পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসনে বিভক্তি
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেন হত্যার দুই সপ্তাহ পরও পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক সম্পর্কে টানাপড়েন কাটেনি। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে ভেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। কেউ কেউ সম্পর্ক ছিন্ন করার পক্ষে মত দিয়েছেন। আবার অনেকে বিষয়টি বিবেচনার পক্ষে মত দিয়েছেন। খবর এএফপি ও ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনের।
রোববার ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউসের বেশ কয়েক কর্মকর্তা পাকিস্তানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন। তারা পাকিস্তানের কোনো যুক্তি শুনতে নারাজ।বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় ওই কর্মকর্তারা বলেন, এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। তারা বলেন, বিষয়টি পাকিস্তানকে স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেওয়া উচিত। তারা আরও বলেন, যারা পাকিস্তানের গল্প শুনতে চেয়েছিলেন, তারা এখন আর সে গল্প শুনতে আগ্রহী নন। কিন্তু নগণ্যসংখ্যক কর্মকর্তা পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলছেন, এ বিষয়ে পাকিস্তানের বক্তব্য শোনা উচিত। দেশটি ভুল করেছে কি-না তা যাচাই করে দেখা যেতে পারে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সাহায্য ছাড়া জয়ী হওয়া মোটেই সম্ভব নয়। এ কারণেও দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা জরুরি।
২ মে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ি শহর এবোটাবাদে মার্কিন কমান্ডো বাহিনী নেভি সিল সদস্যদের অভিযানে নিহত হন আল কায়দার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন।
মার্কিন কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সুরক্ষিত সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আবাসিক এলাকা এবং মিলিটারি একাডেমীর পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিন লাদেন বসবাস করে আসছিলেন। পাকিস্তানের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতেন না, এটা হাস্যকর। বর্তমান এবং সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আশ্রয়েই তিনি ছিলেন বলে তারা অভিযোগ করেন। বেশ কয়েক জ্যেষ্ঠ সিনেটর পাকিস্তানকে দেওয়া মার্কিন সাহায্যও বন্ধ করার আহ্বান জানান।
আফগানিস্তানে জন কেরি
শনিবার রাতে মার্কিন সিনেটর জন কেরি কাবুলে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার প্রেসিডেন্ট দফতরের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। মার্কিন অভিযানে ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর পাকিস্তানে যাওয়ার প্রাক্কালে কেরি আফগানিস্তান সফর করেন। ওসামা নিহত হওয়ার পর আফগানিস্তান ও এ অঞ্চলের পরিস্থিতি এবং এর উন্নয়ন নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেন।সমকাল
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের