লিবিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারী জেনারেল ফর হিউম্যানট্যারিয়ন এফেয়ারস এর সাহায্য কামনা
শারকে চামান খান: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন আজ জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারী জেনারেল ফর হিউম্যানট্যারিয়ন এফেয়ারস মিস ভেলরি আমোস(Valerie Amos), জাতিসংঘের কো-অরডিনেশন এন্ড রেসপনস্ ডিভিশনের ডিপুটি-ডিরেকটর মিঃ ফিলিপ রাজাররিনি, জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফর রিফিউজিস্ এর ডিরেকটর উদো জাং এবং International Organisation for Immigration (IOM) এর স্থায়ী প্রতিনিধি মিস মিশেল সলোমনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি তাদের লিবিয়ায় বাংলাদেশের যে প্রবাসী আছেন তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা অবহিত করেন। জাতিসংঘের এই কর্মকর্তারা জানান যে, বেনগাজীতে ইতিমধ্যে যথেষ্ঠ পরিমাণ ঔষধপত্র, খাবার এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং অন্যান্য জায়গায়ও খাদ্য, পানি, ঔষধ প্রেরণে বৈষম্য করা হবেনা। তারা আরও জানান যে, যদি বর্ডারে এখন কম সংখ্যক রিফুউজি আসছে। এবং অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তারা আরও জানান যে, কোন বিত্তশালী প্রবাসী বাঙালী নিজ খরচে যে সব জায়গায় সাহায্য প্রদানের জন্য যান তবে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাদরে গ্রহণ করবেন। এব্যাপারে জাতিসংঘের স্থায়ী মিশনের ফোন নং ২১২ ৮৬৭ ৩৪৩৪ এক্সটেনশন ১০৩/১১৭ এ যোগাযোগ করতে পারবেন। উল্লেখ্য, লিবিয়ায় ২.৫ মিলিয়ন বিদেশী ব্যক্তি কাজ করে। এর মধ্যে ১ মিলিয়ন মিশরীয়। আজকে পর্যন্ত ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ব্যক্তি লিবিয়া থেকে বের হয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ৭৫% মিশরীয়। লিবিয়ায় প্রায় ষাট হাজার বাংলাদেশী। অধিকাংশই যুবক এবং এককভাবে বাস করছেন। তার মধ্যে ৫৭২জন দেশে ফিরেছেন। বাকি কয়েক হাজার তিউনিশিয়ার “রাশ আরজু” ও মিশরের “সালুন” বর্ডার শহরে পাড়ি দিয়েছেন। আর অধিকাংশ প্রবাসী বাংলাদেশীরা লিবিয়াতেই অবস্থান করছেন। কোন কোন এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টির কারণে ও দোকানপাট বন্ধ থাকায় খাবার ও পানির সংকট দেখা গিয়েছে বলে শোনা গেছে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল