Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
Women’s Participation Makes Peace and Security More Durable and Inclusive: Irene Khan সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটি আরো ৩০০ কবর কিনবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 8 বার

প্রকাশিত: August 11, 2017 | 7:51 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটি আরো ৩০০ কবর কিনবে । বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী কমিটির যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৫ আগস্ট সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় জানানো হয়, দিন দিন কমিউনিটি বড় হওয়ার কারনে বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি কবরের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। তা পূরণে সোসাইটি আরো ৩০০ কবর কিনার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ২০০৯ সালে সোসাইটির তৎকালীন কার্যকরী কমিটি লং আইল্যান্ডে ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল পার্কে মুসলিম গার্ডেন সেকশনে ব্লক-এ তে ২১০টি কবর কিনে। এতে ব্যয় হয় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। প্রবাসীদের ভবিষৎ বিবেচনা করে ২০০৯ সালে কেনা এসব কবর প্রথম বছরে একটিও ব্যবহার হয়নি। ২০১০ সালের অক্টোবরে এসে প্রথম একটি কবর কাজে লাগে জ্যাকসন হাইটস এলাকায় জনৈক দীল এম খানের আত্মহত্যার পর। ২০১১-১২ তে তেমন কাজে লাগেনি কেনা কবরগুলো। তবে ইদানীং চাহিদা বেড়েছে। ইতোমধ্যে ৯৯টি কবর হস্তান্তর করেছে সোসাইটি। কবরের জন্য এখন মিনিমাম খরচ নিচ্ছে সোসাইটি। সোসাইটির কর্মকর্তারা জানান, কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে একটি কবর কিনেন, তাকে ৩ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে হয়। সেক্ষেত্রে সোসাইটি তাকে অর্ধেক খরচে দিতে পারছে।সভায় কমিউনিটি সেন্টার গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই প্রবাসে একটি কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা। আর সেই দাবির বাস্তবায়নে সকল প্রবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী পরিষদ সক্রিয় ভূমিকা পালনের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা সোসাইটিকে আরো গতিশীল করতে সকলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন।
এছাড়া সভায় আগামি ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় সোসাইটির অফিসে পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

স্থানীয় সময় ড়শ ৫ আগস্ট বাংলাদেশ সোসাইটির নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, দুই বারের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম. আজিজ। পরিচালনা করেন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সিদ্দিকী। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম কে জামান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম ভূঁইয়া, সাহিত্য সম্পাদক নাসির উদ্দিন, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক আহসান হাবিব, কার্যকরী সদস্য ফারহানা চৌধুরী, মঈনুল উদ্দিন মাহবুব, আজাদ বাকির, সাদী মিন্টু ও আবুল কাশেম চৌধুরী।
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজী আজহারুল হক মিলন, প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন, আলী ইমাম শিকদার, মফিজুর রহমান, ওয়াসি চৌধুরী, এমদাদুল হক কামাল, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল ও শরাফ সরকার।
সভায় বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠাকল্পে নিজস্ব ভবন ক্রয়ের ওপর আবারও গুরুত্বারোপ করে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম. আজিজ বলেন, প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা। আর সেই লক্ষ্য পূরণে আমরা যে উদ্যোগ নিয়েছি তা বাস্তবায়নে আমাদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভাপতি কামাল আহমেদ বলেন, আমরা ট্রাস্টি বোর্ডের পরামর্শে কাজ করে যাবো। সবার সহযোগিতা পেলে বর্তমান কমিটির মেয়াদেই বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠাসহ প্রবাসীদের কল্যাণে আরো অনেক কাজ করতে পারবো ইনশআল্লাহ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ