Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ হচ্ছে বোয়িং-৭৭৭:কিন্তু ল্যান্ড করতে পারবে না আমেরিকা ও ইউরোপে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 22 বার

প্রকাশিত: September 22, 2011 | 1:35 AM

 

নাশরাত চৌধুরী: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যোগ হচ্ছে অত্যাধুনিক দু’টি উড়োজাহাজ বোয়িং-৭৭৭-৩০০ ইআর। এর একটি ২৩শে অক্টোবর বিমানের বহরে যুক্ত হবে। অপরটি যোগ হবে নভেম্বর মাসে। উড়োজাহাজ সঙ্কটে থাকা বিপর্যস্ত বিমান বহরে দু’টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলেও বিমানের জন্য কোন সুখবর নেই। কারণ এ দু’টি দিয়ে কোন রুটে ফ্লাইট পরিচালিত হবে তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বিমানের পরিকল্পনা ছিল নতুন উড়োজাহাজ দিয়ে নিউ ইয়র্ক রুটে ফ্লাইট চালু করার। এছাড়া, ইউরোপেরও বেশ কয়েকটি রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন অথরিটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো ক্যাটিগরির দিক থেকে দুই নম্বরে থাকার কারণে এদেশের উড়োজাহাজ আমেরিকা ও ইউরোপের বিমানবন্দরগুলোতে ল্যান্ড করতে পারবে না। মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোন বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ নামতে হলে আগে তাদের বিমানবন্দরের ক্যাটিগরি ১ নম্বরে উন্নীত করতে হবে। এটা করতে না পারলে তারা নিউ ইয়র্কে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে না। এদিকে ইউরোপের রুটে বিমানের উড়োজাহাজ চলছে শর্ত সাপেক্ষে। বেশ কয়েক বছর আগেই তারা জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরানো উড়োজাহাজগুলো ইউরোপে চলাচল করতে দেয়া হবে না। বিমান অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে লন্ডন রুটটি চালু রেখেছে। সূত্র জানায়, বিমানে নতুন উড়োজাহাজ আসছে এ নিয়ে যেখানে আনন্দ উল্লাস করার কথা কিন্তু তারা তা করতে পারছে না। নতুন উড়োজাহাজ আসার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। কারণ ওই দু’টি উড়োজাহাজের জন্য এখনও কোন রুট ঠিক করা সম্ভব হয়নি। রুট ঠিক হোক কিংবা না হোক তা দিয়ে বিমানের কোন আয় হোক বা না হোক যেদিন থেকে উড়োজাহাজ বহরে আসবে এরপর থেকে প্রতিমাসে বিমানকে কিস্তি দিতে হবে ১৫০ কোটি টাকা করে। আয় না হলে প্রতিমাসে বিমানের জন্য এ কিস্তি দেয়া কঠিন হবে। বিমানের এমন কোন আয়ের পথ নেই যেখান থেকে অতিরিক্ত ৩০০ কোটি টাকা করে কিস্তি দেয়া সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ যোগ হলেও এতে লাভ করা যাবে না। কারণ বিমানকে যে পরিমাণ কিস্তি শোধ করতে হবে এ জন্য বিমানকে বর্তমানের চেয়ে আগামী মাস থেকে অতিরিক্ত আয় করতে হবে মাসে ৩০০ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে নতুন উড়োজাহাজের অন্যান্য খরচতো আছেই। এসব খরচও ওই উড়োজাহাজ থেকে আয় করতে হবে। বিমানের ওই কর্মকর্তা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের রুটে ওই উড়োজাহাজ চালিয়ে লাভ করা যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন বিমানের জন্য অভিজাত ও লাভজনক রুট চালু করা। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিউ ইয়র্ক রুট। এ রুটটি চালু করা গেলে বিমানের প্রেস্টিজও বাড়তো সেই সঙ্গে বাড়তো আয়ও। বিমানের এতদিন যে সব উড়োজাহাজ ছিল ওই উড়োজাহাজ নিউ ইয়র্কে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করানো সম্ভব ছিল না। যে কারণে বিমান বার বার বন্ধ থাকা নিউ ইয়র্ক রুট চালু করার চেষ্টা করলেও পারেনি। বিমানের নিউ ইয়র্ক রুটের ক্ষেত্রে বড় বাধা ছিল উড়োজাহাজ। এখন সেই সমস্যা নেই। এখন উড়োজাহাজ আসছে তবে সেখানে নিউ ইয়র্ক রুট চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। আমেরিকা ও ইউরোপের সিভিল এভিয়েশন থেকে প্রায় দুই বছর ধরে বার বার তাগিদ দেয়া হচ্ছে কিন্তু তা করা হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে বার বার বলা হয়েছে তারা বিমানবন্দরের ক্যাটিগরি উন্নীত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এদিকে সিভিল এভিয়েশনের পরিকল্পনা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে শুরু করে সবদিকেই ক্যাটিগরি ১-এ উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কাজ চলছে। সমপ্রতি এ নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় ও এ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। সেখানে তারা আশ্বাস পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণ করতে পারলে তারা ফ্লাইট চালু করতে পারবেন। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শর্ত পূরণের জন্য ছয় মাস সময় চেয়েছে।
মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV