Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature
সব ক্যাটাগরি

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মীর শওকত আলী আর নেই

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 133 বার

প্রকাশিত: November 20, 2010 | 11:20 AM

 

 ইউএসএনিউজ ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী মীর শওকত আলী আর নেই। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহে….রাজেউন)।তিনি দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী ও ৩ কন্যা এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।তিনি ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন রেজিমেন্টে অ্যাডজুটেন্ট, কোয়াটার মাস্টার, কোম্পানী কমান্ডার সহ সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীতে কাজ করেন। মীর শওকত আলী ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে চট্টগ্রামের ষোল শহরে ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টে পোস্টিং দিয়ে পাঠানো হয় তাঁকে।

স্বাধীনতার পর মীর শওকত আলী সেনাবাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭২-৭৪ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪-৭৫ সালে অন্যান্য ব্রিগেডেরও কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ সালে কায়রোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দলের সফরে সফলতার সাথে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭৫ সালে মীর শওকত সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ নিযুক্ত হন। ১৯৭৫-৭৭ সালে তিনি পুরানো ঢাকা উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে তিনি ঢাকা অঞ্চলের সামরিক প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০ সালে তিনি সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার পদে নিয়োগ পান। একবছর এই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রদূত হিসাবে ইজিপ্ট, সুদান, জার্মানী ও যুক্তরাষ্ট্রে দায়িত্ব পালন করেন। চাকুরিকালীন তিনি বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের প্রধান হিসেবে এবং বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরশাদ সরকারের সময়ই ১৯৮১ সালের ৯ জুন তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

সরকারি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বিএনপি’র রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ১৯৯১ সালে ঢাকার লালবাগ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। এসময় তিনি প্রথমে খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে শ্রম ও কর্মসংস্থামন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। মীর শওকত বিএনপি’র ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ক্রীড়া ও কৃষিখাতে অবদান রাখার জন্য তিনি দু’বার রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। লিখেছেন তিন খন্ডে নিজের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘ইভিডেন্স’।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV