অতিরিক্ত ‘টুইটার’ ব্যবহারে মানসিক সমস্যা
সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটগুলোতে ব্যবহারকারীদের মাত্রাতিরিক্ত সময় কাটানোর নানামাত্রিক ঝুঁকি বিভিন্ন গবেষণায় বার বার প্রমাণিত হচ্ছে। ফেসবুক আসক্তির কারণে বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে তরুণ-তরুণীরা সমস্যায় পড়ছে। তাদের চিন্তাধারাতেও ভার্চুয়াল ব্যাপারটা অতিমাত্রায় স্থান করে নিচ্ছে। এবার টুইটার নিয়ে পরিচালিত নতুন এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষকরা বলছেন, যারা টুইটারে অনেক বেশি সময় কাটান, তাদের মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি অপ্রকৃতিস্থ হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে যারা দিনে বেশ কয়েক ঘণ্টা টুইটারে টুইট পড়েন ও নিজেরা টুইট করেন, তাদের জন্য সাবধানবাণী উচ্চারণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। নার্ভাস অ্যান্ড মেন্টাল ডিজিজ সাময়িকীতে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা আইএএনএস। জার্মানিতে ৩১ বছর বয়সী টুইটার আসক্ত এক নারী মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কারণ, তার মধ্যে ভীষণভাবে আত্মহত্যার প্রবণতা কাজ করছিল। মনোবিদরা তার এ আচরণের জন্য চিহ্নিত করেছেন টুইটারে মাত্রাতিরিক্ত সময় কাটানোর বিষয়টিকে। ওই তরুণী ভেবেছিলেন, বিখ্যাত এক অভিনেতা তার টুইটের জবাব দিচ্ছেন নানা ধরনের প্রতীক বা সঙ্গেত বার্তা কিংবা অন্যদের টুইট করার মাধ্যমে। যাই হোক। পরে তার সে ভুল ভাঙে এবং তিনি টুইটারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। এরপর আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয় তার মধ্যে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন। এভাবেই নানা ঘটনা অহরহ ঘটে চলেছে টুইটারে। তাই সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটগুলোর পরিমিত ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন গবেষকরা।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








