Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব: জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: July 17, 2014 | 4:01 AM

২০৩০ সালের মধ্যে এইচআইভি ভাইরাসের কারণে সংক্রমিত প্রাণঘাতী ব্যাধি এইডস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। জাতিসংঘ এইডস সংস্থা ইউএনএইডস এক রিপোর্টে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। এতে বলা হয়, এইচআইভি ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়া ও সেই সঙ্গে মৃত্যুর হারও কমছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা টিএনএন। বর্তমানে বিশ্বে সাড়ে ৩ কোটি মানুষ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। ২০১৩ সালে এইডসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২১ লাখ মানুষ। পক্ষান্তরে, ২০০১ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩৪ লাখ, যা ২০১৩ সালে এইচআইভি আক্রান্তের হারের ৩৮ শতাংশ। উদ্বেগজনক তথ্য হলো, বিশ্বে যে সাড়ে কোটি মানুষ এইডসে আক্রান্ত, তাদের মধ্যে ১ কোটি ৯০ লাখ মানুষই জানেন না যে তারা এইচআইভি সংক্রমণে আক্রান্ত। ২০২০ সালের মধ্যে এইডস আক্রান্তদের শনাক্ত ও তাদের চিকিৎসা দেয়ার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এ প্রাণঘাতী মহামারীর অবসান ঘটানো সম্ভব। ওই রিপোর্টে বলা হচ্ছে, এইডস শনাক্তের পর আক্রান্ত ব্যক্তিকে জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা দেয়া হবে অ্যান্টিরেট্রোভিয়াল থেরাপির (এআরটি) মাধ্যমে। সাব-সাহারাভুক্ত দেশগুলোয় আক্রান্তদের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষকে এআরটি দেয়া হচ্ছে। ৭৬ শতাংশের ক্ষেত্রেই রোগীর দেহে ভাইরাসটির বিস্তার প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। দ্রুত সারা বিশ্বে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে কাজ করবে জাতিসংঘ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ