মানসিকভাবে সুস্থ-সবল থাকার অপরিহার্য ৬ উপায়
কাজী আরিফ আহমেদ : শারীরিকভাবে সুস্থ-সবল থাকার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিকভাবে সুস্থ থাকার অর্থ, নিজের ভালো-মন্দ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকা ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিদিনের কাজগুলো সমাধা করা। যে কোন সময় যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেকে প্রস্তুত রাখতে মানসিকভাবে নিজেকে সতেজ রাখা অপরিহার্য। মানসিক ব্যায়াম করার জন্য বয়সটা কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। মানসিক ব্যায়ামের ব্যাপক পরিধির মধ্য থেকে এখানে অপরিহার্য ৬টি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো:
চাপমুক্ত থাকুন: যে কোন বয়সে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে চাপমুক্ত থাকার অভ্যাস করতে হবে। চাপের মাত্রাটাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার চর্চা করুন। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্যে থাকার ফলে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও মানসিক চাপজনিত অন্যান্য অসুখে বা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সমূহ ঝুঁকি থাকে। মানসিক চাপমুক্ত থাকতে ধর্মীয় অনুশাসনগুলো মেনে চলুন, যোগব্যায়াম, আসন ও মেডিটেশন করুন।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন: ব্যায়ামের ফলে মানুষের মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় অবস্থায় থাকে। ভালো থাকার জন্য নিজের মধ্যে অনুপ্রেরণা তৈরি হয়। ব্যায়ামে মানসিক চাপ দূর হয় ও মস্তিষ্কে সুরক্ষাকারী হরমোনের নিঃসরণ ঘটায়। সপ্তাহে এক বা দুই দিন বাদ দিয়ে বাকি দিনগুলো আধ-ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা ব্যায়াম করুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। অতিরিক্ত ব্যায়াম করবেন না।
পাজল, শব্দ-সাজানো জাতীয় খেলা: পাজল, শব্দ-সাজানো বা শব্দ খোঁজা, দাবা জাতীয় খেলায় স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। এ ধরনের খেলা ভাষাগত ও যুক্তি দেয়ার দক্ষতা বাড়ায়, মস্তিষ্কে সূক্ষ্ম শাখা-প্রশাখা সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
সামাজিক মেলামেশা: মানসিকভাবে সুস্থ থাকার খুব ভালো উপায় হচ্ছে, সমাজের সঙ্গে নিজেকে চমৎকারভাবে খাপ খাইয়ে নেয়া। সামাজিক মেলামেশাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে সময় কাটানোর ফলে আপনার একাকীত্ব দূর হয়ে যাবে এবং আপনাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখবে। গঠনমূলক কথাবার্তা বা কিছুটা বিনোদনমূলক সময় কাটানোয় আপনার শেখার পরিধি বাড়বে এবং মস্তিষ্কের দক্ষতার চর্চা হবে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন: সুষম খাদ্যাভাসের পাশাপাশি নিয়মিত প্রতিদিন ৮-১০ কিংবা পরিশ্রম বেশি হলে ১২-১৪ গ্লাস পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে আপনার শরীর হবে ঝরঝরে। শরীর ভালো থাকলে, মনটাও ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ৪ থেকে ৫ গ্লাস পানি পান করুন। ২ গ্লাস পানি পানের পর আধ ঘণ্টা বিরতিতে আরও ২ গ্লাস পানি পান করুন এবং ১ ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা সেরে ফেলুন। কোন বেলার খাবার খাওয়া বাদ দেবেন না।
পর্যাপ্ত ঘুমান: শরীর ও মনকে হারানো উদ্যম ও শক্তি ফিরিয়ে দেয় সুনিদ্রা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার ঘুম অপরিহার্য। বয়সভেদে সেটার কিছুটা তারতম্য হতে পারে। সবসময় স্থির থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত চঞ্চলতা পরিহার করুন। বেশি চাপবোধ করলে, শিথিলভাবে খানিকটা বিশ্রাম নিন। রাতে সময়মতো ঘুমানো ও ভোরে ঘুম থেকে ওঠার চর্চা গড়ে তুলুন। ব্যায়াম ও পরিশ্রম বেশি হলে, স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি ঘুম দরকার হয়। সেক্ষেত্রে শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিন। এতে মনটাও থাকবে চনমনে, ফুরফুরে।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








