Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
Women’s Participation Makes Peace and Security More Durable and Inclusive: Irene Khan সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
সব ক্যাটাগরি

নতুন প্রজন্মকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বইয়ে নিতে হবে: সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম বস্টন শাখার সমাবেশে মহাসচিব হারুন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 166 বার

প্রকাশিত: July 16, 2017 | 11:15 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ‘জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু এবং জয়বাংলা স্লোগানকে আত্মস্থ করার মধ্য দিয়েই বাঙালির স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং এ গুরু দায়িত্ব অর্পণ করতে হবে দেশ ও প্রবাসের নতুন প্রজন্মের ওপর’-এমন অভিমত পোষণ করেছেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের মহাসচিব, লেখক-সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। হারুন হাবীব বলেন, ‘সেক্টর কমান্ডার এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স বাড়ছে এবং ক্রমান্বয়ে আমরা মৃত্যুবরণ করবো। সেজন্যেই নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বইয়ে নিয়ে যেতে হবে’। মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব বলেন, ‘যতদিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ও নব্য স্বাধীনতা বিরোধী চক্র রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা অব্যাহত রাখবে, যতদিন পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাসের যথাযথ মর্যাদা রক্ষিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও নতুন প্রজন্মের প্রতিরোধ যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।’

হারুন হাবীব বলেন, ‘ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তস্নাত বাংলাদেশে ১৯৪৭ এর চেতনার পুন:প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হতে পারেনা । কারণ বঙ্গবন্ধু,বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ একেÑঅপরের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। এই তিনকে অস্বীকার করে, বা পরিপূর্ণ সম্মান না দিয়ে, বাংলাদেশের মাটিতে কোনো রাজনীতি চলতে পারেনা। আগে যা চলেছে তা অস্বাভাবিক, এবং সেই অস্বাভাবিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বাংলাদেশের মানুষকে আজকের দিনে আসতে হয়েছে।’ 

হারুন হাবীব বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের বিচার ও শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাস্ট্রের লুণ্ঠিত গৌরব পুনরুদ্ধার করেছেন, রাষ্ট্রকে কলংকমুক্ত করেছেন, বাংলাদেশকে আবারও মহান মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশিত পথে ধাবিত করেছেন। এই কাজ সহজ ছিলোনা, ছিল বিপদসংকূল , যার প্রতিপদে সরকার প্রধান ও তাঁর সরকারকে ঝুঁকি নিতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এরপরও একাত্তরের চেতনাধারী রাজেৈনতিক শক্তির আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দেশি-বিদেশি প্রতিপক্ষরা এই অর্জণ ধুলিসাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কাজেই মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক শক্তির সাথে সাংস্কৃতিক শক্তির মিলন ঘটিয়ে একটি নতুন রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটাতে হবে, যাতে একাত্তরের চেতনা নতুন প্রজন্মের মন ও মননে স্থায়ি আসন লাভ করে। জয়বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধু যেন কণ্ঠে নয় কেবল, আত্মায় ধারণ করা সম্ভব হয়। এ কারণেই প্রয়োজন একটি সাংস্কৃতিক নবজাগরণ বা রেনেসাঁ, যা জাতিকে শুদ্ধ করবে, পরিশুদ্ধ করবে, এবং অসাম্প্রদায়িক জাতিসত্তার ঝান্ডাকে উচিয়ে ধরবে।’ ১৫ জুলাই শনিবার বিশ্বখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড এবং এমআইটি অধ্যুষিত বস্টন সিটিতে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের নয়া শাখা গঠন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন হারুন হাবীব। এর আগে গত ১ জুলাই নিউইয়র্কে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে এই ফোরামের যুক্তরাষ্ট্র শাখা গঠন করা হয়।

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা নূরল হক বাচ্চুর সভাপতিত্বে ক্যামব্রিজ সিটির একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশ সঞ্চালনা করেন শহীদ পরিবারের সন্তান ফাহমিদা মালিক। অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক তালুকদার, হাবিবুর রহমান, শিক্ষাবিদ আহমেদ হাসান এবং শহীদ সন্তান নাহিদ নজরুল। বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ইউসুফ, আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আবুল কাশেম প্রমুখ।
বক্তারা উল্লেখ করেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-বিরোধীরা এই প্রবাসেও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ রাখতে এই ফোরামের ভুমিকা অপরিসীম। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মিত্ররা যাতে রাজাকার-শিবিরের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হন-সে ব্যাপারে প্রতিটি প্রবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।’

বিস্তারিত আলোচনা শেষে শহীদ পরিবারের সন্তান তাহেরা আহমেদ মিতুকে আহবায়ক এবং শহীদ পরিবারের সন্তান উজ্জ্বল বড়–য়া, আবু মানসুর ও সৈয়দা যোহরা পারভিনকে যুগ্ম আহবায়ক করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট ‘বস্টন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম’ গঠন করা হয়। এর সদস্যরা হলেন শাকিল আহমেদ রণি, বাসন্তী গমেজ, খলিলুর রহমান, মো. এস মিয়াজি, আব্দুল আজিজ, ফাহমিদা মালিক এবং সেলিম জাহাঙ্গির। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ