নিউইয়র্কে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত
নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে গত ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে জ্যাকসন হাইটস্থ খান টিউটরিয়াল হল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী। প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে ৪ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অবঃ) সি. আর. দত্ত, বীর উত্তম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাব্বির আহমদ চৌধুরী। মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক বীর বিক্রম, যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা হানিফ পাটোয়ারী ও সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন আহমদ। সভার শুরুতে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে মুক্তিযুদ্ধে সহ ১৫ই আগষ্ট ও পরবর্তী গনতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সভায় স্বাগত ভাষণ প্রদান করে আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মীর আব্দুল কাদির ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশিত পথেই মুজিবনগর সরকার শপথ নিয়েছিল। সভায় বক্তাগণ মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে, তার সেক্টরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের বিবরণ দেন এবং যুদ্ধে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুরদর্শিতা ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর কথা উল্লেখ করে বলেন -তখন যথা সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনের ফলেই দেশ মাত্র ৯ মাসে শত্রুমুক্ত হয়ে ছিলো।বিশেষ অতিথি কনসাল জেনারেল সাব্বির আহমদ তার বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ করে বলেন, উনাদের জন্যই আজ আমরা বিদেশে বড় দায়িত্ব নিয়ে স্বাধীন দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য দেশবাসীর কাছে অনুরোধ জানান। আর তাতে তাদের প্রতি আমাদের ঋণ কিছুটা লাঘব হবে।সভার সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী তার ভাষণে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্ধ্যনাথতলার আরকাননে মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের ফলেই বর্হিবিশ্বে আমাদের প্রবাসী সরকার গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিলো। তিনি বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তৎকালীন নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি সকল প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরকে এক পতাকাতলে সমবেত হয়ে নিজেদের সম্মান পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সেদিন আমাদের মূল শ্লোগান ছিল জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আজ অনেকেই তা ভূলে গেছেন।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা কামরুল হোসেন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হোসেন মৃধা ও মুক্তিযোদ্ধা মুক্তা বেগম।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes