Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

আগামী মাসে লিবিয়া ফেরত বাংলাদেশীরা পাবেন ৫৮০০০ করে টাকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 111 বার

প্রকাশিত: June 7, 2011 | 11:22 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: লিবিয়া ফেরত ৩৪ হাজার বাংলাদেশীকে মাথাপিছু ৭৭৫ ডলার বা ৫৮ হাজার টাকা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেয়া শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক থেকে এ অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন লিবিয়া ফেরত শ্রমিকরা। সবকিছুর কাজ করার জন্য একক উৎসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনকে (আইওএম) নিয়োগ করা হচ্ছে। আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে বিষয়টি অনুমোদনের জন্য উঠছে। অনুমোদন মিললেই আইওএমের সঙ্গে চুক্তি করবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ওদিকে ১০ হাজার বাংলাদেশী কর্মীর বিমান খরচ বাবদ অভিবাসী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনকে (আইওএম) এক কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা ৯১ কোটি ৭৬ লাখ ১০ হাজার টাকা দেয়া হচ্ছে। এ দুই খরচ মেটাতে বিশ্বব্যাংক ৪০ মিলিয়ন ডলার বা চার কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে। গত ২৬শে এপ্রিল বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এ ঋণ সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন পেয়েছে। তাই ঋণ বাবদ পাওয়া ২৯৩ কোটি টাকা দিয়েই ফেরত বাংলাদেশী কর্মী ও আইওএমের চাহিদা মেটাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন  করতে জরুরি প্রত্যাগত এবং জীবনমান পুনঃস্থাপনকারী অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য নেয়া কর্মসূচির আওতায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা আইওএমকে  একক উৎস হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।  প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে লিবিয়ায় সংঘাতপূর্ণ ও যুদ্ধাবস্থা থাকায় লিবিয়ায় অবস্থান করা প্রায় ৬০ হাজার বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মীর জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। ওই সময় হাজার হাজার বাংলাদেশী কর্মী অন্যান্য দেশের নাগরিকদের সঙ্গে লিবিয়া ত্যাগ করে সীমান্তবর্তী দেশগুলোর উদ্বাস্তু শিবিরে আশ্রয় নেয়। লিবিয়ায় আটকেপড়া বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশীদের উদ্ধার, নিরাপদ শিবিরে রাখা ও দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা তথা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনসহ (আইওএম) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্য সংস্থার সহায়তা কামনা করে। এর ভিত্তিতে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে আইওএম চার্টার্ড ফ্লাইটযোগে বাংলাদেশী কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু করে। এ পর্যন্ত আইওএম ২৯ হাজার ৮৫৯ জন বাংলাদেশী কর্মীকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। ওইসব কর্মীর মধ্যে ১০ হাজার কর্মীর প্রত্যাবাসন খরচ পরিশোধের জন্য আইওএম গত ১১ই এপ্রিল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মীকে লিবিয়া থেকে ফেরত আনা হয়েছে। এর মধ্যে আইওএম ছাড়াও বাংলাদেশ বিমান ও নিয়োগকারী সংস্থার খরচে অনেকে ফেরত এসেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়া সঙ্কটের কারণে বিপদে পড়া বাংলাদেশী কর্মীদের উদ্ধার করে দেশে নিয়ে আসা এবং ফেরত আসা কর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে অনুরোধ করা হয়। তাদের এ প্রচেষ্টার ফলে বিশ্বব্যাংক প্রাথমিকভাবে ৩০ মিলিয়ন বা তিন কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিতে আগ্রহ দেখায়। এরপর গত ১২ই এপ্রিল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সম্মিলিতভাবে একটি সভা করে। ওই সভায় মন্ত্রী লিবিয়া ফেরত শ্রমিকদের মাথাপিছু এককালীন নগদ অর্থ সহায়তা ৩০০ ডলার অপ্রতুল বিবেচনা করে তা বাড়ানোর জন্য বিশ্বব্যাংকে অনুরোধ করেন। ফলে বিশ্বব্যাংক ঋণ সহায়তা তিন কোটি ডলার থেকে চার কোটি ডলারে বাড়াতে সম্মত হয়। এ বাড়ানোর ফলে ৩৪ হাজার অভিবাসী কর্মীর জন্য মাথাপিছু এককালীন নগদ অর্থ সহায়তার পরিমাণ তিনশ’ ডলার থেকে ৭৭৫ ডলারে বাড়ানো সম্ভব হয়। এছাড়া ওই সভায় আইওএমকে ১০ হাজার কর্মীর প্রত্যাবাসন ব্যয় পরিশোধ করা এবং মাথাপিছু ৭৭৫ ডলার করে নগদ অর্থ সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কর্মীদের অর্থ আইওএমেএর মাধ্যমে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মাধ্যমে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ই এপ্রিল অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেও আইওএম এবং মাথাপিছু অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV