ড. শাহজাহান মাহমুদ ষ্টিয়ারিং কমিটির বহিষ্কৃত সদস্য-চেয়ারম্যান ননঃনিউইয়র্কে সাংবাদিক সম্মেলনে ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটি
নিউইর্য়ক: গত ৪ জুলাই উইকেন্ডে মন্ট্রিয়ালে গঠিত মোহাম্মদ হোসেন খান ও ডা. মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটিতে ড. শাহজাহান মাহমুদ একজন সদস্য মাত্র ছিলেন এবং গত ৩১ অক্টোবর সেন্ট্রাল কমিটির বিরুদ্ধে ড. শাহজাহান মাহমুদের বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রমের ফলে ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির সদস্য পদ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। বর্তমান তিনি ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির কোন সদস্যও নন বলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান ও সাধারন সম্পাদক ডা. মাসুদুর রহমান।

গত ১৮ ডিসেম্বর নিউইয়র্কের গ্রান্ড সুইটস্ হোটেলে ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটি আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের দায়ে ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটি থেকে ড. শাহজাহান মাহমুদকে যে বিহস্কার করা হয়েছিল তা এখনো বলবৎ আছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এই মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, ফোবানা ষ্টিয়ারিং কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ গত ৪ ডিসেম্বর সদলবলে নিউইয়র্কে আসেন এবং এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেকে এখনো উক্ত সংগঠনের চেয়ারম্যান বলে দাবী করেন। এই তথ্য সঠিক নয়। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহনী ও নিন্দনীয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ এর চেয়ারম্যানশীপের মেয়াদ ২০১০ সালে মন্ট্রিয়ালে অনুষ্ঠিত ফোবানা সম্মেলনে সমাপ্ত হয় এবং এটি ছিল তার বর্ধিত এক বছর অর্থাৎ তৃতীয় বছরের শেষ বছর। ২০০৯ সালে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ফোবানা সম্মেলনে বিশেষ এক সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জের কারনে বিধি মোতাবেক পুনরায় চেয়ারম্যানশীপের মেয়াদ ৩ বছরে বৃদ্ধি করে ড. শাহজাহান মাহমুদের চেয়ারম্যানশীপের মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি করা হয়েছিল। কিন্তু মেয়াদ বৃদ্ধির পর থেকে বিশেষ অগ্রাধিকারের কাজটিতে তিনি সম্পূর্ণ নিস্ক্রিয় থাকেন সারাটি বছর এবং পুরো সময়টি তিনি অপব্যয় করেন স্থুল অগুরুত্বপূর্ণ অপর একটি কাজে যাকিনা মন্ট্রিয়াল ফোবানা সম্মেলন ২০১০ সুসম্পন্ন করার পথে বড় বাধা হয়ে দাড়ায়। গত এক বছর ধরে ফোবানার বিরুদ্ধে ড. শাহজাহান মাহমুদের নেতীবাচক কর্মকান্ড ও অসহযোগীতার ফলেও কমিটি মন্ট্রিয়ালে একটি সফল ফোবানা সম্মেলন করতে সমর্থ হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১০ সালে মন্ট্রিয়ালে অনুষ্ঠিত ফোবানা সম্মেলনেই ফোবানার সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ওয়াশিংটনের আমেরিকান বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনকে ২০১১ সালে ফোবানা সম্মেলনের জন্য দায়িত্ব প্রদান করে অনুমোদন দেয়া হয়। ঐ সময়ে ওয়াশিংটনের অন্যকোন সংগঠনের সভাপতি বা সেক্রেটারি বা বৈধ কোন প্রতিনিধিই উপস্থিত ছিলেন না। এখানে উল্লেখ্য যে, ড. শাহজাহান মাহমুদ ফোবানার চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় গত ২০০৯ সালে ফোবানা সম্মেলন করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল ওয়াশিংটনের আমেরিকান বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনকেই।ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১০ সালে মন্ট্রিয়ালে অনুষ্ঠিত ফোবানা সম্মেলনেই মোহাম্মদ হোসেন খানকে চেয়ারম্যান এবং ডা. মাসুদুর রহমান মাসুদকে সাধারন সম্পাদক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটি গঠিত হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই মুহুর্তে এই সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ট্রিয়ালে গঠিত ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির ১২ জন সদস্য উপস্থিত রয়েছেন। ৭/৮ জন সদস্য তাদের বিভিন্ন জরুরি কর্মকান্ডের জন্য। শহরের বাইরে অবস্থান করলেও তারা ফোনের মাধ্যমে আমাদেরকে তাদের মতামত দিয়েছেন।সাংবাদিক সম্মেলনে ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০১০ সালে মন্ট্রিয়ালে অনুষ্ঠিত ফোবানা সম্মেলনে ড. শাহজাহান মাহমুদের উপস্থিতিতেই নবগঠিত ফোবানা সেন্ট্রাল কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান, সাধারন সম্পাদক ডা. মাসুদুর রহমান সহ অন্যান্যদেরকে ফোবানার মূল মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া একই সময়ে ফোবানা ২০১১ সালের স্বাগতিক সংগঠন আমেরিকান বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি জিআই রাসেল, সাধারন সম্পাদক সাদেক খানকে উপস্থিত অতিথিদের নিকট পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। পরিচয় শেষে স্বাগতিক সংগঠন “আমেরিকান বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন” এর সভাপতি জি আই রাসেল, সাধারন সম্পাদক সাদেক খান এবং নবগঠিত ষ্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন খান শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য ২০১১ সালের ফোবানা সম্মেলনে সবাইকে অংশগ্রহনের জন্য সবাইকে সাদর আমন্ত্রন জানান। মঞ্চে এই পরিচয় পর্বটি পরিচালনা করেন মন্ট্রিয়াল ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার গাজী কমল।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি