নিউইয়র্কে বাংলাদেশী মালিকানার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ট্রাভেলস’র টিকিট প্রতারনা : বোবা হয়ে গেছেন নাজমুল!
হাবিব রহমান : তার নাম নাজমুল হুদা। সম্প্রতি বহুল আলোচিত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ট্রাভেলস এর কর্নধার। তিনি হঠাৎ অসুস্হ হয়ে হাসপাতালে। (তবে তিনি কোন হাসপাতালে তা কেউ জানেনা।) তিনি অসুস্হ (!) থাকায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তিনটি শাখার কর্মচারীরা শোকে দু:খে মনোবেদনায় শাখাগুলি বন্ধ করে দিয়েছেন। যেজন্য কয়েক শত প্রবাসী বাংলা দেশী দেশে ঈদ করতে যেতে পারেননি। তাকে এবং তার স্টাফদের না পেয়ে বিমানবন্দর ফেরত বাংলাদেশীরা মিডিয়া অফিসে ভিড করছেন।এ ব্যাপারে জানতে নাজমুল হুদার সেলে কল করলে তিনি তাদের কথা শুনতে পান।তবে জবাব দিতে পারেন না (তিনি কি তা হলে বোবা হয়ে গেছেন!) তবে একটু পরেই টেক্টস করে তার “বাণী” পাঠান। (তিনি নাকি সুস্হ হয়ে উঠলেই সবার ক্ষতিপুরণ দেবেন)। তবে নিন্দুকেরা বলছে তিনি ইতোমধ্যে ব্যাক্রাপসি ফাইল করেছেন (মানে বুঝেন তে! যদি কথাটা সত্যি হয় তাহলে পাওনাদাররা তার থেকে সত্তুর হাত দূরে থাকতে হবে)।
নাজমুল হুদা জ্যাকসন হাইটস বিজন্যাস এসোসিয়েশনের (জেবিবিএ) সদস্য। ঘটনা ঘটার পরই জেবিবিএ’র ইজ্জত রক্ষার্থে কর্মকর্তারা ঘোষণা দিলেন তারা ব্যাপারটা দেখবেন। সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ভিকটিমরা জানতে পারেনি কি ঘটতে চলেছে। (দোহাই আল্লার, এই অসহায়দের জন্য কিছু একটা করুন, সওয়াব পাবেন। পাশাপাশি ইতিহাসে উজ্জল হয়ে বেঁচে থাকবে আপনাদের নাম)।
প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতিনিধিত্ব কারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সোসাইটি। তারা মনে হয় কানে তুলা দিয়ে বসে আছেন। শত শত পরিবার নাজমুল হুদার লোভের শিকার হলো অথচ সোসাইটি নির্বিকার। তাদের ঘুম ভাংছেনা। এই অসহায় মানুষগুলোর জন্য তারা কিছু করছে কিনা,করবে কিনা কেউ কিছু জানতে পারছেনা। (সম্ভবত কর্তৃপক্ষ খোঁজ করছে তারা সোসাইটির সদস্য কিনা!) ভাগ্য বিড়ম্বিত এই অসহায় আদম সন্তানদের জন্য আপনাদের কি কোন দ্বায় দ্বায়িত্ব নেই?আপনারা তো আমব্রেলা প্রতিষ্ঠান। দোহাই লাগে আপনাদের ছাতার নীচে এদের একটু ছায়া দিন।
দু একটি সংবাদপত্র ছাড়া বেশীরভাগ সংবাদপত্রের একটা গা ছাড়া ভাব। নাকরলেই নয়-এমন ভাবে সংবাদ পরিবেশন করছে তারা। (সম্ভবত তাদের অনেকে আশা করছেন “ভাইজান” ফিরে এসে কৃতজ্ঞতা হিসাবে তাদের বিজ্ঞাপনের জোয়ারে ভাসিয়ে দেবেন)। আপনাদের দ্বায়িত্বের কথা মনে করিয়ে ধৃস্টতা দেখাবোনা। শুধু বিণীতভাবে বলবো -এই অসহায়দের পাশে এসে একটু দাঁড়ান।
বাংলাদেশেও আমরা দেখেছি ছিঁচকে চোররা ধরা পরে টাকা পয়সার অভাবে বছরের পর বছর জেলে পঁচে মরে।আর পুকুর চুরি করে বড় ভাইজানরা গাঁটের কডি খরচ করে বাইরে হাওয়া খেয়ে বেড়ান ।
প্রবাসেও এই নাজমুলরা তাই করবে। পরের ধনে পোদ্দারী করে বড় বড় এটর্ণী ধরে বাইরে বেরিয়ে আসবে।তাই এদের ঠেকাতে চাই সামাজিক প্রতিরোধ। এদের বর্জন করুন। আপনার ঘৃণার আগুনে এদের সর্ব শরীর ঝলসে দিন। (হাবিব রহমান, বার্তা সম্পাদক, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা, নিউইয়র্ক।) ফেইসবুক থেকে
- সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প
- দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত
- বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান