Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগ?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 37 বার

প্রকাশিত: December 23, 2010 | 1:55 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ ব্যাংক থেকে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পদত্যাগপত্রটি জমা দেওয়া হয়।সূত্র জানায়, গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে সরকার। গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসভবনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংকের মুনাফার ওপর আয়কর মুক্তির সুবিধা বাতিল ও সুদের হার সমন্বয় করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যে তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ডলার গ্রামীণ ব্যাংক থেকে আরেকটি প্রতিষ্ঠানে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলে নরওয়ে সরকার জানায়, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় কোনো অনিয়ম হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক অবশ্য এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
গতকাল এ তদন্তের বিষয়ে বৈঠকে বসেন কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ছিলেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. নাসির আহমেদ, পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. খলীকুজ্জমান প্রমুখ। অর্থমন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার ২০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা যায় কি-না, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংককে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যান নিয়োগ ও আয়কর নিয়ে আলোচনা করেন মন্ত্রীরা। তারা বলেছেন, কয়েক দফায় অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে সরকারের ক্ষতি এবং গ্রামীণ ব্যাংককে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পরিশোধিত মূলধনে সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের অংশ ৬০ থেকে ২৫-এ নামিয়ে আনা হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের আগে সরকারের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮। পরে সেটা কমিয়ে ৩ জন করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সরকারের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে মন্ত্রীরা বলেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ৫৭ বছর বয়সসীমা রয়েছে। বেসরকারি ব্যাংকের প্রধানদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর। ড. ইউনূস ৭০ বছরে পা রেখেছেন।গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যাংকের চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর। ৬০ বছরের বেশি বয়সী কেউ ব্যাংকে চাকরি করতে পারেন না। বর্তমানে ড. ইউনূসের বয়স প্রায় ৭০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরি বিধি অনুযায়ী ড. ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকে থাকার কথা না হলেও ব্যাংকের তৎকালীন বোর্ড সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ড. ইউনূসকে রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখন থেকেই তিনি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ড. ইউনূসের মেয়াদ বাড়াতে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়ার কথা থাকলেও তা করেনি পরিচালনা পর্ষদ। এ ব্যাপারে ২০০০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আপত্তি জানানো হয়েছিল।
গতকাল সন্ধ্যায় গ্রামীণ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ড. ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের আলোচ্যসূচি জানা যায়নি।
আয়কর সুবিধা বাতিল হচ্ছে : বর্তমান আইনে গ্রামীণ ব্যাংক তার সব ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে আয়কর অব্যাহতি সুবিধা পাচ্ছে। গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা এ সুবিধা ভোগ করছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রামীণ ব্যাংকের আয়কর সুবিধার বিষয়ে একবার আলোচনা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, প্রচলিত আইনে গ্রামীণ ব্যাংককে আয়কর ক্ষেত্রে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে তা বৈষম্যমূলক ও আইনের পরিপন্থী। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ বিষয়ে কোনো সমাধান না দিয়ে সুবিধার মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ায়। এ মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর। ইতিমধ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ সুবিধার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এনবিআরের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ