সারাবিশ্বে খাদ্য উত্পাদন ও যোগান কমে যাচ্ছে:ফসল ফলানোর প্রচারে নেমেছে অক্সফ্যাম
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: সারাবিশ্বে খাদ্য উত্পাদন ও যোগান কমে যাচ্ছে। খাদ্যপণ্যের দাম ক্রমশ আকাশ স্পর্শ করতে চলেছে। এই পরিস্থিতি পাল্টাতে অক্সফাম শুরু করেছে বিশেষ একটি প্রচারাভিযান ‘গ্রো ক্যাম্পেইন’ অর্থাত্ ফসল ফলাতে হবে।সারাবিশ্বে খাদ্য ঘাটতি এবং অনাহারে থাকা মানুষের কথা বলতে গিয়ে অক্সফাম প্রকাশ করেছে ভয়ঙ্কর কিছু তথ্য। খাদ্য সরবরাহ কমে যাচ্ছে পৃথিবীতে। কিন্তু কমে যাচ্ছে না মানুষের সংখ্যা। ক্ষুধা বাড়ছে মানুষের। অক্সফাম একে বলছে, ‘ব্রোকেন ফুড সিস্টেম’ বা ভেঙ্গে পড়া খাদ্যের যোগান ব্যবস্থা। এই যোগান ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার ফলে বিশ্বে প্রায় একশ’ কোটি মানুষ অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। অক্সফামের ‘গ্রো ক্যাম্পেইন’ শুরু হয়েছে ১ জুন। ফসল ফলানোর ওপর জোর দেয়া হচ্ছে এই প্রচারাভিযানের মধ্যদিয়ে। এর পাশাপাশি বিশ্বের নেতা-নেত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে কৃষকদের ভর্তুকি প্রদানের বিষয়ে। এছাড়া কৃষিকাজে পরিবর্তন আনা যে প্রয়োজন তা জানানো হচ্ছে এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে। এই পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব তা বেশ জোর দিয়ে বলছে অক্সফাম।
উন্নত দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান কীভাবে উন্নয়শীল দেশগুলোকে প্রভাবিত করে সেদিকে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে। অক্সফাম যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতে জানানো হয়েছে যে, সারাবিশ্বে প্রায় নয়শ’কোটি মানুষ প্রতিদিন অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটায়। অর্থাত্ প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন না খেয়ে থাকে।
২০০৭ সাল থেকে বিশ্বে খাদ্যের দাম পড়ছে। ভুট্টা এবং চালের দাম আরো বাড়বে। এই মুহূর্তে যে দাম রয়েছে, আগামী ২০ বছরের মধ্যে তা বেড়ে দ্বিগুণ হবে। এর ফলে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, খাদ্য উত্পাদনে বিঘ্ন ঘটিয়েছে বন্যা, খরা এবং দাবানলের মত প্রাকৃতিক বিপর্যয়গুলো। এর সঙ্গে রয়েছে আবহাওয়া এবং পরিবেশের বিশাল পরিবর্তন। দারিদ্র্য বিমোচন, আইনি সহায়তা প্রদান, উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও জরুরি সাড়ার মত বিষয়ে বিশ্বের ৯৮টি দেশে কর্মরত ১৫টি সংস্থার আন্তর্জাতিক কনফেডারেশন অক্সফাম। মূলত ১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। খ্রিষ্টধর্ম সম্প্রদায় বিশেষের সভ্য, সমাজকর্মী ও অক্সফোর্ড শিক্ষাবিদদের একটি গ্রুপ অক্সফোর্ড কমিটি ফর ফ্যামিন রিলিফ যা অক্সফাম নামে খ্যাত সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত। এটি এখনো যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে অবস্থিত এবং এর নাম অক্সফাম গ্রেট ব্রিটেন। এটি ছিল ন্যাশনাল ফ্যামিন রিলিফ কমিটির জাতীয় দুর্ভিক্ষ ত্রাণ কমিটি সমর্থনে গঠিত বহু সংখ্যক স্থানীয় কমিটির একটি অক্ষশক্তির দখলকৃত গ্রিসের ক্ষুধার্ত ও নিপীড়িত মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান ব্রিটিশ সরকারকে উত্সাহিত করানোই ছিল তাদের প্রধান মিশন। এরপর ১৯৬৩ সালে প্রথমবারের মত ব্রিটেনের বাইরে কানাডায় অক্সফাম প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৫ সালে টেলিগ্রাফ ঠিকানায় নামের পরিবর্তন এনে করা হয় অক্সফাম।ইত্তেফাক
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature