িত্ব গ্রহণ এবং বুধবারের কাউন্সিল সভায় তার ডেপুটি ও কেবিনেট সদস্যদের নাম ঘোষণা করবেন।
সর্বশেষ সংবাদ
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature