Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি
সব ক্যাটাগরি

হারানো স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 181 বার

প্রকাশিত: May 3, 2014 | 1:21 PM

 
মেমরি স্টিমুলেটারের মাধ্যমে এবার হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ফিরে আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন মার্কিন সামরিক গবেষকরা। তবে প্রযুক্তিগতভাবে এই অসাধ্য সাধন করতে পারলেও নৈতিক, আইনগত ও সামাজিক অনেক প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
প্রতিদিনই আমরা কত কিছু ভুলে যাই। তার জন্য কত কথাই না শুনতে হয়। তবে ভুলে যাওয়াটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো দুর্ঘটনার ফলে মাথায় ধাক্কা লেগে যদি স্মৃতিভাণ্ডারের একটা অংশ পুরোপুরি হারিয়ে যায়, সেটা একটা চিন্তার বিষয় বৈকি! মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গবেষকরা এবার মস্তিষ্কে ইমপ্লান্ট বসিয়ে সেই ‘মিসিং লিংক’ আবার ভরাট করার তোড়জোড় করছেন।
খুবই গোপন সেই কর্মসূচি। মানুষের মস্তিষ্কের রহস্য উন্মোচন করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ১০ কোটি ডলার অংকের যে উদ্যোগ শুরু করেছেন, তারই আওতায় সামরিক গবেষকরা চার বছরের এক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তারা এমন ‘মেমরি স্টিমুলেটার’ তৈরি করতে চান, যা স্মৃতিভাণ্ডারকে উসকে দিতে পারবে। তাদের মূল উদ্দেশ্য যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈন্যদের স্মৃতিশক্তি ফিরিয়ে আনা। তবে আলঝেইমার রোগের রোগীদের ওপরও এই প্রযুক্তির প্রয়োগ করা যেতে পারে।
প্রযুক্তি যদি এই অসম্ভবকে সম্ভবও করে তোলে, তারপরও নৈতিকতার প্রশ্ন থেকে যায়। মানুষের মস্তিষ্কে এমন ম্যানিপুলেশনের পরিণাম কী হতে পারে, সেটাও চিন্তার বিষয়। কারণ সে ক্ষেত্রে মানুষের আত্মপরিচয় বদলে যেতে পারে। বাছাই করে নির্দিষ্ট কোনো স্মৃতি ফিরিয়ে আনা বা মুছে দেয়া সম্ভব হলে এর অপব্যবহার অনিবার্য বলে মনে করছেন অনেকে।
অন্যদিকে এমন প্রযুক্তির প্রবক্তারা বলছেন, শুধু আমেরিকায়ই ৫০ লাখ আলঝেইমারের রোগী আছেন। ইরাক ও আফগানিস্তানে মস্তিষ্কে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন প্রায় ৩ লাখ সৈন্য। এদের জীবন বদলে দিতে পারে ‘মেমরি স্টিমুলেটার’। অনেক সৈন্য মস্তিষ্কে আঘাতের কারণে নিজের পরিবারের লোকজনকেও চিনতে পারছেন না। তাদের সেই হারানো স্মৃতি আবার জাগিয়ে তোলা যেতে পারে।
মস্তিষ্ক ও স্মৃতিভাণ্ডারের মতো জটিল কাঠামো নিয়ে কাজ যে অত্যন্ত কঠিন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। হারানো স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে বিশেষজ্ঞরা তাই নানা পথের কথা বলছেন। প্রথম পথ হলো মস্তিষ্কের যে অংশে স্মৃতি ভরা থাকে, সেই ‘হিপোক্যাম্পাস’-এর মধ্যে প্রয়োজনীয় স্পন্দন সৃষ্টি করা। তবে নির্দিষ্ট কোনো স্মৃতি জাগিয়ে তুলতে হলে কোনো ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট ‘মেমরি প্যাটার্ন’ জানা প্রয়োজন। দ্বিতীয় এবং আরও সহজ পথ হলো খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতি মনোযোগ না দিয়ে মস্তিষ্ককে আঘাত পাওয়ার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। মার্কিন সামরিক গবেষকরা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবেন, হলেও সে ক্ষেত্রে নৈতিকতা, আইন ও সামাজিক প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো কতটা গুরুত্ব পাবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ