Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

ইউরোপের দেশগুলোর প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে আরো কঠোর হওয়ার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 160 বার

প্রকাশিত: July 13, 2018 | 7:58 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে আরো কঠোর অবস্থান নেয়ার জন্য ইউরোপের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দেশটির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগ তুলে এই আহ্বান জানান। অন্যদিকে, ন্যাটো সম্মেলনে ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি ইরানের ওপর আরো চাপ প্রয়োগ করার জন্য ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানান। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা। খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার এক টুইটার বার্তায় পম্পেও ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র সরবরাহ করছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরো জোরদার করার জন্য ইউরোপের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। তার ভাষায়, ‘সন্ত্রাসবাদ ও ‘প্রক্সি’ যুদ্ধে পৃষ্ঠপোষকতা করার কারণে আমাদেরকে অবশ্যই ইরানে অর্থায়ন বন্ধ করতে হবে। পরবর্তীতে ইরান আমাদের কোনো দেশে সন্ত্রাসবাদ, সহিংসতা ও অস্থিরতা উস্কে দেবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।’ 
যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক যুদ্ধে পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ করে আসছে। বিশেষ করে ইরান সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ ও ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের সহায়তা করে বলে অভিযোগ দেশটির। কিন্তু ইরান বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পরে দেশটির ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তিনি। পাশাপাশি একের পর এক ইরানকে হুমকি দিয়ে আসছেন তিনি। ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে ইরান ইস্যুতে কথা বলেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নতুন নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর থেকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরো বেশি সম্মান দেখায়। তার ভাষায়, ‘ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রকে অতীতের চেয়ে অনেক বেশি মেনে চলে। আমি জানি, এর কারণে তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তাদের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে। আমি আপনাদের বলছি, একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে গিয়ে তারা আমাকে ডাকবে, তারা বলবে, আসুন একটা চুক্তি করি। তখন আমরা চুক্তি করবো। কিন্তু নিশ্চিতভাবে তারা বর্তমানে ভয়াবহ দুর্দশার মধ্যে রয়েছে।’
ইরানের বিরুদ্ধে শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কয়েক মাস আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরান চুক্তি থেকে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন। তখন চুক্তির অংশীদার অন্য পাঁচ দেশ ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে। কিন্তু ট্রাম্প তাতে কর্ণপাত করেননি। চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে যাওয়ার পরও তা বহাল রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। কিন্তু ওই চুক্তির বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তিনি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি চাপ প্রয়োগ করছেন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের মূল লক্ষ্য ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টর ব্রায়ান হুক বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানের তেল রপ্তানি শূন্যের কোটায় নামিয়ে দেশটির ওপর চাপ আরো বৃদ্ধি করা।’
ইতিমধ্যে ইরান থেকে তেল আমদানিকারী দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ইরান থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তেল ক্রয়কারী দেশ ভারত তাদের তেল কেনার পরিমাণ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। পূর্বে ভারতে প্রতিদিন ৭ লাখ ৫ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করতো ইরান। গত মাসে রপ্তানি ১৬ শতাংশ কমে গেছে। এখন ভারত ইরান থেকে দৈনিক ৫ লাখ ৯৩ হাজার ব্যারেল তেল আমদানি করে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য ইরান নতুন ক্রেতা খুঁজছে বা পুরাতন ক্রেতাদের কাছে তেল বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। আর এতে ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশটির দীর্ঘ দিনের মিত্র রাশিয়া। বুধবার ইরানের সঙ্গে ৫০ বিলিয়ন ডলারের তেল ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে রাশিয়া। এছাড়া, গত চার মাসে রাশিয়া ইরান থেকে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণ ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পরবর্তী বছরগুলোতে দেশ দু’টির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরো বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জবাবে ইরান তাদের পুরনো অস্ত্রের ব্যবহার শুরু করেছে। দেশটি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। যা বিশ্বে তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে এই পথে তেল আমদানি করে পশ্চিমা দেশগুলো। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ