নিউইয়র্কে স্বাধীনতা দিবসের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব, স্টেট গভর্ণর কতৃক ২৬ মার্চকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসবে স্টেট গভর্ণর এন্ডু এম ক্যুমো কতৃক ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা প্রদান করা হয়েছে। আমেরিকার মূলধারার জনপ্রতিনিধির অংশগ্রহণ ও বর্ণিল শোভাযাত্রার মাধ্যমে নিউইয়র্কে উদযাপিত হয় মহান স্বাধীনতা দিবসের ৪৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান। এ উপলক্ষ্যে জ্যাকসন হাইটসে স্থানীয় সময় শনিবার দিনব্যাপী আয়োজন করা হয়। মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং বাঙালী চেনতা মঞ্চের উদ্যোগে ১০৮টি সংগঠনের শ শ প্রবাসী বাংলাদেশী এতে অশ নেন। স্বাধীনতার বর্ণিল শোভাযাত্রার পাশাপাশি দিনভর চলে গান, আবৃত্তি, আলোচনা। ডাইভারসিটি প্লাজার সামনে জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে নির্মাণ করা হয় অস্থায়ী শহীদ মিনার। তৈরী করা হয় বিশাল মঞ্চ। লাল সবুজ পতাকা হাতে সেখানে যেন উৎসবে মেতে ওঠেন বাংলাদেশের মানুষ। বাংলাদেশীদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও এ আয়োজনের আনন্দ উপভোগ করেন। সকাল ১০টায় মূল মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তখন থেকেই উৎসুক মানুষ আসতে থাকেন অনুষ্ঠানস্থলে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। এক সময় কানান কানায় ভরে যায় ডায়ভারসিটি প্লাজার বিশাল চত্বর।

প্যারেড অনুষ্ঠানে গ্রান্ড মার্শাল ছিলেন নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রলার স্কট এম স্ট্রিঙ্গার। মার্শাল ছিলেন পাবলিক এডভোকেট লেটিসিয়া জেমস, ইমিগ্রেশন এফেয়ার্স এর কমিশনার নিশা আগরওয়াল, নিউইয়র্ক স্টেট সেনেটর হোজে পেরাল্টা, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, কাউন্সিল ম্যান ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরান নবী, আয়োজনের আহ্বায়ক জামাল উদ্দীন হোসেন, কমান্ডিং অফিসার ১১৫ প্রিসেন্ট ব্রায়ান হেনেসি, এনওয়াই পিডির কমিউনিটি এফয়ার্সের লেফটেন্যান্ট মিলাদ খান। বাংলাদেশ কমিউনিটির কোন অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক স্টেট গভর্ণর অফিস, মেয়র অফিস, কম্পট্রলার অফিস যোগ দেয় গর্বিত অংশীদার হিসেবে। মহান স্বাধীনতার ৪৫ বছরের এই অনুষ্ঠানে ৪৫জন কবি তাঁদের কবিতা পড়েন এই অনুষ্ঠানে। নিউইয়র্কে বসবাসরত শিল্পীরা পরিবেশন করেন স্বাধীনতার গান।
প্যারেড অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত মঞ্চে নিউইয়র্কের কম্পট্রলার স্কট এম স্ট্রিঙ্গার আমেরিকার মূলধারার সাথে বাঙালিদের সেতুবন্ধন করার জন্য মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহাকে প্রশংসাপত্র প্রদান করেন। শ শ বাঙালির অংশগ্রহণে প্যারেড শেষ করে পিএস ৬৯ মিলনায়তনে আসলে নিউইয়র্কের কম্পট্রলার ৪৫টি বেলুন উড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ৪৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। এসময় কম্পট্রলার বলেন, বাংলাদেশের মানুষরা নিউইয়র্কের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা পালন করছে। নিউইয়র্কের শিল্প সংস্কৃতিতেও বাংলাদেশীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাবলিক এডভোকেট লেটিসিয়া জেমস তাঁর বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশীরা কর্মঠ জাতি হিসেবে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। ইমিগ্রেশন এফেয়ার্স এর কমিশনার নিশা আগরওয়াল বলেন, বহুজাতিক সংস্কৃতির এই শহর নিউইয়র্কে প্রথম একুশের অনুষ্ঠানে গিয়ে আমি অভিভূত হই, আজ মনে হলো বাংলাদেশেই এসে পড়েছি। নিউইয়র্ক স্টেট সেনেটর হোজে পেরাল্টা বলেন, একসময় নিউইয়র্কে স্প্যানিশ কমিউনিটির উত্থান ঘটে দ্রুত, এখন বাংলাদেশী কমিউনিটি সেভাবে দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলেছে। এই অগ্রযাত্রারই প্রতিফলন আজকের অনুষ্ঠান।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল