সাকা চৌধুরীর মার্কিন এটর্নীকে ভিসা না দেয়ায় নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলন:নিন্দা ও প্রতিবাদ
এনা : বাংলাদেশের সার্বিক কল্যাণে কাজ করার সংকল্পে নবগঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সেইভ বাংলাদেশ মুভমেন্ট’র কর্মকর্তারা ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময় রোববার সকাল) নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ৭ বারের সংসদ সদস্য জননেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ল’ ফার্ম ভাড়া করা হয়েছে। সে ফার্মের প্রখ্যাত এটর্নী যো সিয়ার ঢাকায় যাবার ভিসা চেয়েছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্স্যুলেটের মাধ্যমে।

কিন্তু তাকে ভিসা দেয়া হয়নি। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আশা প্রকাশ করা হয় যে আইনের শাসন সমুন্নত রাখার স্বার্থে এবং নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে এটর্নী যো সিয়ারকে অবিলম্বে ভিসা দেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১/১১ পরবর্তী কেয়ারটেকার সরকারের আমলে বিশেষ কারাগারে আটক শেখ হাসিনার জন্যেও বিদেশী আইনজীবী গিয়েছিলেন। অথচ এখন দাবি করা হচ্ছে যে বাংলাদেশে নাকি গণতান্ত্রিক সরকার চলছে। তাহলে সংসদ সদস্য সা. কা. চৌধুরীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্যে আমেরিকান এটর্নীকে ভিসা দেয়া হচ্ছে না কেন? এক প্রশ্নের জবাবে সেইভ বাংলাদেশ মুভেমন্ট’র চেয়ারম্যান ডা. শাহ আলম বলেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ হচ্ছেন শেখ হাসিনা। তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের মহাসচিব কাজী শাখাওয়াত হোসেন আযম এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী গিয়াস আহমেদ, তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক পারভেজ সাজ্জাদ প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন আনোয়ারুল ইসলাম, মৌলানা আব্দুর রহমান, মৌলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মো: আজাদ বাকির, আব্দুল খালেক আকন্দ, সাইদুর রহমান সাঈদ, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয় যে, বাংলাদেশের মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রবাস থেকে যারাই ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে আগ্রহী, তারাই সম্পৃক্ত হবেন ‘সেইভ বাংলাদেশ মুভমেন্ট’র সাথে। শীঘ্রই বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে একটি শুনানীর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়। আয়োজকরা বলেন, মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের নামে যদি নিরীহ লোকজনকে হয়রানি করা হয় তাহলে আমরা তার প্রতিবাদ জানানো। তারা বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে যে বিভিষিকাময় পরিস্থিতি তৈরী করা হয়েছে, তার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে উঠেছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। তারা বলেন, সা. কা. চৌধুরীকে নিরাপত্তা বাহিনীর প্রহরায় ভারতীয়রা মারধোর করেছে। এ ধরনের জঘন্য অপকর্মকে চলতে দেয়া হবে না। ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সদস্য, এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের সার্বিক চিত্র অবহিত করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়। তারা অভিযোগ করেন, মানবতা বিরোধী অপরাধে লিপ্তদের বিচারের নামে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। তারা বলেন, এ যাবত ৬ সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর সকলেই আওয়ামী লীগের লোকজন। চুরি-ডাকাতি ও খুনের মামলাও প্রত্যাহার করা হয়েছে রাজনৈতিক মামলার অধীনে-এভাবে আওয়ামী দুঃশাসনের বিষবাস্প বিস্তৃত হচ্ছে গোটা বাংলাদেশে। তারা বলেন, নিরীহ মানুষদের সর্বশেষ অবলম্বন হচ্ছে বিচারালয়, সেই বিচারালয়কেও আওয়ামী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে। তারা বলেন, মার্কিন এটর্নীকে ভিসা না দিলে পরবর্তী পর্যায়ে মার্কিন এটর্নীদের ভিসা ছাড়াই প্লেনে উঠিয়ে দেব। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মাহমুদুর রহমানের মত শক্তিশালী একজন সম্পাদক আজ জেলে কেন তা বিবেকসম্পন্ন মানুষ মাত্রই উপলব্ধি করছেন। এ ধরনের হয়রানি-নির্যাতন চালানো হচ্ছে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় নিয়োজিতদের।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি