Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতেরও চাপ সৃষ্টি করা উচিত : জাতিসংঘ মহাসচিব

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 167 বার

প্রকাশিত: October 3, 2018 | 1:11 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতেরও চাপ সৃষ্টি করা উচিত। এক্ষেত্রে মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে ভারত। এসব কথা বলেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরাঁ। তিনি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতায় জড়িতদের বিচারও দাবি করেন। মঙ্গলবার গুতেরাঁ এ কথা বলেছেন বলে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই। 
অ্যান্তনিও গুতেরাঁ বলেন, এমন একটি জনগোষ্ঠীকে এমন বৈষম্যমুলক পরিস্থিতিতে রাখার অর্থ হলো সেখানে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো। এমন জনগোষ্ঠীকে বিপদগামী করা হতে পারে। তিনি সোমবার ভারত সফরে আসেন। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস, গ্লোবাল সলিউশনস’ শীর্ষক একটি লেকচার দেন। গুতেরাঁ বলেন, রোহিঙ্গারা যেভাবে নিষ্পেষিত, নির্যাতিত হয়েছেন বিশ্বে আমি কখনো অন্য কোনো জাতিকে এতটা নির্যাতিত হতে দেখি নি। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা কোনো স্বাস্থ্য, শিক্ষা সুবিধা পায় না। মিয়ানমারের সমাজ ব্যবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে মারাত্মক জাতিবিদ্বেষ রয়েছে। এ সময় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার থাকার সময়ের একটি ঘটনা বর্ণনা করেন গুতেরাঁ। ওই পদে থাকা অবস্থায় তিনি মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন। তখন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তাকে অনুরোধ করেছিলেন রোহিঙ্গাদেরকে অন্য দেশগুলোতে পুনর্বাসন করতে। এমন কাহিনী বর্ণনা করেন গুতেরাঁ নিজে। বর্তমানে তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে শরণার্থী বানানো আমার দায়িত্ব বা কর্তব্য নয়। আমার দায়িত্ব হলো শরণার্থীদের সমস্যার সমাধান করা। এতেই দেখতে পাই কিভাবে রোহিঙ্গাদের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করা হয় মিয়ানমারে। কত গভীরে এমন নেতিবাচক ধারণা। সামাজিক মিডিয়াগুলোতে কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষু ঘৃণাপ্রসূত বক্তব্য ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা তীব্র হয়েছে। বাংলাদেশে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আছেন। তাদেরকে পোড়ানো হয়েছে। ধর্ষণ করা হয়েছে। প্ররোচণা থাকার পরও সেনাবাহিনীর নৃশংসতা ছিল ভয়াবহ। 
রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য রাজনৈতিক পুনরেকত্রীকরণ প্রত্যাশা করেন অ্যান্তনিও গুতেরাঁ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরত যেতে পারেন। তার ভাষায়, এক্ষেত্রে ভারত কি করতে পারে? এসব মানুষকে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে সমর্থন করতে পারে ভারত। কারণ, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটি বিশাল রকম মানবিক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এসব রোহিঙ্গা যাতে দেশে ফিরে যেতে পারেন সে জন্য পুনরেকত্রীকরণ করতে, পরিবেশ সৃষ্টি করতে মিয়ানমার ও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ, বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব মানুষ ফিরে যাবে না। এসব অপরাধে যারা জড়িত তাদের বিচার হওয়া উচিত। 
তিনি আরো বলেন, বিশ্ব এখন বহুমেরুকরণ হয়ে আছে। এখানকার ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভারত। একই সঙ্গে এ দেশটি বিশ্বে চলমান যুদ্ধগুলোতে একজন সৎ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে। 
গুতেরাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় কমপ্রিহেনসিভ কনভেনশন অন ইন্টারন্যাশনাল টেরোরিজম (সিসিআইটি) বিষয়ে, যা ১৯৯৬ সালে প্রস্তাব করে ভারত। এ প্রসঙ্গে গুতেরাঁ বলেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে সন্ত্রাসের সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়ে অনৈক্য থাকার কারণে এ বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে। 
বছরের পর বছর ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর মিয়ানমারের নৃশংসতার কারণে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। সর্বশেষ গত বছর ২৫ শে আগস্ট সেনাবাহিনীর নৃশংসতার পর কমপক্ষে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। এমন হিসাব মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের সমন্বয়কারী অফিসের। ওদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও ৪০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে ভারত থেকে। 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ