অবশেষে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্রেট পার্টির
হেলাল উদ্দীন রানা : অবশেষে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হাতে পেয়েছে ডেমোক্রেট পার্টি। জর্জিয়ার জনগণ প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে নিরাশ করেনি। এই হাই প্রোফাইল নির্বাচনে দু’টি সিনেট আসনে তারা ডেমোক্রেটদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেটে আসন অনুপাত ৫০ বনাম ৫০। ডেমোক্রেট পার্টি তাদের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের টাইব্রেকিং ভোটে সিনেটের নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে পারবে। এতে করে প্রেসিডেন্সি, কংগ্রেস ও সিনেটসহ যুক্তরাষ্ট্রের একক ক্ষমতার অধিকারী হলেন নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন। আগামী মিডটার্ম নির্বাচন পর্যন্ত তার ক্ষমতা নির্বিঘ্ন থাকছে বলা যায়।
প্রায় ৫শ’ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের হাই প্রোফাইল তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির ভরাডুবি ঘটেছে শোচনীয়ভাবে।
ডেমোক্রাট প্রার্থী জন অসফ ও রাফায়েল ওয়ারনক ভালো ব্যবধানে পরাজিত করেছেন দীর্ঘদিনের সিনেটর ডেভিড প্রাডু ও গভর্নর কর্তৃক নিয়োগ পাওয়া কেলী লাফলারকে। রাফায়েল ওয়ারনক এ পর্যন্ত ২২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট পেয়েছেন।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেলী লাফলার পেয়েছেন ২১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪৫৪ ভোট। এই আসনে ছিল বিশেষ নির্বাচন।
অন্য আসনে জন অসফ ২২ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৩৯ ভোট পান। বর্তমান সিনেটর প্রাডু পান ২২ লক্ষ ৩ হাজার ৩২৪ ভোট। প্রাডুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল শেয়ার কেলেঙ্কারির। এখনও প্রায় ১ শতাংশ ভোট গণনার বাইরে রয়েছে। তবে এই ভোট ফলাফলে কোন প্রভাব ফেলবে না।
জর্জিয়ার এই নির্বাচনে ছিল সারা যুক্তরাষ্ট্রের চোখ। এটা ছিল রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটদের মর্যাদার লড়াই। রিপাবলিকানের বিশাল ভরাডুবির জন্য বিশ্লেষকরা দায়ী করছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গণরায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা ও ক্রমাগত মিথ্যাচারকে।
নিউইয়র্ক টাইমস গতকাল এক বিশ্লেষনে বলেছে, শেষ পর্যন্ত জর্জিয়ায় নীল ঢেউ আঘাত এনেছে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল