Saturday, 6 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

মিশর ফুঁসে উঠলো যে কারণে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 142 বার

প্রকাশিত: February 6, 2011 | 2:30 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক দীর্ঘ ৩০ বছর ধরেই মিশরের একচ্ছত্র ক্ষমতায় আছেন।তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পর্যন্ত ছিল না মিশরীয়দের। অথচ এ বছরের প্রথম মাসেই পাল্টে যায় হিসাব-নিকাশ। প্রতিবাদী জনতা পারলে যেন তাকে টেনে নামিয়ে ফেলে মসনদ থেকে। জনতার ক্ষোভের অনেক কারণই রয়েছে। দেশের কি অবস্থা করেছেন মুবারক জানা যাচ্ছে এখন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া জনতার সামনে বাস্তবে এখন আর বিকল্প কোন উপায় নেই। জনতার ক্ষোভের কারণ তুলে ধরেছে গালফ নিউজ। দৈনিকটি জানায়, মিশরের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে এখন আর কোন মধ্যবিত্ত শ্রেণীই নেই। হয় গরিব নয়তো ধনী। গোটা মিশর এখন এ দু’ভাগে বিভক্ত। মন্দ অর্থনীতির চাপে নিষ্পেষিত জনতার ফুঁসে না ওঠার কোন কারণ ছিল না। বেকারত্ব  ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রাস্ফীতি, করের বোঝা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া, দুর্নীতি- এসব আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছিল মিশরীয়দের। আর সব ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে ৩ দশকের শাসকের ওপর। তাকেই সব দুর্ভোগের কারণ বলে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন মিশরীয়রা। আশীর্বাদপুষ্টরা রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাচ্ছে অথচ সাধারণ মানুষের দু’বেলার খাবার জোটানো দুষ্কর। ক্ষুব্ধ এক মিশরীয় মোহাম্মদ আলী (৫২) বলেন, ৫ সন্তান আর স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার। একটি স্টেশনারি ফ্যাক্টরি চালান তিনি। অথচ মাসের খরচ যোগাতে গলদঘর্ম হতে হয় তাকে। তার মতে, দু’জনের পরিবার চালাতে মিশরে কমপক্ষে ১ হাজার ইজিপসিয়ান পাউন্ড প্রয়োজন। ৫ জনের পরিবার চালাতে প্রয়োজন কমপক্ষে ৫ হাজার ইজিপসিয়ান পাউন্ড (৮৫০ ডলার)। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, অর্থনীতির এমন দশা যে, দেশে এখন আর কোন মধ্যবিত্ত শ্রেণীই নেই। তারা অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। ধনী ও গরিবের মধ্যে ব্যবধান দিন দিন বড় হচ্ছে। আরব দেশগুলোর মধ্যে মিশরের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮ কোটি। বিশ্বব্যাংকের মতে, এর ৪০ শতাংশই দারিদ্র্যসীমায় বা তার নিচে বাস করেন। বেকারত্বের হার মিশরে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের বয়সই ৩০ বছরের নিচে। মিশরে কর্মজীবীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ। এর মধ্যে ৩২ শতাংশ কৃষিজীবী, ১৭ শতাংশ শিল্প-কারখানায় নিয়োজিত, ৫১ শতাংশ অন্যান্য খাতে নিয়োজিত রয়েছে। বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতির কারণে সবচেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বেকার জনগোষ্ঠীসহ ওই ৪৯ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতির হার গত বছর ছিল ১১.৯০ শতাংশ। ২০০৩ সালে ৪.৩০, ২০০৫ সালে ৯.৫০ এবং ২০০৯ সালে ১৮.৩০ শতাংশ। এর সঙ্গে যোগ হয় মুবারক প্রশাসনের প্রস্তাবিত নতুন করনীতি। এ বছরই এটি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এতে নিম্নবিত্তরাই সবচেয়ে আক্রান্ত হবেন বলে ধারণ করা হয়। আইন প্রণয়নের সময়ই দেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। মিশরে সাক্ষরতার হার ৭১ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ২ কোটি এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী প্রায় সাড়ে ৫ কোটি। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়েই মুবারকের অথর্ব প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নামেন ক্ষুব্ধ মিশরীয়রা। ফেসবুক, টুইটার, ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে নিষ্পেষিত জনতা আন্দোলনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV