ঢাকা মাতিয়ে গেলেন নবপ্রজন্মের হার্টথ্রব কিং খান

এসএম মুন্না/মাসুম মিজান/রাজীব আহাম্মদ: নিজেকে উজাড় করে দিয়ে গেলেন শাহরুখ খান। সঙ্গীতে-নৃত্যে, আনন্দ-উল্লাসে কোটি মানুষকে মাতালেন নবপ্রজন্মের হার্টথ্রব কিং খান। শুধু আর্মি স্টেডিয়ামের পরিপূর্ণ হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতাই নন, টেলিভিশনের পর্দায় দেশ-বিদেশের কোটি কোটি দর্শক তাদের প্রিয় শিল্পী শাহরুখ খান, রানী মুখার্জির মনমাতানো অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করলেন সরাসরি। ‘বৈশাখী’ টেলিভিশন পুরো অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করেছে। বাংলাদেশের কোনো চ্যানেলে এত বড়মাপের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার এই প্রথম। শাহরুখের অনুষ্ঠান চলাকালে অন্য কোনো চ্যানেলে নয়, বেশিরভাগ দর্শকের চোখ ছিল ‘বৈশাখী’তে। রাত ১১টায় অনুষ্ঠান শেষে ‘সোনার বাংলা’কে ভালোবাসা জানিয়ে শাহরুখ অঙ্গীকার করলেন, তিনি আবার বাংলাদেশে আসবেন। গত শুক্রবার মধ্যরাতেই শাহরুখ সদলবলে মুম্বাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
ছোট ছোট কথার আনন্দে হাজার হাজার ভক্তকে উন্মাতাল করেন তিনি। শাহরুখের পাশাপাশি অসাধারণ পারফর্ম করলেন বলিউডের বাঙালি নায়িকা রানী মুখার্জি, ইশা কোপিকার, নায়ক অর্জুন রামপাল, ‘কাঁটা লাগা’ খ্যাত শেফালি জরিওয়ালা, সঙ্গীতশিল্পী নিরাজ শ্রীধর, নৃত্য
পরিচালক গণেশ হেজসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে শাহরুখ খান বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনকে বিজয়ী করার জন্য ভোট চান। অন্তর শোবিজের আয়োজনে ‘কিং খান লাইভ ইন ঢাকা’ উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়াম নয়নাভিরাম থিয়েটারের আদলে সাজানো হয়। ছিল চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা। মঞ্চের চারপাশে আয়রনের বিশাল বিশাল পিলার তুলে আলাদা একটি বাউন্ডারি নির্মাণ করা হয়। এর মাঝে ফুটে ওঠে শত শত আলোক ফোয়ারা। এ বাউন্ডারির মধ্যেই শাহরুখ নেচেছেন এবং নাচিয়েছেন অগণিত ভক্তকে।
গতকাল দুপুর সোয়া ২টায় চার্টার্ড বিমানে চড়ে শাহরুখ খান পা রাখেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এরপরই র্যাব ও পুলিশের দেড় শতাধিক সদস্য তার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। সঙ্গে ছিল শাহরুখের ব্যক্তিগত ১২ নিরাপত্তাকর্মী। বিমানবন্দর থেকে হোটেল র্যাডিসনে আসার পথে শাহরুখ খান ও তার সফরসঙ্গীদের আনা হয় আর্মি স্টেডিয়ামে। এরপর শাহরুখ খান ও তার দল র্যাডিসন হোটেলের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় অবস্থান করেন। সূত্র জানায়, এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক বাণিজ্যিক চুক্তি করেন শাহরুখ।
হোটেলে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে কনসার্ট মঞ্চে আসেন বলিউড তারকা শাহরুখ খান ও রানী মুখার্জি। কয়েক ঘণ্টা রিহার্সাল করেন তারা। মূল অনুষ্ঠানে বাজিগর, বাদশাহ, জোশ, দিলসে, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, মোহাব্বাতে, ম্যায় হু না, দিল তো পাগল হ্যায়, কাভি খুশি কাভি গাম, কাল হো না হো, ডন, পরদেশ ছবির গানের সঙ্গে অসাধারণ পারফর্ম করেন শাহরুখ খান ও তার দলের শিল্পীরা। রাত ৮টায় শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরুতেই মঞ্চে আসেন ‘কাঁটা লাগা’ খ্যাত আইটেম গার্ল শেফালি জরিওয়ালা। কাঁটা লাগা গানের সঙ্গে উপস্থিত সবার গায়ে কাঁটা লাগিয়ে দেন শেফালি। ‘কাটা লাগা’ ও ‘মুনি্ন বদনাম হুয়ি ডারলিং তেরে লিয়ে’ গানের সঙ্গে নৃত্য করে শেফালি জরিওয়ালা সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি। এরপর মঞ্চে আসেন নায়িকা ইশা কোপিকার। তিনি মঞ্চ মাতান।
এরপর হঠাৎ মোটরবাইকে চড়ে কাঁধে গিটার নিয়ে মঞ্চে আসেন নায়ক অর্জুন রামপাল। অর্জুন রামপাল মঞ্চে আসার সঙ্গে সঙ্গে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে উচ্ছল উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে তখন বসে থাকতে পারেননি। অর্জুন রামপালের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। অর্জুন রামপাল রক অন, ধান্য_ এ দুটি গানের সঙ্গে নাচ পরিবেশন করেন। অর্জুন রামপাল ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি’।
মঞ্চের ছোটঘর থেকে নাটকীয় ভঙ্গিতে প্রবেশ করেন নায়িকা রানী মুখার্জি। তখন পুরো স্টেডিয়াম উল্লাসে মেতে ওঠে। ‘দিল বলে হারিপ্পা’, ‘হাম তুম’, ‘গোরে গোরে ছে ছোড়ে’ এবং বিখ্যাত গান ‘শাবা শাবা’ গানের তালে নৃত্য পরিবেশন করেন তিনি। এরপরই মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বাংলা ভাষায় বলেন, ‘আমি আপনাদের রানী। আপনাদের আনন্দ দিতে বাংলাদেশে এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। আমি জানতে চাই, এখানে এসে আমরা যে পারফর্ম করছি, তা আপনাদের ভালো লাগছে তো? আমি কি বাড়ি ফিরে বাবা-মাকে বলতে পারব সবাইকে খুশি করে আসতে পেরেছি?’ স্পষ্ট বাংলায় উচ্চারিত রানীর কণ্ঠ থেকে ভেসে আসা এ বক্তব্যকে সমস্বরে চিৎকার করে স্বাগত জানায় হাজারো দর্শক।
কালো আলখেল্লা পরে মঞ্চে আসেন শাহরুখ খান। ‘আজা মেরি’ আর ‘মারজানি মারজানি’ গানের সঙ্গে নাচেন তিনি। শাহরুখ খান একটির পর একটি গানে নেচে যাচ্ছেন আর অন্যদিকে ৩০ হাজার দর্শক উল্লাসে ফেটে পড়ছেন। মাঝে কিছু বিরতি দিয়ে স্যুট-টাই পরে মঞ্চে আবার আসেন শাহরুখ। এবার ভিন্ন রকম চেহারা। ভিন্ন রকম বেশভুষা। মাইক্রোফোন হাতে শাহরুখ বাংলায় বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশে ভারতবর্ষ থেকে বয়ে এনেছি অনেক অনেক ভালোবাসা। এখানে আকাশ, বাতাস, মাটি ও মানুষের মন খাঁটি সোনা। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার মা বলেছিলেন, এ সোনার বাংলার কথা। আজ এখানে উপস্থিত হয়ে আমি সে কথাটি উপলব্ধি করতে পারছি।’ অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসরিন চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘তাদের অনেক ধন্যবাদ আমাকে এ দেশে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’
অনুষ্ঠানের মাঝ পর্যায়ে আবার মঞ্চে আসেন শাহরুখ খান। এবার তিনি রানী মুখার্জিকে সঙ্গে নিয়ে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘তওবা তুমহারে ইয়ে ইশারে’, ‘কোয়ি মিল গ্যায়া’, ‘মিথুয়া ক্যারাইয়ে ধারকান’ গানের তালে তালে নৃত্য পরিবেশন করেন। ‘ওম শান্তি ওম’ গানের মধ্য দিয়ে স্বপ্নীল রাতের ইতি টানেন শাহরুখ খান। এর আগে বাংলাদেশি নৃত্যশিল্পী প্রান্তর চৌধুরীর সঙ্গে ‘লাভ মেরা হিট হিট’ গানের তালে নাচেন শাহরুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বেশ ক’টি গান পরিবেশন করেন বাংলাদেশের কণ্ঠশিল্পী পারভেজ। এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী। লাইভ অনুষ্ঠান শেষ করে মধ্যরাতেই ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন বলিউড তারকা শাহরুখ খান ও তার দল।
বলিউডে আগমনের পথটা শাহরুখ খানের জন্য মসৃণ ছিল না। টেলিভিশনের অভিনয় ছেড়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন শাহরুখ। ‘দিল দরিয়া’, ‘ফৌজি’সহ বেশকিছু ধারাবাহিকে কাজ করে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন। ‘দিওয়ানা’ মুক্তি পাওয়ার পরই অবশ্য পাল্টে যার তার সব হিসাব-নিকাশ। ছবি হলো সুপারহিট। পায়ের নিচে মাটির ছোঁয়া পেলেন শাহরুখ। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখনও চলছে দিব্যি। যেখানে তিনি যান মৌমাছির মতো তাকে ঘিরে ধরে ভক্তরা। ‘বাজিগর’ মুক্তি পাওয়ার পর তাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলেন সবাই। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ মুক্তি পাওয়ার পর পুরো বলিউড নতজানু হয়ে বরণ করে বাদশাহকে। সাফল্যের সপ্ত আকাশ যেন নেমে এলো পদতলে। শুরু হলো অমিতাভ বচ্চনের মতো কিংবদন্তির সঙ্গে তুলনা। পেলেন ‘কিং খান’, ‘বাদশাহ’সহ নানা উপাধি ও সম্বোধন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন দেবাশিষ বিশ্বাস ও প্রান্তর। মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে সজীব করপোরেশনের নতুন পণ্য জুসের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
শাহরুখের সফর উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয় পুরো স্টেডিয়াম ও এর আশপাশের এলাকা। ডিএমপির দু’জন উপ-পুলিশ কমিশনারের (ডিসি) নেতৃত্বে ২ জন এডিসি, ৮ জন এসি, ২৭ জন ইন্সপেক্টর, ৪৮ জন এসআই, ১৬ জন গোয়েন্দা, ২৪ মহিলা পুলিশ ও ৫৭৭ পিওএমসহ মোট ৮৬৪ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। বিদেশি অতিথিদের আগমন, অনুষ্ঠানস্থল ও বিদায়ের কর্মসূচি ঘিরে দায়িত্ব পালন করেন প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য। বিমানবন্দর, হোটেল র্যাডিসন ও আর্মি স্টেডিয়ামকে তিন ভাগ করে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও এসএসএফের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ছিলেন শাহরুখ ও রানীসহ সুপারস্টাররা।
মূল ইভেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ডিএমপির গুলশান জোনের ডিসি হাফিজ আকতার সমকালকে জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে কনসার্টটি সম্পন্ন হতে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিশেষ দল ‘সোয়াট’ বাহিনীর সদস্যরা ভেন্যুতে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত ছিল। গড়ে তোলা হয়েছিল আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা বলয়।
গতকাল দুপুরের পর থেকেই ঢাকার রাজপথের সব পথ যেন এসে মিলেছিল আর্মি স্টেডিয়ামের দিকে। কাকলীর পর থেকে শুরু হয় দীর্ঘ যানজট। হাজার ঝক্কি-ঝামেলা পেরিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকে সবাই যেন ফিরে পায় স্বস্তি। এরপর শুরু হয় প্রতীক্ষার পালা। রাত ৮টায় শুরু হয় মূল কনসার্ট।
উত্তরা থেকে এসেছেন শামীম শাহরুখ খানের কনসার্ট দেখতে। তিনি জানান, শাহরুখ খানকে সরাসরি দেখার শখ ছিল। অনেক কষ্টে টিকিট সংগ্রহ করে আসতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।
বাবা-মায়ের হাত ধরে কনসার্ট প্রাঙ্গণে এসেছিল ৭ বছর বয়সী মিথিলা। আরও কয়েক মাস আগ থেকেই ওর বায়না ছিল শাহরুখকে দেখতে আসার। স্বপ্নপূরণ হওয়ায় আনন্দের ঝিলিক লেগেছিল শিশুটির চোখে-মুখে।
এক নজরে শাহরুখ খান : জন্ম : ২ নভেম্বর ১৯৬৫। উচ্চতা : ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। বিয়ে : ২৫ অক্টোবর ১৯৯১। সহধর্মিণী : গৌরী খান। সন্তান : আরিয়ান খান (১৯৯৭) ও সুহানা খান (২০০০)। প্রথম টিভি সিরিয়াল : ফৌজি (১৯৮৮)। প্রথম ছবি : দিওয়ানা (১৯৯২)। প্রথম প্রযোজিত ছবি : ড্রিমস আনলিমিটেড (১৯৯৯)। সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত অভিনীত ছবি : মাই নেম ইজ খান (২০১০)। পুরস্কার ও সম্মাননা :পদ্মশ্রী পদক ও ৭টি ফিল্মফেয়ারসহ অসংখ্য। নিজের মালিকানার ক্রিকেট দল (আইপিএল) : কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম টিভি উপস্থাপনা : কৌন বনেগা ক্রোড়পতি। বলিউডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু : জুহি চাওলা, ফারাহ খান, করন জোহর, কাজল। ব্যবসায়িক পার্টনার : জুহি চাওলা। সেরা ছবি : দিওয়ানা, করন অর্জুন, দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, বাজিগর, ত্রিমূর্তি, বাদশাহ, জোশ, দিলসে, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, মোহাব্বাতে, অশোকা, বীরজারা, ম্যায় হু না, দিল তো পাগল হ্যায়, কাভি খুশি কাভি গাম, কাল হো না হো, ডন, পরদেশ, চাক দে ইন্ডিয়া, কাভি আলবিদা না ক্যাহে না, ওম শান্তি ওম, মাই নেম ইজ খান। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত ব্লকব্লাস্টার সিনেমা ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ এ পর্যন্ত ১২০ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে। ক্যারিয়ারে শাহরুখ আয় করেছেন ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।সমকাল
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি