Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর আজ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 93 বার

প্রকাশিত: November 7, 2010 | 12:48 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর আজ। বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করলেও জাসদ ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করে। এছাড়া একাধিক সংগঠন দিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে।
বিএনপির মতে, ‘৭৫ সালের এ দিনে আধিপত্যবাদী শক্তির নীলনকশা প্রতিহত করে সিপাহি-জনতা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।
বন্দিদশা থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেছিল। জাসদসহ সমমনা সংগঠনগুলোর ব্যাখ্যা হচ্ছে, ‘৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর থেকে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে ক্ষমতালিপ্সু অফিসারদের ক্ষমতা দখল-পুনর্দখলের জন্য পরস্পরবিরোধী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে ইতিহাসের এ দিনে ‘সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান’ ঘটেছিল।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে নিয়ে রয়েছে নানা ঘটনা। ঘটনাবহুল এই দিনের ইতিহাসে জড়িয়ে আছে নানা রক্তপাতের। কাউকে ঝুলতে হয়েছে ফাঁসিতে। প্রাণ দিতে হয়েছে হাজারো সৈনিককে।
১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিমর্মভাবে হত্যার মাত্র ৭৮ দিন পর সেই অশুভ শক্তিই ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ৪ নেতাকে। এ প্রেক্ষাপটে ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর সামরিক বাহিনীর মধ্যে একাধিকবার অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে। এক পর্যায়ে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন। ওইসব ঘটনায় বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।
৬ ও ৭ নভেম্বর সংঘটিত অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহের। বন্দিদশা থেকে জিয়াকে মুক্ত করেছিলেন তিনি। এরপর অতিদ্রুত নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধানের পদে আসীন হন জিয়া। রাজনৈতিক নেতৃত্বের চরম ব্যর্থতার কারণে তখন দেশ চলে যায় সামরিক শাসনের অধীনে। জিয়াউর রহমান প্রথমে উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও পরে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের পদ দখল করেন। এক পর্যায়ে বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ আবু সায়েমকে সরিয়ে রাষ্ট্রপতি হন তিনি। অন্যদিকে বন্দিদশা থেকে জিয়াকে মুক্ত করেও বাঁচতে পারেননি কর্নেল তাহের। দেশদ্রোহিতার অভিযোগে কোর্ট মার্শালের বিচারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।
গত ৩৫ বছরে অধিকাংশ সময় দিবসটি সরকারিভাবে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ‘৭৬-‘৯৫ সাল পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ‘৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তা বাতিল করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে ছুটি বহাল করে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে ছুটি আবার বাতিল করে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV