Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights
সব ক্যাটাগরি

শান্তিরক্ষীদের যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাব পাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 141 বার

প্রকাশিত: March 12, 2016 | 9:32 PM

সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নিয়োজিত জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর যৌন নিপীড়নের বর্ধিষ্ণু সমস্যা মোকাবিলায় প্রথমবারের মতো একটি প্রস্তাব পাস করেছে নিরাপত্তা পরিষদ। বেশ কয়েক মাস ধরেই শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা শিশু ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে চাপে রয়েছে জাতিসংঘ। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। খবরে বলা হয়েছে, বিশেষ করে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে এ ধরনের অভিযোগ বেশি উঠেছে শান্তিরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালে এ বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের ৯৯টি অভিযোগ পেয়েছে জাতিসংঘ। এ বছর এখন পর্যন্ত পেয়েছে ২৫টি অভিযোগ। এরই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। সংস্থার মহাসচিব বান কি মুন এ প্রস্তাবের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তার মতে, যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের মারাত্মক ক্ষতি মোকাবিলায় এটি আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তাদের সুরক্ষা ও সহযোগিতারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা পরিষদে ১৪-০ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়েছে। মিশর শেষ মুহূর্তে একটি সংশোধনীর প্রস্তাব দিলেও সেটি আমলে নেয়া হয়নি। ফলে দেশটি ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে। অন্য দেশগুলোর যুক্তি ওই সংশোধনী প্রয়োগ করা হলে মূল প্রস্তাবের ভাষা অনেক কম কঠোর দেখাতো। আমেরিকার প্রস্তুতকৃত খসড়া প্রস্তাবনায় বান কি মুনের সংস্কার প্রস্তাবকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। ব্যাপক ভিত্তিতে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ বা সামরিক ইউনিটটিকে প্রত্যাহার করারও কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে। এছাড়া, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে তদন্ত করা না হলে বা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে কিংবা মহাসচিবকে তদন্তের অবস্থা সমপর্কে অবহিত করা না হলে, পুরো কন্টিনজেন্ট পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে এ তিনটি ক্ষেত্রের যেকোন একটির ব্যত্যয় ঘটলে কন্টিনজেন্টকে দেশে পাঠানোর ক্ষমতা রয়েছে মহাসচিবের। কিন্তু মিশরের সংশোধনীতে এ তিনটি শর্তই পূরণের বাধ্যবাধকতা ছিল। এতে রাজি হয়নি বেশিরভাগ দেশ। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত সৈন্য বা পুলিশ কর্মকর্তার নিজ দেশের ওপরই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের সবচেয়ে বড় আর্থিক দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি কিছুদিন আগে জানিয়েছিল, জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাবান সংস্থার উচিত এ সমস্যার মোকাবিলায় একটি কড়া বার্তা পাঠানো। এরপরই এ প্রস্তাব পাস হলো।
তবে রাশিয়া ও মিশর সহ কয়েকটি দেশের যুক্তি ছিল, পুরো কন্টিনজেন্টকে দেশে পাঠানো হলে কয়েকজনের অপরাধের জন্য অনেককে শাস্তি দেয়া হয়ে যাবে। দেশ দু’টি এ প্রস্তাবনা সাধারণ পরিষদে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া কোনো প্রস্তাব আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। পক্ষান্তরে নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য বাধ্যতামূলক। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ