Saturday, 6 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলেন নিউইয়র্কে অবস্থানরত সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ. আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 123 বার

প্রকাশিত: October 19, 2018 | 7:16 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক :: ২১ আগস্ট ২০০৪ এর গ্রেনেড হামলার ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মঈন ইউ. আহমেদ। বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন ওয়ান ইলেভেনের কারণে আলোচিত-সমালোচিত এই সেনাপ্রধান। যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালি কমিউনিটির এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন সেসময়ের সেনাবাহিনীর সিজিএস (চিফ অব জেনারেল স্টাফ) মঈন ইউ. আহমেদ।

জেনারেল মঈন জানিয়েছেন, ২ আগস্ট ২০০৪ এ তিনি চট্টগ্রামের জিওসি থেকে সেনাসদরে সিজিএস পদে বদলি হয়ে আসেন। তিনি জানিয়েছেন, ’২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় শুধু তারেক নন বেগম জিয়াও জড়িত।’

তাঁর মতে, তৎকালীন ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। বেগম জিয়ার সম্মতি নিয়েই তারেক জিয়া রেজ্জাকুল হায়দারকে এই দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

জেনারেল মঈন জানিয়েছেন, বেগম জিয়া বলেছিলেন, যদি অপারেশন সফল হয়, তাহলে রেজ্জাকুল হায়দারকে সেনাপ্রধান করা হবে। মূলত: সেনাপ্রধান হওয়ার লোভেই জেনারেল হায়দার ঐ গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন, কিন্তু, পরবর্তীতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার সঙ্গে রেজ্জাকুল হায়দারের সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি সেনাবাহিনীতে জানাজানি হয়ে যায়। এনিয়ে পেশাদার সেনা কর্মকর্তারা ক্ষুব্ধ হন। দ্রুত জেনারেল হায়দার সেনাবাহিনীতে সমালোচিত এবং বিতর্কিত হতে থাকলেন।

জেনারেল মঈন এর ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রত্যেকেই জানতেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার সঙ্গে সেনাবাহিনীর দু-একজন ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন ভাবে জড়িত থাকার কথা। এই ঘটনার ১০ মাসের মধ্যে নতুন সেনাপ্রধান (১২তম) নিয়োগের কথা। তারেক জিয়া সেনাপ্রধান হিসেবে রেজ্জাকুল হায়দারকেই চেয়েছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার পরও জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার ছিলেন তারেক জিয়ার প্রথম পছন্দ। বেগম জিয়াও হয়তো সেটাই করতেন। কিন্তু বিদায়ী সেনাপ্রধান হাসান মসহুদ চৌধুরী ছিলেন অত্যন্ত সৎ, নিষ্ঠাবান এবং নিবেদিত প্রাণ সামরিক কর্মকর্তা সেনাবাহিনীতে তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন।

জেনারেল মঈন এর ভাষ্যমতে, তাঁর সততা ও নিষ্ঠার কারণে, বেগম জিয়াও তাঁকে সমীহ করে চলতেন। সেনাপ্রধান হিসেবে যখন নানারকম কানাঘুষা এবং জল্পনা-কল্পনা চলছে, সেসময়ই জেনারেল হাসান মসহুদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তিনি নতুন সেনাপ্রধানের ব্যাপারে সরকারের মনোভাব জানতে চান। এ সময় বেগম জিয়া সেনাপ্রধানকে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর কোনো চয়েস আছে কিনা? এসময় জেনারেল প্রথমে বলেন যে, তাঁর কোনো চয়েস নেই, তাঁর রিজার্ভেশন (আপত্তি) আছে। সেনাপ্রধান জানান, আর কাউকে সেনাপ্রধান করলে তার আপত্তি নেই, তবে রেজ্জাকুল হায়দারকে যেন না করা হয়। তাঁকে দিয়ে যা করানো হয়েছে, তাতে তাঁর ‘কোর্ট মার্শাল’ হওয়া উচিৎ। বেগম জিয়া এরপর চুপ হয়ে যান।

জেনারেল মইন বলেছেন, ‘২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় ব্যর্থতার জন্যই আমি সেনাপ্রধান হতে পেরেছি। না হলে জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দারই হতেন।

২০০৫ সালের ১৫ জুন মঈন ইউ. আহমেদ সেনাপ্রধান হিসেবে দেন। ২০০৭ সালে তার সমর্থনে ড. ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জেনারেল মঈন এর একক আগ্রহেই জেনারেল হাসান মসহুদ চৌধুরীকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। বাংলা ইনসাইডার 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV