ফেসবুক চিকিৎসা!
ফেসবুকে নিজেকে যাচাইয়ের সুযোগ থাকে বলে এটি এক ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি বলেও মনে করছেন গবেষকেরা।
ফেসবুকে যখন কোনো কিছু লেখা হয় তখন তাতে নিজের কাজের প্রতিফলন দেখতে পান ব্যবহারকারী এতে তাঁর নিজেকে বুঝতে এবং যাচাই করে নিতে সুবিধা হয়। এটি এক ধরনের স্ব-চিকিৎসা।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্কে লেখালেখি এক ধরনের ‘সেলফ থেরাপি’ বা স্ব-চিকিত্সার পদ্ধতি হতে পারে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা সামাজিক যোগাযোগে লেখালেখির প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিল সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড ইনোভেশনের গবেষক থেরেসা সটার জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে ক্রমাগত নতুন মানুষের সঙ্গে চিন্তা ভাবনা শেয়ার করার সুযোগ থাকে। এর ফলে নিজের কাজের প্রতিফলন পেতে পারেন এর ব্যবহারকারী যা স্বচিকিৎসার একটি উপকরণ হতে পারে।
থেরেসা আরও জানিয়েছেন, ডায়েরি লেখার মতো নিজের কথাগুলো সামাজিক যোগাযোগের সাইটে যখন লেখা হয় তখন তা ডায়েরির তুলনায় আরও বেশি মানুষের কাছে চিন্তা-চেতনার বিষয়টি জানার সুযোগ তৈরি করে। এতে কোনো কোনো বিষয়ে উন্নতির সুযোগও থাকে।
কোনো কিছু অর্জন করা, ভালো কিছু রান্না করা কিংবা কোনো কাজের সাফল্যের বিষয়গুলো যখন শেয়ার করা হয় তখন দৈনন্দিন জীবনের ভালো কাজের বিষয়গুলো মানুষ জানতে পারে। যখন ফেসবুক বা অন্য সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে ভুল স্বীকার করে কোনো পোস্ট দেওয়া হয় তখন পোস্টদাতার মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়। এতে ভালো-মন্দ, স্বাভাবিক-অস্বাভাবিক বিষয়গুলো ধরতে পারার সুযোগ তৈরি হয়।
গবেষক থেরেসা আরও জানিয়েছেন, ফেসবুকে দৈনন্দিন পোস্ট করার মাধ্যমে একজন নিজের প্রতিফলন যেমন দেখতে পারেন তেমনি তিনি অন্যের মতামতও নিতে পারেন। তবে সামাজিক যোগাযোগে পোস্ট দেওয়াকে নিয়মিত কাজের মধ্যে নিয়ে ফেলাও ঠিক নয়। নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করতে করতে এ ধরনের বিষয়গুলো চলে আসতে পারে। এর আগে নিজেকে যাচাইয়ের জন্য লেখা কেবল বোদ্ধাদের বিষয় থাকলেও প্রযুক্তির কল্যাণে তা সবার জন্যই উন্মুক্ত হয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে লেখার অভ্যাস তাই আত্মকেন্দ্রিক মানুষ তৈরির বদলে নিজেকে প্রকাশ ও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ হিসেবেই মনে করছেন অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষক।
প্রসঙ্গত, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা দাবি করেছিলেন, বেশি টুইট বা পোস্ট করার সঙ্গে নার্সিসিজমের সম্পর্ক রয়েছে। অতিমাত্রায় প্রশংসিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে বেশি বেশি টুইট করা হয়ে যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের হাই পয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শন ডেভেনপোর্টের নেতৃত্বে একদল গবেষক অতিরিক্ত টুইট ও ফেসবুক পোস্টের সঙ্গে আত্মকেন্দ্রিকতার সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষক শন ডেভেনপোর্ট এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ফলোয়ার বা অনুসারী বাড়ানোর আকাঙ্ক্ষা নার্সিসিজমের প্রাথমিক কারণ আর এ কারণেই বেশি বেশি টুইট করা হয়।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল