Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature
সব ক্যাটাগরি

মইনুল রোডের বাড়িতে সেনা কর্মকর্তাদের জন্য ভবন হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 15 বার

প্রকাশিত: November 15, 2010 | 3:34 AM

নাশরাত চৌধুরী: ক্যান্টনমেন্টের ৬ শহীদ মইনুল হোসেন রোডের বাড়িতে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের জন্য নয়, চাকরিরত সেনা কর্মকর্তাদের জন্য তিনটি ভবন তৈরি করা হবে।
সেখানে প্রতিটি ভবন ১৪তলা করে হবে। প্রতিটি ভবনের ৫২টি করে ফ্ল্যাটে ৫২ জন করে সেনা কর্মকর্তা থাকার সুযোগ পাবেন। তিনটি ভবন নির্মিত হলে ১৫৬ জন কর্মকর্তা থাকতে পারবেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত মেজর ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদ মর্যাদার অফিসারদের জন্য ওই ভবন তৈরি করা হবে। সেনা কর্মকর্তাদের আবাসন সঙ্কট নিরসনের জন্যই সেনাবাহিনী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে মিলেছে এ তথ্য।
তবে ২৯শে নভেম্বরের আগে মইনুল হোসেন রোডের বাড়ির কোন স্থাপনা ভাঙচুর করা হবে না, নতুন কোন স্থাপনা নির্মাণকাজেও হাত দেয়া হবে না। বাড়িটি যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থায়ই থাকবে। তালাবদ্ধ থাকবে। ২৯শে নভেম্বর ওই বাড়ি নিয়ে আপিলের শুনানি হওয়ার দিনক্ষণ রয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিলেট ডিভিশন শুনানি করবেন। কোর্টে কি সিদ্ধান্ত হয় সেজন্য সেনা কর্তৃপক্ষ অপেক্ষা করবেন। আদালতে ২৯শে নভেম্বর মামলা শেষ হয়ে গেলে ৩০শে নভেম্বর কিংবা পর দিনই সেখানে স্থাপনা ভাঙার কাজ শুরু হবে। স্থাপনা ভেঙে যত দ্রুত সম্ভব সেখানে বহুতল ভবন তৈরির উদ্যোগ নেয়া হবে। সূত্র জানায়, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের জায়গা বুঝে পেয়েছে। ১৩ই নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৬ মইনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর বাড়িটির দখল পাওয়ায় গতকাল সকাল পর্যন্ত বাড়িটি কাফরুল থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ছিল। সকালের পর বাড়িটির দায়িত্ব নেন সেনাবাহিনীর নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীরা। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, আমরা গতকাল সকাল পর্যন্ত ওই বাড়ির নিয়ন্ত্রণ রেখেছিলাম। সকালে আমরা সেটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীদের বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন থেকে তারাই ওই বাড়ির সব বিষয়ে দেখভাল করবেন। আমাদের কোন দায়িত্ব নেই। এদিকে শনিবার বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে থাকা মালামালের তালিকা তৈরি করা হয়নি। পরে তা শুরু করে ইতিমধ্যে শেষ করা হয়েছে। তালিকা করে মালামাল রেখে দেয়া হয়েছে। প্রস্তুতি রেখেছেন ওই সব মালামাল বেগম খালেদা জিয়া যেখানে পৌঁছে দিতে বলবেন সেখানেই পৌঁছে দেয়ার। এদিকে খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ একজন বলেন, আপাতত বেগম খালেদা জিয়া ওই বাড়ি থেকে তার মালামাল স্থানান্তর করবেন না। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেগুলো সেখানেই রাখতে চান। মামলার রায়ে তিনি জয়ী হলে ফিরে যেতে চান ৬ মইনুল রোডের বাড়িতে। সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলে তিনি মালামাল সরিয়ে নেবেন। খালেদা জিয়া এখন মালামাল রেখেই তার বাড়ির দখল রাখতে চাইছেন।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV