Sunday, 6 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations
সব ক্যাটাগরি

বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান না থাকাটা অস্বস্তিকর: জাফর ইকবাল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 69 বার

প্রকাশিত: October 14, 2018 | 4:37 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল বলেছেন, বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে প্রথম দুই হাজারের মধ্যেও বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান না থাকাটা অস্বস্তিকর। তিনি বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তাদের কোয়ালিটি নীচের দিকে নামছে। এটা দুঃখজনক।

শনিবার ‘ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসগ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’ সমাপনি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাফর ইকবাল বলেন, বাংলাদেশে চার কোটি ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করছে, যা অস্ট্রেলিয়ার এমনকি ইউরোপের অনেক দেশেই দেশেই নেই। এট আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক বিষয়। ভবিষ্যতে এসব শিক্ষার্থীদের দিয়েই আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশে গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, এ ধরণের প্রতিযোগিতা অবশ্যই প্রোগ্রামিং জগতে শিক্ষার্থীদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র সদস্য ড. এম. ইউসুফ আলী মোল্লা বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু স্মার্ট ফোন কিংবা অনলাইন সামগ্রী নিয়ে থাকলে হবে না; কাগজের বইয়ের কাছেও যেতে হবে। তা না হলেও অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাবে।

অনুষ্ঠানে ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফৈয়াজ খান, এসিএম আইসিপিসি’র সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল এল হক।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট পাঁচ ঘন্টাব্যাপী প্রতিযোগিতার ফাইনাল কনটেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ, সনদ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে বিদেশ ভ্রমণের টিকিট তুলে দেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ।

সারাদেশের ৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬টি টিমের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো ‘ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসগ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট-২০১৮’। শনিবার গ্রিন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে (কাঞ্চন, রূপগঞ্জ) এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ইউজিসি’র সদস্য অধ্যাপক ড. এম. ইউসুফ আলী মোল্লা ও কথা সাহিত্যিক ড. বিশিষ্ট কথাসাহিত্যক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ, সনদ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে বিদেশ ভ্রমণের টিকিট তুলে দেন।

এ সময় গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফৈয়াজ খান, এসিএম আইসিপিসি’র সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল এল হক। অনুষ্ঠানের আয়োজক গ্রিন ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল বলেন, বিশ্বর‌্যাংকিংয়ে প্রথম দুই হাজারের মধ্যেও বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান না থাকাটা অস্বস্তিকর। তিনি বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের দিন এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তাদের কোয়ালিটি নীচের দিকে নামছে। এটা দুঃখজনক।

জাফর ইকবাল বলেন, বাংলাদেশে চার কোটি ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করছে; যা অস্ট্রেলিয়ার এমনকি ইউরোপের অনেক দেশেই দেশেই নেই। এট আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক বিষয়। ভবিষ্যতে এসব শিক্ষার্থীদের দিয়েই আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশে গড়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, এ ধরণের প্রতিযোগিতা অবশ্যই প্রোগ্রামিং জগতে শিক্ষার্থীদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র সদস্য ড. এম. ইউসুফ আলী মোল্লা বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু স্মার্ট ফোন কিংবা অনলাইন সামগ্রী নিয়ে থাকলে হবে না; কাগজের বইয়ের কাছেও যেতে হবে। তা না হলেও অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাবে।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জ্যামিতিক হারে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। সে হিসেবে এ ধরনের প্রোগ্রামিং কনটেস্ট সময়ের দাবি। তারা বলেন, প্রতিযোগিতা করলেই বুদ্ধিমত্তার দিকটি ফুটে ওঠে। তখন বোঝা যায়, প্রযুক্তিতে কে বা কারা কতটুকু এগিয়ে কিংবা পিছিয়ে।

প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. কায়কোবাদের নেতৃত্বে একটি বিচারক দল দায়িত্ব পালন করেন। এতে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, আইওআই, বুয়েট (দুটি টিম) ও নর্থ সাউথ বিশ^বিদ্যালয় যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকার করে।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট পাঁচ ঘন্টাব্যাপী প্রতিযোগিতার ফাইনাল কনটেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। আর অনুষ্ঠানের প্রথম দিন শুক্রবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এদিন মক টেস্টের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা হয়। অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিল এটিএন বাংলা, দ্যা ডেইলি স্টার ও রেডিও একাত্তর।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ