অ্যালার্জি যখন কষ্টকর
কথায় কথায় অ্যালার্জি, চোখ চুলকালে চোখের অ্যালার্জি, নাক চুলকালে নাকের অ্যালার্জি, চামড়ায় চুলকাতে থাকলে এবং তার সঙ্গে চাক চাক হলে ত্বকের অ্যালার্জি, দীর্ঘদিন ধরে খুসখুস কাশি থাকলে ওষুধে না কমলে এবং ধুলাবালি বা ফুলের রেণুর সংস্পর্শে বেশি হলে তাকে অ্যালার্জিক কাশি বলে থাকে। অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে হলে অ্যালার্জির কারণ জানতে হবে এবং অ্যালার্জির কারণ জানার জন্যই দরকার অ্যালার্জি টেস্ট বা অ্যালার্জি পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
টেস্টের প্রয়োজন কেন : রোগীর অ্যালার্জির সঠিক চিকিৎসা করতে হলে চিকিৎসককে প্রথমে জানতে হবে ঠিক কোন জিনিসটির দ্বারা অ্যালার্জি সংঘটিত হচ্ছে। অ্যালার্জি টেস্ট সঠিক এবং প্রত্যক্ষভাবে নির্ধারণ করে দেয় যে, কিসে কিসে অ্যালার্জি এবং কিসে কিসে অ্যালার্জির ভয় নেই। যদি সুনির্দিষ্ট অ্যালার্জেনগুলোকে শনাক্ত করা যায়, তাহলে রোগীর জন্য সঠিক চিকিৎসার পরিকল্পনা করা সম্ভব হয়। রোগীর অ্যালার্জি-উপসর্গগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে তার জীবন ধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। শ্বাসতন্ত্রের সংকোচন না থাকলে রোগীর ঘুম ভালো হয়, নাক দিয়ে দিনভর সর্দি গড়ানো কিংবা হাঁচি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, রোগীর ব্যায়াম করার শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস না থাকলে রোগী স্বাভাবিক জীবনে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। অ্যালার্জি টেস্টের প্রকারভেদ- ১. স্কিন প্রিক পদ্ধতি : এই পদ্ধতিতে সামান্য পরিমাণ অ্যালার্জেন রোগীর ত্বকের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যদি রোগীর অ্যালার্জি থাকে, তাহলে তার শরীরে সুনির্দিষ্ট ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। অ্যালার্জি রোগীদের শরীরে অ্যালার্জি এন্টিবডি থাকে, যার নাম ইমুনোগ্লোবিউলিন-ই বা আইজি-ই। এই দ্রব্যটি রোগীর শরীরের মাস্ট কোষকে সক্রিয় করে তোলে, তখন মাস্ট কোষ কিছু রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন করে, যাদের বলা হয় কেমিক্যাল মেডিয়েটর বা রাসায়নিক মাধ্যম। এ রকম একটি দ্রব্য হচ্ছে হিস্টামিন। হিস্টামিনের কারণেই অ্যালার্জির জায়গায় ত্বক ফুলে ওঠে ও লাল হয়ে যায়। পরীক্ষার সময় ত্বকের শুধু সেই জায়গাতেই এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, যেখানে অ্যালার্জেন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এই পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ২০-৩০ মিনিটের বেশি লাগে না।
চ্যালেঞ্জ টেস্ট : এই ক্ষেত্রে সন্দেহকৃত অ্যালার্জেন রোগীকে খাইয়ে দেওয়া হয়। সচরাচর খাদ্য অ্যালার্জির ক্ষেত্রে এই টেস্ট করা হয়। এই পরীক্ষা করার সময় রোগীর পাশে অবশ্যই ডাক্তরকে উপস্থিত থাকতে হবে। ২. রক্তের স্পেসিফিক আইজি টেস্ট : এই পরীক্ষার জন্য রক্ত নিতে হয়। এতে অ্যালার্জেনের সুস্পষ্ট কারণ বের করা যায়। অল্প বয়স অর্থাৎ ৫ বছরের কম, বৃদ্ধ রোগী এবং যাদের স্কিন প্রিক টেস্ট করতে ভয় পান তাদের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য। বাংলাদেশ প্রতিদিন
ডা. গোবিন্দচন্দ্র দাস, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








