Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সুবর্ণ-জয়ন্তী : যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি উৎসব ২০-২১ অক্টোবর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 56 বার

প্রকাশিত: October 12, 2018 | 12:24 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সুবর্ণ-জয়ন্তী পালন এবং যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি, দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও হেমন্ত উৎসব আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী ২০-২১ অক্টোবর দুদিন ব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে থাকবে নানা আয়োজন। জ্যাকসন হাইটসের উদীচী স্কুলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উদীচির নেতৃবৃন্দ এসব কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র সভাপতি ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জীবন বিশ্বাস। এসময় সংগঠনের অন্যান্য কর্তকর্তাদের মধ্যে সহ সভাপতি সুব্রত বিশ্বাস, শরাফ সরকার, শফি চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ সাবিনা হাই উর্বি, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহিত আচার্য ও সুদ্রিতা পাল, প্রচার সম্পাদক তুষাল রায়, সদস্য শাহানা আক্কার নুপূর, মহাদেব মল্লিক, সমির মন্ডল, নাজনীন সুলতানা, শুক্লা চক্রবর্তী, রাবেয়া আক্তার, মুক্তা ধর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএনএ’র।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়: ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ভাষা আন্দোলন বাঙালীর চেতনায় যে স্বাধীনতার বীজ বুনেছিল তারই পটভূমিতে ষাটের দশকের শেষ প্রান্তে এসে উপরোক্ত মন্ত্রের দীক্ষায় সতীর্থ বিপ্লবীদের নিয়ে সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত সহ আরো অনেক বিপ্লবী মিলে গণ-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘উদীচী’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে ক্ষমতা দখল করে প্রবল পরাক্রমে প্রতিক্রিয়াশীল সমরনায়কচক্র বাঙালীর সব অর্জনকে তখন দলিত করার ঘৃণিত অপকর্মে ব্যাপৃত। বাঙালীত্বের মন্ত্র তখন দলিত, রবীন্দ্রনাথ নিষিদ্ধ, নজরুল দ্বিখন্ডিত এবং সর্বক্ষেত্রে শোষণ তার নীল থাবায় দগদগে ঘা তৈরীতে নিরন্তর ব্যস্ত। সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত প্রমুখ তখন গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তির পরিপূরক শক্তি হিসেবে সংস্কৃতির প্রত্যক্ষ ভূমিকা একান্ত প্রয়োজন; সাধারণ জনগনের কাছে গ্রহনযোগ্য সংগঠন হিসেবে সাংস্কৃতিক সংগঠনই সর্বোত্তম পন্থা। জনগনের আশা-আকাংখাকে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডর মাধ্যমে উদ্বেলিত করার ব্রত নিয়ে ১৯৬৮ সালের ২৯ অক্টোবর উদীচীর জয়যাত্রা শুরু আজও তা বেগবান, আজও তা অম্লান। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কাছে ২০১৮ সাল তাই অর্ধশত বছরের সংগ্রামী অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ একটি অর্থবহ বছর।
গণবিরোধী দানব যুগে যুগে, দেশে দেশে প্রথমেই আঘাত হানে সংস্কৃতির ওপর; অসাম্প্রদায়িক শক্তির বিনাশে থাকে সদা সচেষ্ট। এই দানব যতটা না সন্ত্রস্ত থাকে রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকার আদায়ের সংগ্রামী কর্মকান্ডে তার চাইতে বেশী সন্ত্রস্ত থাকে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মকান্ডে; কারণ সংস্কৃতির প্রাণ প্রবাহই একটি জাতির মানসে তার স্বাধিকার বোধের উন্মেষ ঘটায়, নিজের পরিচয়কে নির্দিষ্ট করে। উদীচীও সেরকমই একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন যার রক্তাক্ত অভিজ্ঞতায় আছে প্রতিক্রিয়াশীল দানবের ১৯৯৯ এর ৬ মার্চের হত্যাকান্ড এবং ২০০৫ এর ৮ ডিসেম্বরের নেত্রকোণা হত্যাকান্ড। তবুও উদীচীর অগ্রগামী যাত্রাকে রোখা যায়নি। প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পরে আজ (২০১৮) দেশে এবং বিদেশে মোট ৩২১ টি শাখায় উদীচীর নিয়মিত কর্মকান্ড এগিয়ে চলেছে।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়: পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকেই জীবন এবং জীবিকার প্রয়োজনে বাঙালী বিদেশে পাড়ি দিতে থাকে। আজ অর্ধশতাব্দীরও ওপরে এই বহির্গমন যেমন বিদেশে বাঙালীর পরিচয়কে করেছে নির্দিষ্ট তেমনি আবার বাঙালীত্বের গৌরব হারিয়ে যাওয়ার ভীতিকেও করেছে দৃশ্যমান। বিদেশের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতির সরব উপস্থিতি এবং বিদেশে বাঙালী বংশোদ্ভুত নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার মানসে বিদেশেও উদীচীর অভিযাত্রা শুররু হয় নব্বই দশকের শেষভাগে।
১৯৯৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের সূচনা, ভান্ডারে তার ২০ বছরের সুফল। প্রাথমিকভাবে বিদেশের প্রতিকুল পরিবেশে সীমিত কর্মকান্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ২০০৩ সাল থেকে বৃহত্তর পরিসরে উদীচী নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উদীচী স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরাসরি নতুন প্রজন্মের সঙ্গে যোগসুত্র স্থাপন করে। বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের সঠিক ইতিহাস এবং হাজার বছরের বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উদীচী স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারী, পহেলা বৈশাখসহ সব ধরনের জাতীয় দিবস ও উৎসবকে যাথাযথভাবে পালন করে আসছে।
বিদেশে উদীচীর মূলমন্ত্র হচ্ছেঃ বাংলা সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা ও পরিচয় করিয়ে দেবার পাশাপাশি বিদেশে বাংলা সংস্কৃতির প্রচার, প্রসার ও সংরক্ষণ। এই মূলমন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে উদীচী যুক্তরাষ্ট্র, উদীচী স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস-এর নিয়মিত কার্যক্রমে বাংলা সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় প্রশিক্ষণের বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে এক যুগেরও বেশী সময় আগে। প্রশিক্ষণে বাংলা, সঙ্গীত, নৃত্য, তবলা, আবৃত্তি ছাড়াও উপস্থাপনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সংস্কৃতিপ্রেমী চৌদ্দজনের একটি অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা উদীচী স্কুল অব পারফর্মিং আর্টস-এর নিয়মিত কার্যক্রম চলে। এর বাইরে বিভিন্ন সময়ে রবীন্দ্রনাথের ঋতুভিত্তিক গান ও কবিতা নিয়ে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান ‘মোর বীণা ওঠে কোন সুরে বাজি’, কাজী নজরুলের গান ও কবিতা নিয়ে ‘মানুষ নজরুল’, দেশপ্রেম নিয়ে আলেখ্যানুষ্ঠান ‘মা মাটি মানুষ’, কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নিয়ে আলেখ্যানুষ্ঠান ‘ধূসর পান্ডুলিপি’ ছাড়াও সবচেয়ে প্রশংসিত পরিবেশনা রবীন্দ্রনাথের গীতিনৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা মঞ্চায়ন করে।
লিখিত বক্তব্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’র একুশে পদক প্রাপ্তির কথা উল্লেখ করে বলা হয়: বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি-স্বরূপ ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একুশে পদক প্রচলনের পর এ পর্যন্ত শুধুমাত্র ব্যক্তি বিশেষকেই এই পদক প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এই প্রথমবারের মত একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী একটি প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে সর্বপ্রথম সেই একুশে পদক পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিলম্বে হলেও ২০১৩ সালের একুশে পদক যথার্থভাবেই উদীচীকে প্রদান করে এর লক্ষ লক্ষ কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী এবং কর্মকর্তাদেরকে সম্মানিত করা হয়েছে। এই সম্মান অবশ্যই বিদেশেও উদীচী সহ সকল প্রগতিশীল সংগঠনকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। সেদিক থেকে বর্তমান সরকারের কাছে উদীচী কৃতজ্ঞ।
এতে উদীচী কানাডা ছাড়াও কয়েকটি ইউরোপীয় শাখার অংশগ্রহনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়: ২০ অক্টোবর, শনিবারের অনুষ্ঠানমালার মধ্যে থাকবে: বিভিন্ন বিষয়ে শিশু কিশোরদের প্রতিযোগিতা, শোভাযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আড্ডা, মধ্যাহ্ন ভোজ এবং স্টল পরিদর্শন, সেমিনার, কর্মশালা, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং উদীচীর উদ্বোধনী পরিবেশনা ছাড়াও ‘উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছর, সাম্প্রদায়িকতা ও সংস্কৃতির সংকট’ শীর্ষক বিষয়ক শুভেচ্ছা বক্তব্য, উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ, উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছর পূর্তিতে সম্মাননা প্রদান, উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর শিল্পীদের একক সঙ্গীতানুষ্ঠন, পুরস্কার বিতরণী, নাটিকা উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর মা-মাটি-মানুষ পরিবেশনা ও সঙ্গীতানুষ্ঠান।
২১ অক্টোবর, রোববার-এর অনুষ্ঠানমালার মধ্যে থাকবে: বিভিন্ন বিষয়ে শিশু কিশোরদের পুস্তক পাঠের প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আড্ডা এবং মধ্যাহ্ন ভোজ এবং স্টল পরিদর্শন, সেমিনার, কর্মশালা, উদীচীর উদ্বোধনী পরিবেশনা, শুভেচ্ছা, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫০ বছর (সুবর্ণজয়ন্তী) শীর্ষক প্যানেল আলোচনা, সত্যেন সেন স্মারক পুরস্কার প্রবর্তন, পুরস্কার বিতরণ, মুত্তালিব বিশ্বাসের গ্রন্থনা ও পরিচালনায় উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর পরিবেশনা ‘ঐতিহ্যবাহী বাংলা গান’এর প্রম পর্ব লোকজ সঙ্গীত। সবশেষে থাকবে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে সমাপ্তি।
সাংবাাদিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র উদীচী’র ২০ বছর পূর্তি, দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও হেমন্ত উৎসব কমিটি গঠনের কথাও জানানো হয়। প্রস্তুতি কমিটি নি¤œরূপঃ
আহ্বায়ক- বেলাল বেগ, যুগ্ম আহ্বায়ক- সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ ও ড. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সমন্বয়ক- ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও সুব্রত বিশ্বাস। সদস্য সচিব- জীবন বিশ্বাস।
প্রস্তুতি কমিটির সদস্য হিসাবে সহযোগিতা করবেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্রের উপদেষ্টা, শুভানুধ্যায়ী, সদস্যবৃন্দ, বাংলা ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকার সম্পাদকবৃন্দ, প্রকাশনা সাথে যুক্ত সাংবাদিক এবং উদীচী স্কুলের অভিভাবক-অভিভাবিকা সহ নিউইয়র্কের বাঙালী সমাজের প্রগতিশীল সম্প্রদায়। এ ছাড়া, এই সম্মেলনের এই বিশাল আয়োজন সফল করতে বিভিন্ন সাব-কমিটি গঠিত হয়েছে।
অর্থ উপ পরিষদ: আশীষ রায়, মুক্তা ধর, সাবিনা হাই উর্বি, মোহিত আচার্য্য।
সাংস্কৃতিক উপপরিষদ: মুত্তালিব বিশ্বাস, দুলাল ভৌমিক, শফি চৌধুরী হারুন, জীবন বিশ্বাস, ফজলুল করিম, তপন মোদক, দীপ্ত রায়, উদিতা তন্বী।
আপ্যায়ন ও অভ্যর্থনা উপ পরিষদ: সুব্রত বিশ্বাস, জেবু চৌধুরী, সুদৃতা পাল সুলেখা, মুক্তা ধর, সমীর মন্ডল, শুক্লা চক্রবর্তী, আলীম উদ্দিন, বেবী মন্ডল, শাহানা আক্তার নূপুর।
মঞ্চ উপ পরিষদ: তুষার রায়, জেবু চৌধুরী, সমীর মন্ডল, মহাদেব মল্লিক, হেনা আচার্য্য, শাহানা আক্তার নূপুর, বিশ্বজিৎ কর্মকার, সুকান্ত দাস হরে।
প্রচার, প্রকাশনা ও যোগাযোগ উপ পরিষদ: ফারুক ফয়সল, ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস।
প্রকাশনা উপদেষ্টা: কৌশিক আহমেদ ও হাসান ফেরদৌস।
নিরাপত্তা উপ পরিষদ: মোহাম্মদ আলম নিউমুন, অশোক রায়, আবুল কাশেম সরকার, মোহিত আচার্য্য।
সেমিনার উপ পরিষদ: ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, রাশিদা আব্দুল্লাহ, সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস, সাবিনা হাই উর্বি।
সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন উপ পরিষদ: সুব্রত বিশ্বাস, জীবন বিশ্বাস, আশীষ রায়, সাবিনা হাই উর্বি, সুদৃতা পাল সুলেখা, শুক্লা চক্রবর্তী, মুক্তা ধর, দীপ্ত রায়, উদিতা তন্বী, দিব্য রায়, সঙ্গীতা চক্রবর্তী, অমৃতা রায় মিষ্টি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ