Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

ফখরুদ্দীন-মইনকে সংসদীয় কমিটির কাছে স্বশরীরে হাজির হওয়ার অনুরোধ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 135 বার

প্রকাশিত: April 26, 2011 | 10:40 PM

কাজী সোহাগ: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ ও সেনা প্রধান জেনারেল মইন উ আহমদেকে আগামী ৫ই জুন সংসদীয় কমিটির কাছে সশরীরে হাজির হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ নিয়ে গতকাল বিকালে তাদের নামে দু’টি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র, শিক্ষক ও সেনাসদস্যের মধ্যে সৃষ্ট সহিংসতার ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এর আগে তদের পাঠানো চিঠির বক্তব্য দায়সারা গোছের বলে মন্তব্য করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও উপ-কমিটির আহ্বায়ক রাশেদ খান মেননের একান্ত সচিব নাইমুল আজম খান গতকাল এ তথ্য জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ঘটনা অধিকতর তদন্তের জন্য গত বছরের ১৯শে আগস্ট রাশেদ খান মেননকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উপ-কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর সদস্যরা হচ্ছেন- শাহ আলম, মির্জা আজম ও বীরেন শিকদার। এর আগে গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি কমিটির চতুর্থ  বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক সেনাপ্রধানকে ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে ওই ঘটনার সাক্ষ্য চেয়ে তাদের হাতে সংসদীয় কমিটির চিঠি পৌঁছানো হয়। তবে কমিটির বৈঠকে তারা হাজির না হয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠান। গত ১৩ই এপ্রিল মইন ও ১৬ই এপ্রিল ফখরুদ্দীনের চিঠি পায় কমিটি। তাদের বক্তব্যে কমিটি সন্তুষ্ট না হওয়ায় গত ১৮ই এপ্রিল তাদের আবারও তলবের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের মাধ্যমে ড. ফখরুদ্দীন আহমদ ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপ্যাল স্টাফ অফিসারের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধানকে চিটি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তাদের ঠিকানা ও ই-মেইলেও চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে আপনারা যে বক্তব্য দিয়েছেন কমিটি তা দায়সারা বলে মনে করছে। এছাড়া ওই সময়ে গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দেখার অনুরোধ কমিটি যথাযথ মনে করছে না। আপনাদের চিঠিতে ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের বিষয়টি আসেনি। তাই কমিটির কাছে আপনাদের সশরীরে হাজির হয়ে ওই ঘটনার সাক্ষ্য দেয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এর আগে উপ-কমিটির কাছে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক চিফ অব জেনারেল স্টাফ সিনা ইবনে জামালী ও তৎকালীন ডিজিএফআই কর্নেল শামস বা বর্তমান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম খানের দেয়া সাক্ষ্যের ভিত্তিতে তাদের তলবের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এদিকে ৫ই জুনের বৈঠকে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে সংসদ অবমাননার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্য মাগুরা থেকে নির্বাচিত এমপি বীরেন শিকদার। এর আগে কমিটির তদন্তের প্রথম পর্যায়ে গত বছরের ২৭শে অক্টোবর এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাক্ষ্য নেয়া হয়। তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা বৈঠকে সাক্ষ্য দিতে আসেন সে সময়ে ছাত্রদের সঙ্গে আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (বর্তমানে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক), অধ্যাপক মলয় ভৌমিক (বর্তমানে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান)। এছাড়া ঘটনার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এসএমএ ফায়েজ, সাবেক প্রক্টর আ কা ফিরোজ এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক এম. শামসুল আলম।  বৈঠকে শিক্ষকরা ওই ঘটনায়  সেনাবাহিনীর সদস্যদের দায়ী করেন। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তারা বলেন, খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনায় দেশব্যাপী এত তোলপাড় হতে পারে না। এতটা উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে না। ছাত্রদের বিরুদ্ধে সেদিন সেনাবাহিনী তাণ্ডব ঘটিয়েছিল। ছাত্রদের উত্তেজিত করা হয়েছিল। এর পেছনে উস্কানিদাতা ছিলেন ক’জন সামরিক কর্মকর্তা। দ্বিতীয় পর্যায়ে সাক্ষ্য নেয়া হয় সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা আইয়ুব কাদেরী, সাবেক শিক্ষা সচিব মমতাজুল ইসলাম, সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব ও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবদুল করিম, সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ২০শে আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্র ও সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ওই সহিংসতা ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ২২শে আগস্ট সন্ধ্যায় ছয় বিভাগীয় শহরে কারফিউ জারি করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৫৩টি মামলা করে। ওই ঘটনায় উস্কানি  দেয়ার অভিযোগে ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গ্রেপ্তার করা হয়। নির্বিচারে আটক করে নির্যাতন করা হয় ছাত্রদের।মানবজমিন
 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ