মুসলিম-আমেরিকান মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের গন্ধ!
এনা : গ্রাউন্ড জিরোর সন্নিকটে মসজিদ, টেনেসীর ন্যাশভিলে এবং ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্যেসকো এরিয়া, নিউইয়র্ক সিটির স্ট্যাটেন আইল্যান্ড, কুইন্সসহ বিভিন্ন স্থানে মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে গুটিকতক আমেরিকানের উদ্ভট আচরণের পথ ধরে মুসলিম মালিকানাধীন ব্যবসা-বানিজ্য নিয়েও ভেতরে ভেতরে জট পাকানোর গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে সরকারের অন্যান্য রীতি অনুসরণ করে মুসলিম মালিকানাধীন ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোকে টার্গেট করার ফন্দি-ফিঁকিড় করা হচ্ছে। এলাকার পরিবেশ বিনষ্ট করা হচ্ছে অভিযোগ তুলে ঐসব ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার দাবি জানানোর গুঞ্জন উঠেছে বিভিন্ন স্থানে। এমনকি কোন কোন স্থানে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলকভাবে বিক্ষোভ-সমাবেশের হুমকিও দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। একটি গ্রোসারী স্টোর অথবা হালাল মিট স্টোর চালুর আগে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।
এরপর সে ব্যবসা পরিচালনার সময় ট্যাক্সসহ যাবতীয় ফি প্রদান করতে হয়। এগুলো রুটিন বিষয়। কোন কোন ওয়ার্কশপের শব্দ কিংবা হাঁস-মুরগীর খামার প্রতিবেশীদের সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এসব বিষয়ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের গোচরে আনার পর তা সমাধানের পথ রয়েছে। কিন্তু পরিবেশ দোষণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হলে তার সমাধান করা খুবই কষ্টকর। এ অভিযোগ নিয়ে লংকাকান্ড ঘটানো যায়। কম্যুনিটি বোর্ড পাত্তা না দিলে সিটি কাউন্সিলে এবং সেখানেও বিষয়টি আমলে নেয়া না হলে স্টেট পার্লামেন্ট অথবা কংগ্রেসের দৃষ্টি আকর্ষণ করাও যেতে পারে। কারণ, পরিবেশ দুষণের ইস্যুটি এখন স্পর্শকাতর ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। এবং মুসলমানদের যারা সহ্য করতে পারছে না তেমন মুষ্টিমেয় আমেরিকান বিভিন্ন স্থানে জট পাকাচ্ছে। তারা বিভিন্ন সংস্থায় ঐসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দরখাস্ত দিচ্ছেন বলে কম্যুনিটির বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। এর জের হিসেবে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোটা জরিমানাও গুণতে হয়েছে। আবার কোন কোন এলাকার অধিবাসীরা মুসলিম মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে উচ্ছেদের অভিপ্রায়ে বিক্ষোভ-সমাবেশের হুমকি দিচ্ছেন। এহেন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যবসা পরিচালনার যাবতীয় বিষয়াদি যথাযথভাবে অনুসরণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এতদিন যা ধর্তব্য ছিল না তা এখন কোনভাবেই এগিয়ে চলা সমীচিন হবে না। এদিকে টেনেসীর ন্যাশভিলে রুথারফোর্ড কাউন্টিতে অনেক আগে ক্রয় করা ভূমিতে মসজিদ নির্মাণের বিরোধীরা আদালতে গিয়েছেন। ১০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৬ দিন পাল্টাপাল্টি শুনানী হয়েছে। মাননীয় আদালতকে এক পর্যায়ে বাদিপক্ষ অবহিত করেন যে, ইসলাম যে মানবতার ধর্ম তা তারা মনে করেন না। ইসলাম হচ্ছে সন্ত্রাসে মদদদানের ধর্ম এবং ইসলাম হচ্ছে আমেরিকার শত্র� ইত্যাদি অভিযোগ করা হয়। এর জবাবে সরকারী এটর্নী জিম কোপ ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে মন্তহব্য করেন যে, মাননীয় আদালতে সার্কাস শুরু করা হয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি। এদিকে ইসলাম সম্পর্কে সৃষ্ট ভ্রান্তি দূর করতে গত অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় মসজিদগুলোতে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের সাথে সংলাপ হয়েছে। ইসলাম কখনোই সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয় না, মুসলমানেরা সবসময় প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেন, ইসলাম সকল ধর্মের প্রতি সহনশীল ইত্যাদি অবহিত করা হয় সকলকে।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের