সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদন:ধাত্রীর অভাবে প্রতিদিন তিন হাজার মা ও শিশুর মৃত্যু ঘটে
বাংলা প্রেস: ধাত্রীর অভাবে প্রতিদিন বিশ্বে এক হাজার নারী ও দুই হাজার শিশুর মৃত্যু ঘটে শুধুমাত্র প্রসবকালীন জটিলতায়। প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন প্রসূতি ধাত্রী বা কারো সাহায্য ছাড়াই সন্তান প্রসব করেন। প্রশিক্ষণ দিয়ে সাড়ে তিন লাখ ধাত্রী তৈরি করা গেলে বছরে ১০ লাখেরও বেশি শিশুকে বাঁচানো সম্ভব। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনুন্নত দেশে প্রসব জটিলতায় মা-শিশুর মৃত্যুর হার বেশি। গত শুক্রবার শিশুবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।সেভ দ্য চিলড্রেন ‘মিসিং মিডওয়াইভস’ শিরোনামের প্রতিবেদনে জানায়, প্রতিবছর বিশ্বে এক-তৃতীয়াংশ বা চার কোটি ৮০ লাখ প্রসূতি কোনো ধাত্রী বা কারো সাহায্য ছাড়াই সন্তান জন্ম দেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ প্রসূতি শিশুর জন্ম দেন পুরোপুরি নিঃসঙ্গভাবে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে জন্মের সময় অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্টে যত শিশু মারা যায়, এ সংখ্যা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার তুলনায় অনেক বেশি। ধাত্রীসংখ্যা বাড়ানোর জন্য এক কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উন্নত ও গরিব দেশগুলোর মধ্যে প্রসূতিসেবার ক্ষেত্রে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে শিশুর জন্মের সময় প্রশিক্ষণ পাওয়া ধাত্রী থাকার ঘটনা যেমন বিরল, তেমনি এ সময় শিশুমৃত্যু বা প্রসূতিমৃত্যুর ঘটনা ততটাই স্বাভাবিক। ইথিওপিয়ায় প্রশিক্ষিত ধাত্রী ছাড়া সন্তান জন্ম দেওয়ার হার যেখানে ৯৪ শতাংশ, সেখানে ব্রিটেনে এই হার মাত্র ১ শতাংশ। ব্রিটেনে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে সাত লাখ শিশু জন্ম নেয় এবং দেশটিতে কর্মরত ধাত্রীর সংখ্যা ২৭ হাজার ৮২৫। এদিকে রুয়ান্ডায় বছরে প্রায় চার লাখ শিশু জন্মায়। আর ধাত্রীর সংখ্যা মাত্র ৪৬। সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে আফগানিস্তানের নারীরা সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে আছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। সেখানে প্রতি ১১ প্রসূতির মধ্যে একজন মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছেন। আর পাঁচ বছর বয়স হওয়ার আগেই মারা যায় প্রতি পাঁচ শিশুর একজন। সারা বিশ্বে এ সংখ্যা ৮০ লাখ। তাদের ১০ জনের একজন মারা যায় জন্মের দিনই। নোংরা ব্লেড দিয়ে শিশুর নাড়ি কাটা, ক্ষত শুকানোর জন্য প্রথাগত ভেষজ উপাদানের ব্যবহারের কারণেও গরিব দেশগুলোতে শিশুমৃত্যুর হার এত বেশি।সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রধান নির্বাহী জাস্টিন ফরসিথ বলেন, ‘প্রসবকালীন জটিলতায় শিশু ও মায়ের মৃত্যুর বিষয়ে আমরা পেছন ফিরে থাকতে পারি না। প্রসবের সময় কোনো মায়েরই একা থাকা উচিত নয়। এটা খুব জটিল কোনো বিষয় নয়। শিশুকে কিভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হয় এবং পিঠে চাপড় দিয়ে তার শ্বাস চালু করতে হয় এসব বিষয়ে জানা কোনো ব্যক্তি উপস্থিত থাকলে শিশুর জীবন বাঁচানো সম্ভব হতে পারে। কোনো শিশুই মরার জন্য জন্মায় না।’ বিশ্বের ধনী ও গরিব সব দেশের সরকারকে ধাত্রী নিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes