সাহায্যের অর্থে বিএমডব্লিউ কিনে বিপাকে দম্পতি!
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : জনি ববিট আর ক্যাটলিন ম্যাক্লিওর। যুবতী ক্যাটলিন নিউজার্সিতে নিজের বাড়ি ফেরার পথে ফিলাডেলফিয়ার প্রায় জনমানবহীন রাস্তায় যার গাড়ির তেল ফুরিয়ে গিয়েছিল। রাতের অন্ধকারে অসহায় ক্যাটলিনের কাছে সেই সময় দেবদূত হয়ে এসেছিলেন ভবঘুরে জনি হবিট।
নিজের শেষ সম্বল ২০ ডলার দিয়ে নারীকে এক বোতল পেট্রোল কিনে দেন তিনি, যাতে ক্যাটলিন বাড়ি ফিরতে পারেন। বাড়ি ফিরে পুরো ঘটনা স্বামী মার্ক ডিঅ্যামিকোকে জানান ক্যাটলিন।
বিপদের দিনের বন্ধু, গৃহহীন, নিঃস্ব জনির সাহায্যে এগিয়ে আসেন দম্পতি। তার নতুন বাড়ি, গাড়ি এবং চাকরির ব্যবস্থা করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গো ফান্ড মি’ সাইট খুলে অনলাইনে জনির জন্য সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। ১৪০০০ মানুষের পাঠানো সাহায্যে চার লাখ মার্কিন ডলার উঠেছিল ওই অনলাইন ফান্ডে।
বিপদ আসে তারপরই। জনির অভিযোগ ছিল, ওই অর্থ দিয়ে বিএমডব্লিউ কিনে বাকিটা পকেটস্থ করেছেন মার্ক-ক্যাটলিন। অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের পাল্টা অভিযোগ, মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে ওই অর্থের ২৫০০০ ডলার মাদকের পিছনে এবং দেনা মেটাতে খরচ করে ফেলেন জনি। বাকি অর্থ পরিবারকে পাঠিয়েছেন।
শেষ পর্যন্ত বিবাদ গড়ায় আদালতে। গত বুধবার নিউজার্সির এক আদালতে জনির আইনজীবী অভিযোগ করেন, জনি মাত্র ৭৫০০০ ডলার এবং ১৯৯৯ সালের একটি ফোর্ড রেঞ্জার গাড়ি ছাড়া কিছুই পাননি।
মার্ক-ক্যাটলিনের আইনজীবীর পাল্টা দাবি জনিকে দু’লাখ ডলার দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারক। বৃহস্পতিবারই তদন্তে নেমে পুলিশ মার্ক-ক্যাটলিনের বিরুদ্ধে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে। এরপর তাদের নিউজার্সির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাদের নতুন কেনা বিএমডব্লিউ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়।
তবে বার্লিংটন কাউন্টি প্রসিকিউটরের অফিস থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, যেহেতু এই ঘটনাটির সঙ্গে মানুষের আবেগ জড়িয়ে তাই এখনই তারা কোনও চার্জ গঠন করেনি। তবে তদন্ত চলছে। জনির অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে দোষীরা রেহাই পাবে না।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল