Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে লাখো মানুষের যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ- ‘ইসলামোফোবিয়া ইজ নট স্পিরিট অব আমেরিকা’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 81 বার

প্রকাশিত: April 12, 2011 | 11:10 PM

নিউজ ওয়ার্ল্ড: যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ এবং ক্রমবর্ধমান মুসলিম-বিদ্বেষের প্রতিবাদে শনিবার নিউ ইয়র্কে আয়োজিত বিক্ষোভের একাংশঃ নয়া দিগন্ত লাখো মানুষের পদভারে প্রকম্পিত হয়েছে নিউইয়র্ক সিটি। হাজারো নারী-পুরুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে ‘নো জাস্টিস, নো পিস’ ্ল্লোগান। আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয়েছে একই স্লোগান ‘ইসলামোফোবিয়া ইজ নট স্পিরিট অব আমেরিকা’। গত শনিবারের এই বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল ইউনাইটেড ন্যাশনাল এন্টি ওয়ার কমিটি নামের একটি সংগঠন। এর সাথে সংহতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম সম্প্রদায়ের নাগরিক অধিকার সংগঠন মুসলিম পিস কোয়ালিশন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ ও ক্রমবর্ধমান মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাবের প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়েছিল বিক্ষোভের।

নিউইয়র্ক সিটির প্রাণ কেন্দ্র ইউনিয়ন স্কোয়ার থেকে শুরু হয় এই বিক্ষোভ। এর আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এন্টি ওয়ার কোয়ালিশনের কোচেয়ার ম্যারিলিন লেভিন, মুসলিম পিস কোয়ালিশনের প্রধান আব্দুল মালিক মোজাহিদ, খ্রিষ্টান ধর্মযাজক রেভারেন্ড স্টিফেন এইচ পেলপস, ইকনার সভাপতি ইমাম আশরাফুজ্জামান খান, শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা গ্রেগ গ্রেশাম, ইসলামিক লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান ইমাম আল আমীন আব্দুল লতিফ, সারা ফ্লাউন্ডার, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান চার্লস ব্যারন, মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকার সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান আহমেদ প্রমুখবিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা বলেন, ইসলামি বিদ্বেষ যুক্তরাষ্ট্রে দিন দিন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এটিকে চাঙ্গা করতে উসকানি দেয়ার জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সদস্য পিটার কিংকে দায়ী করেন।বক্তারা বলেন, যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান হয়। এর প্রমাণ ইরাক আফগানিস্তান। এই সমস্যা শেষ না হতেই লিবিয়া আক্রমণের জন্য তারা প্রেসিডেন্ট ওবামার কঠোর সমালোচনা করেন।বক্তারা বলেন, ওবামা বলেছিলেন রাজনীতিতে তিনি পরিবর্তন আনবেন। তিনি অবশ্য লিবিয়া আক্রমণের মাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কোনো পরিবর্তনের উদ্যোগ নেননিবিক্ষোভে হাজারো মানুষের মুহুর্মুহু স্লোগানের মধ্যে প্যালেস্টাইনে ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা নতুনভাবে অবৈধ বসতি স্থাপন অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানানো হয়।বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যখন বাজেট সঙ্কটের কারণে সরকার বন্ধ হওয়ার উপক্রম তখন লিবিয়া আক্রমণের মাধ্যমে অহেতুক প্রতিদিন কোটি কোটি ডলার গচ্চা দেয়া হচ্ছে। এটি বন্ধ না হলে ওবামার পরিণতি বুশের মতোই হবে বলে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেনসিটি হলের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ হয়

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV