Sunday, 7 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে তিন দিনব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 61 বার

প্রকাশিত: June 25, 2011 | 1:41 AM

নিউইয়র্ক: কবিতা-গানে-আবৃত্তি-সাহিত্য-নাটক-নৃত্যের সুধারসে নিউইয়র্কের গার্ডেন স্কুল মিলনায়তন ও মাঠে ৩দিনব্যাপী বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৭ জুন সন্ধ্যা ৭টায় বাঙালনামা খ্যাত লেখক তপন রায় চৌধুরীর ফিতা কেটে উদ্বোধনের মাধ্যমে বইমেলার ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান শুরু হয়। তপন রায় চৌধুরী, ড. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, মাহবুব তালুকদার, পূরবী বসু, ড. সব্যসাচী ঘোষ দস্তিদার, হাসান ফেরদৌস, রণজিৎ দত্ত, মঞ্জুর আহমেদসহ ২০ জন বরণ্য লেখক মঙ্গলপ্রদীপ জ্বালিয়ে বইমেলার ২০ বছরকে স্মরণীয় করে তোলে। প্রচন্ড বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে শত শত মানুষ বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমবেতন হন। ২০ বছর পূর্তির বর্ণাঢ্য বইমেলা অনুষ্ঠানে আপ্লুত আমেরিকার বাঙালী সমাজ সমবেত কন্ঠে ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’ সংগীত পরিবেশন করে মিলনায়তনে প্রবেশ করেন।

 

এরপর ছিল উদ্বোধনী সংগীত। পরিবেশনায়: সংগীত পরিষদ সন্ধ্যা: ৭টা ৫০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় সংগীত জগৎ এর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংগীতে: নাজমা আনোয়ার, নৃত্য পরিচালনায়: দেবশ্রী সাহা। অংশগ্রহণে: রাইসা, রামিশা, রূপকথা, জোহা, দয়া। এর পর রাত সাড়ে ৮টায় পরিবেশিত হয়: ‘দুই কন্যা’: নতুন প্রজন্মের সংগীত শিল্পী বাসমা ও দ্বিতীয়ার পরিবেশনায় ‘বাংলাদেশ’। ৮টা ৪০ মিনিট: শ্রী চিন্ময় কয়্যার এর সংগীত পরিবেশন। অনুষ্ঠানটি দর্শকদের আননন্দ দেয়। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্য রাখেন সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, মাহবুব তালুকদার ও ড. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত। রাত: ৯টা ৩০ মিনিট একক সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নেন: অতুল প্রসাদ: শান্তা ভৌমিক। স্বর্ণযুগের গান পরিবেশন করে মনিকা রশীদ দর্শক-শ্রোতার দৃষ্টি আখর্ষণ করেন। এদিন উপস্থাপনায় ছিলেন: সেমন্তী ওয়াহেদ। বইমেলার দ্বিতীয় দিন ১৮ জুন, শনিবার ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালা। দুপুর ২টায় বড় পর্দায় রবীন্দ্রনাথের তথ্যচিত্র প্রদর্শন। রবীন্দ্রনাথ: পরিচালনায়: সত্যজিৎ রায়। উপস্থিত দর্শকবৃন্দ প্রাণভরে উপভোগ করেন তথ্যচিত্রটি।বিকেল ৩টা: শিশু কিশোরদের আবৃত্তি, চিত্রাংকন ও বাংলা লিখন প্রতিযোগিতা: পরিচালনায়: নাজনীন মামুন। সহযোগিতায়: আলপনা গুহ, বাবলী হক, জেবু চৌধুরী ও রুবি হক। বাংলা প্রতিযোগিতায় (৬-৯ বছর) প্রথম স্থান পেয়েছে ব্রঙ্কস বাংলা স্কুলের তানভীর উল ইসলাম। একই স্কুলের সাইফ উল্লাহ ২য় স্থান পায়। উদীচীর সঙ্গীতা চক্রবর্তী পেয়েছে তৃতীয় স্থান। বাংলা প্রতিযোগিতায় (১০-১২ বছর) প্রথম স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটির ছাত্র নুসরাত নাবিলা। উদীচীর নাভিদ মামুন দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ সোসাইটির ফয়সল মৃধা তৃতীয় স্থান পেয়েছে। বাংলা প্রতিযোগিতায় (১৩-১৮ বছর) প্রথম হয়েছে সামা ওয়া সেলিম। দ্বিতীয় শাহনাজ বেগম। মুশফিকা হক সুপ্তী হয়েছেন তৃতীয়। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় (৬-৯ বছর) প্রথম স্থান পেয়েছে নাবিল সিকদার। দ্বিতীয় হয়েছে অনিকিতা দেব। যুগ্নভাবে তৃতীয় হয়েছে অন্বেষা রায় এবং শায়ন আশরাফ। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় (১০-১২ বছর) প্রথম স্থান পেয়েছে উদীচী আকিফ রহমান। সাবিহা তারিণ হয়েছে দ্বিতীয়। উদীচীর নাজিফা তাবাস্সুম হয়েছে তৃতীয়। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় (১৩-১৮ বছর) প্রথম স্থান পেয়েছে সুবাস সেলিম। দ্বিতীয় হয়েছে যুগ্নভাবে ফাইকা কবির ও সাবা ওয়া সেলিম। তৃতীয় হয়েছে মুশফিকা হক সুপ্তী। আবৃত্তি অনুষ্ঠানে (৬-৯ বছর) প্রথম স্থান পেয়েছে বিপার ছাত্রী রাইসা জেরিন। দ্বিতীয় হয়েছে বাংলা স্কুল ব্রঙ্কসের জেসিকা। তৃতীয় হয়েছে কিম্বারলি দত্ত। আবৃত্তি অনুষ্ঠানে (১০-১২ বছর) প্রথম হয়েছে ফারিজ কবির। বাংলা স্কুলের ব্রঙ্কস-এর সুদীপ্ত চক্রবর্তী দ্বিতীয় হয়েছে। তৃতয়ি হয়েছে উদীচীর নাভিদ মামুন। আবৃত্তি অনুষ্ঠানে (১৩-১৮বছর) প্রথম হয়েছে ফাইকা কবির গল্প, দ্বিতীয় হয়েছে সামা ওয়া সেলিম। তৃতীয় হয়েছেন সারা বাসিত।

 

আবৃত্তি অনুষ্ঠানে  বিকেল ৪টা অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্র কবিতার আবৃত্তি সঞ্চালক ছিলেন  জি এইচ আরজু।  অংশগ্রহণে ছিলেন: মুজিব বিন হক, ইভান চৌধুরী, মুমু আনসারী, ফারুক ফয়সল, রওশন আরা লিপি, মিজানুর রহমান বিপ্লব। বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট: আমন্ত্রিত শিল্পীদের আবৃত্তি: সেলিম আফসারী, লুৎফুনন্নাহার লতা, ধ্রুব দত্ত, ক্রিস্টিনা রোজারিও, রওনক আফরোজ, আব আলমগীর। সঞ্চালনা  করেন আয়েশা দেওয়ান লিপি।বিকেল সাড়ে ৫টায় ছিল: রবীন্দ্র সাহিত্যে নারী। সঞ্চালনা করেন  হুসনে আরা বেগম। অংশ্রগহণে ছিলেন শফি চৌধুরী  হারুন, কাবেরী  দাস, জি এইচ আরজু, ইভান চৌধুরী মুমু আনসারী।সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট ছিলমানুষের জন্য রবীন্দ্রনাথ বিসর্জন, রক্তকরবী, ডাকঘর। সঞ্চালনা করেন মুজিব বিন হক।  আলাপচারিতায় ছিলেন: মমতাজউদদীন আহমেদ, জামালউদ্দীন হোসেন রওশন আরা। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট: রবীন্দ্র গীতিনাট্য: ‘কালমৃগয়া পরিচালনায়; ঋতুজা মিত্র। অভিনয়ে: দীপ্তি, তৃণা, অভিষেক, অর্পিতা (), দীপা, অর্পিতা (), অপরাজিতা, বিদিশা।সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা ছিল রবীন্দ্র গীতি আলেখ্যবাজাও তুমি কবি গ্রন্থনা: সউদ চৌধুরী। সংগীত পরিচালনায়: অর্ঘ্য সারথী। পরিবেশনায়: প্রকৃতি, নিউইয়র্ক।  অংশগ্রহণে: অর্ঘ্য সারথী, ডা. মুশতাক আহমেদ কচি, সুপ্রিয়া চৌধুরী, আশীষ চৌধুরী, তন্বী চক্রবর্তী, সৌগন্ধ্যা মুখার্জী, অমিত দে, জলি কর, মানসী  হাজরা, মেহের কবির, শ্যামলী আহমেদ, সাব্বির আহমেদ দিলন। তবলায়: পিনাকী গোস্বামী।

রাত ৮টায় ছিল নৃত্যালেখ্য রঞ্জনী, নিউইয়র্ক। গানে: শুভ্রা গোস্বামী নৃত্যে শ্বেতা গোস্বামী।রাত: ৮টা ১৫ মিনিট ছিল  আমার রবীন্দ্রনাথবিষয়ক আলোচনা। অংশগ্রহণে: তপন রায় চৌধুরী,  সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, . আলী আনোয়ার, . জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত।   সঞ্চালনায় ছিলেন  নিনি ওয়াহেদ।রাত ৯টা অনুষ্ঠিত হয় গীতি আলেখ্য। পরিবেশনায় সংগীত পরিষদ।রাত: সাড়ে ৯টায় রবীন্দ্রনাথের দুই নায়িকা  চিত্রাঙ্গদাচন্ডালীকারূপায়নে ছিলেন সেমন্তী ওয়াহেদ। রাত ৯টা ৪৫ মিনিট ছিল  আমন্ত্রিত শিল্পীদের সংগীতানুষ্ঠান। অংশ্রগহণে: তন্দ্রা দাস, পন্ডিত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায় বিষুপুর ঘরানার রবীন্দ্রনাথের ভাঙা গান সকলকে মুগ্ধ করে।ঘোষণা: আয়েশা দেওয়ান লিপি, আলফা রহমান, ডানা ইসলাম, পার্বতী  রায়, আশরাফুল হাবিব  মিহির, উর্বি হাই।

১৯ জুন, রোববার, বইমেলার তৃতীয় দিন। দুপুর ১২টা: লেখকশিল্পীদের সাথে আড্ডা: পরিচালনায়: ফারুক আজম। লেখক তপন রায় চৌধুরীকে ঘিরে এই আড্ডাটি জমে ওঠে প্রায় ঘন্টা পর্যন্ত। এই আড্ডায় লেখক তপন রায় চৌধুরীর জীবনের অনেক কথকথা ওঠে আসে।বিকেল: ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালের  নতুন বই শীর্ষক অনুষ্ঠান। সঞ্চালনা  করেন ফিলাডেলফিয়া প্রবাসী লেখক বদরুজ্জামান আলমগীর।বিকেল: ৪টা ৫০ মিনিট ছিল স্বরচিত কবিতা পাঠকবিতায় কিছুক্ষণ  শীর্ষক অনুষ্ঠান। সঞ্চালনা করেন  মুমু আনসারী। অংশগ্রহণ করেন: শামস আল মমীন, ফকির ইলিয়াস, তমীজউদ্দীন লোদী, আবু রায়হান, সাকিনা ডেনী, শহীদুর সরকার, লিটা শাহরীন, কাওসারী মালেক রোজী, লুবনা কায়জার, সুরীত বড়ুয়া, জুলি রহমান, নাসরিন চৌধুরী, যোহরা হাসীন, মুনীয়া মাহমুদ, আহমেদ জামিল, রানু ফেরদৌস, ফেরদৌস খান, ফারজানা আহমেদ, আমিনুর রশীদ পিন্টু, নূরজাহান কাদের, মঞ্জুর কাদের, লুৎফুনন্নাহার লতা, শামসাদ হুসাম, নিশী, মমতাজ বেগম আলো, খিজির হায়াৎ, শাহ আলম দুলাল, স্বপন বসু, আব্দুল্লাহ ফিরোজ, প্রতীপ দাশগুপ্ত, মুরাদ আকাশ, নিখিল কুমার রায়, রেজাউল করিম, গিয়াস চৌধুরী, রাহুল রায়, বদরুজ্জামান আলমগীর স্বপ্না রায়। 

বিকেল: ৫টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়  রবীন্দ্রনাথের গীতিআলেখ্য জীবন ছবি। অংশগ্রহণে ছিলেন ইরা পাল, বনানী  দত্ত, তপন দাস, সমীর চ্যাটার্জী, পারমিতা সাহা, ভাস্কর দাস, পূজা নাগ। গ্রন্থনা: শক্তি চট্টোপাধ্যায়। 

সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট। পুরস্কার বিতরণী। এই অনুষ্ঠানে বিজয়ী জন আবৃত্তি করেন। এছাড়া মূল মঞ্চে সকল বিজয়ীদের প্রধান অতিথির হাত দিয়ে পুরস্কার প্রদাণ করেন।

সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট: বইমেলার ২০ বছর শীর্ষক আলোচনা সভা। সঞ্চালক ফাহিম রেজা নূর।  অংশগ্রহণে: . জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, . নূরন নবী, মঞ্জুর আহমেদ, সব্যসাচী ঘোষ দস্তিদার, শাহাদাত সোহাগ, সুলতানা রিজিয়া, সেজান মাহমুদ।

সন্ধ্যা ৭টা ০৫ মিনিটে রবীন্দ্রসংগীতের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন অরোরা ইসলাম অত্রি অনুষ্ঠিত হয় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে: অতিথি শিল্পীর সংগীতানুষ্ঠান। অংশগ্রহণে ছিলেন শবনম আবেদী, শহীদ হাসান।

সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিট:  আমেরিকার মূলধারায় বাঙালী লেখক: সঞ্চালক: কৌশিক আহমেদ: অংশগ্রহণে: . নূরন নবী, রাসেল সরদার, . একেএম শামসুদ্দীন, . জিয়াউদ্দিন।

সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় অতিথি শিল্পীর সংগীতানুষ্ঠান। অংশগ্রহণে: কনিশ দাস, আলেয়া ফেরদৌস, বৃষ্টি, শারমীন।

রাত ৮টা ৫৫ মিনিট: অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তপন রায় চৌধুরীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সঞ্চালক ছিলেন কৌশিক আহমেদ। বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মমতাজ উদদীন আহমেদ। এই অনুষ্ঠানে ছিলেন . জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত জ্যোতির্ময় দত্ত। এই অনুষ্ঠানের শেষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী বনানী ঘোষকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বনানী ঘোষের পক্ষে বুদ্বদেব বসু তনয়া লেখিকা মীনাক্ষি দত্ত ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।

রাত সাড়ে ৯টায়: কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন  মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের পক্ষে বিশ্বজিত সাহা এবং উৎসবের আহ্বায়ক সউদ চৌধুরী।  এরপর অনুষ্ঠিত হয় তিন প্রজন্মের শিল্পী রামকানাই দাশ, কাবেরী দাশ স্মৃতিকণা দাশের সংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর রাত ১০টা থেকে ঘন্টাব্যাপী মণিকা রশিদ এর সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের মোহিত করে।

রাত: সাড়ে ১১টা ৪৫ মিনিটে  বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী বইমেলা বাংলা উৎসবের  সমাপ্তি  ঘটে। এদিন ঘোষণায় ছিলেন আলফা রহমান, ডানা ইসলাম, পার্বতী  রায়, আশরাফুল হাবিব  মিহির, উর্বি হাই তবলায় ছিলেন  সমিত বণিক। সাউন্ড ছিল বি ডি সাউন্ড। আলো সম্পাত করেন: লিওন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ইনক। অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি ফোল্ডার এর গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং উৎসবের ওয়েব সাইট পরিচালনা করেন  মুরাদ আকাশ।

 

বাংলা উৎসব ও বইমেলা পরিচালনা পরিষদে যারা ছিলেন: উপদেষ্টা: ড. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, ড. নূরন নবী,  ড. পূরবী বসু, হাসান ফেরদৌস। আহ্বায়ক: সউদ চৌধুরী। সেমিনার: নিনি ওয়াহেদ, মুজিব বিন হক, হুসনেআরা বেগম, ফাহিম রেজা নূর, বদরুজ্জামান আলমগীর। আবৃত্তি: জি এইচ আরজু, আয়েশা দেওয়ান লিপি । স্বরচিত কবিতা: মুমু আনসারী। নতুন বই: বদরুজ্জামান আলমগীর, কৌশিক আহমেদ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: কাবেরী  দাস। অভ্যর্থনা: জাকিয়া ফাহিম, মিনহাজ আহমেদ শাম্মু, রুমা সাহা। আপ্যায়ন:  প্রতীপ দাসগুপ্ত, মমতাজ বেগম। মেলা পরিচালনা: রহিমুজ্জামান সুমন, শাহীন মিয়া। সমন্বয়কারী: রানু ফেরদৌস। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন সীতেশ ধর। সমন্বয়ক এর দায়িত্ব পালন করেন বিশ্বজিত সাহা।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV