Monday, 7 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে শেখ রাসেলের ৫২ তম জন্মদিন উদযাপন : কোনো যুক্তিতেই শিশু শেখ রাসেলের হত্যাকান্ড মেনে নেওয়া যায় না

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 20 বার

প্রকাশিত: October 20, 2016 | 5:00 PM

নিউইয়র্ক : বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস-আবেগে নিউইয়র্কে পালিত হলো শেখ রাসেলের জন্মদিন। ১৮ অক্টোবর ছিলো সেই মায়াবী কিশোরের ৫২তম জন্মতিথি।পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পিতা শেখ মুজিবের সঙ্গে ঘটেছিলো অস্বাভাবিক মৃত্যু। ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে কনিষ্ঠ সহোদরের স্মৃতিচারণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দু’চোখ ভরে উছলে উঠেছিলো ক্রন্দন-জল। নিউইয়র্কের আয়োজনেও উচ্চারিত হয় আবেগ মথিত কথামালা। কবি-কথাকার সালেম সুলেরীর নিবেদিত কবিতা সবার হৃদয়ে তোলে অনুরণন। কাছ থেকে দেখা শেখ রাসেলকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন প্রবাস ব্যক্তিত্ব নাঈমা খান। ব্যক্তিগতভাবে তিনি শেখ রেহানার স্কুলবন্ধু। পড়–য়া কিশোর তরুণদের প্রতিষ্ঠান খানস টিউটোরিয়ালের চেয়ারপারসন। একদল ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন আরেক শিক্ষাব্রতী। স্কলাসটিকা টিউটোরিয়ালের কর্ণধার রেজা রশীদ। স্মতিময় অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলো যুক্তরাষ্ট্র শাখা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ। আহ্বায়ক গোলাম এম খান লিপটন এতে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম। প্রধান আলোচক হিসেবে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রায় ১২ বক্তা আলোচনায় অংশ নেন।
প্রধান অতিথি, আলোচকসহ বক্তাবৃন্দ বলেন, কোনো যুক্তিতেই শিশু শেখ রাসেলের হত্যাকান্ড মেনে নেওয়া যায় না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু পুত্র হিসেবে তার প্রয়োজন যুগে যুগে অনুভূত হবে। ঘাতকচক্র জেনে বুঝেই এই নির্মম কাজটি করেছে। দেশকে নেতৃত্বহীন করার প্রয়াস চালিয়েছে। কিন্তু মহান সৃষ্টিকর্তা ও জনগণ সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। দেশরতœ শেখ হাসিনার মতো সুযোগ্য নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে। আজ ৫২ বছরের শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে জনগণ আরো পরিতৃপ্ত থাকতো।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ রাসেল পরিষদের প্রশংসা করেন। বলেন এই শাখাটি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ভিত্তিক সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আজকের নিবেদিত কবিতাটি সুলিখিত যা সর্বত্র পুনঃপ্রকাশ ও ব্যাপকভাবে প্রচার করা প্রয়োজন। প্রবাসে অনুবাদের মাধ্যমেও নতুন প্রজন্মের মাঝে বিতরণের কথা বলেন। তিনি কবি-সাংবাদিক সালেম সুলেরীকে ধন্যবাদ জানান কবিতাটি রচনা ও আবৃত্তির জন্যে।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিবের একটি শুভেচ্চা বক্তব্য পঠিত হয়। বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আওয়ামী লীগের এমপি মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী এটি পাঠিয়েছেন। তিনি সিলেট-৩ এর নির্বাচিত এমপি ও জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকার। মহাসচিব জনাব চৌধুরীর এই আবেগভরা বার্তাটি পাঠ করেন লেখিকা-প্রকাশিকা পপি চৌধুরী। নতুন প্রজন্মের কিশোর-তরুণেরাও শেখ রাসেল বিষয়ে আবেগভরা বক্তব্য রাখেন। জন্মদিনের কেক কাটার পর্বে নেতৃত্ব দেয় ১১ জন ছাত্র-ছাত্রী। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে ১৮ অক্টোবর জন্ম নেওয়া রাসেল প্রাণ হারান ১১ বছর বয়েসে। অনুষ্ঠান সভাপতি গোলাম লিপটন কিশোরদের নিয়ে কার্যক্রম ঘোষনা করেন। বলেন, শেখ রাসেলের অতীত ও কিশোরদের ভবিষ্যতে করণীয় বিষয়ে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা আয়োজিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সংগঠকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাখাওয়াত বিশ্বাস, কাজী কয়েস, নুরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান টুকু, হেলাল মাহমুদ, দুরূদ হুদা রনেল, রফিকুর রহমান, আলী আকবর, মনিরুল আলম দিপু, আফরোজা হাসমত, রেজাউল করিম কিরন প্রমুখ। সার্বিক সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন তারার আলো খ্যাত ও রাজনৈতিক সংগঠক মিনা ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন আলী আকবর। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জুনেদ আহমেদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান, কথাসাহিত্যিক সিরাজুল ইসলাম সরকার, শেখ কামাল হাসান, শাহ রহিম শ্যামল, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় নিউইয়র্কের বাঙালিপাড়া খ্যাত জ্যাকসন হাইটসে। মেজবান পার্টি হলে নৈশভোজেরও ব্যবস্থা ছিল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ