Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

মন্দা:২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১৫৭ ব্যাংক বন্ধ,বাংলাদেশীরাও সংকটে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 172 বার

প্রকাশিত: December 30, 2010 | 10:28 AM

 এনা : মন্দা পরিস্থিতি গ্রাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক জীবন যাত্রাকে। ওবামা প্রশাসন দাবি করে চলেছে যে মন্দা কেটে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ফেডারেল প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী ২০১০ সালে ১৫৭ টি ব্যাংক বন্ধ হয়েছে অর্থ সংকটে পড়ে। এসব ব্যাংকের দেনা রয়েছে ৯২.১ বিলিয়ন ডলার। ২০০৯ সালে বন্ধ হওয়া ব্যাংকের সংখ্যা ছিল ১৪০ এবং দেনার পরিমাণ ১৬৯.৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ২০১০ সালে দেউলে ঘোষণাকারী ব্যাংকের সংখ্যা বাড়লেও দেনার পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে কম। ফেডারেল প্রশাসন সূত্রে আরো জানা গেছে, ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মোট ৩৫৯টি ব্যাংক বন্ধ হয়েছে। এরমধ্যে গত দু�বছরেই ২৯৭ ব্যাংকে লালবাতি জ্বলেছে অর্থাৎ ২০০৮ সালে শুরু মন্দার রাহুগ্রাস সম্প্রসারিত হয়েছে ২০০৯ সালে এবং এখনও তা বহাল রয়েছে। মন্দার সামগ্রিক প্রভাব নিউইয়র্কের বাংলাদেশীদেরকেও গ্রাস করেছে। ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত ঠিকানা পত্রিকায় ‘শ্রমিকরা হতাশা ব্যক্ত করলেও নির্মাণ ব্যবসায়ীরা বলেছেন আশার কথা’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবাদে বাংলাদেশীদের নাজুক পরিস্থিতি পরিস্ফুট হয়েছে। উল্লেখ্য যে, নিউইয়র্কে বেশ কয়েক হাজার বাংলাদেশী রয়েছেন যারা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে পরিচিত। তাদের ৮০% সপ্তাহে ৪ দিনের বেশী কাজ করতে পারছেন না গত দু’বছর যাবত অর্থাৎ কাজের সংকট চলছে। এ পেশার মানুষের কাছে অর্থ সংকট অব্যাহত থাকায় ব্রুকলীনের বাংলাদেশী মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টগুলোকেও নানা পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারি বার্তা সংস্থা এনাকে জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের চেয়ে ২০১০ সালের ব্যবসায় মন্দা বেড়েছে। 

 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV