Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

উইকিলিকসের তথ্য: মরিয়ার্টির কাছে খালেদার বিরুদ্ধে নালিশ উপদেষ্টা মতিনের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 61 বার

প্রকাশিত: September 28, 2011 | 2:00 AM

 

 ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ওপর ভীষণ বিরক্ত হয়েছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা জেনারেল এমএ মতিন। এ নিয়ে তিনি ঢাকায় নিয়োজিত তখনকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টির কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। মরিয়ার্টিকে তিনি বলেছিলেন, খালেদা জিয়া অব্যাহতভাবে নতুন নতুন দাবি করছেন। তিনি এর আগে যেসব চুক্তি করেছিলেন তা পাল্টাচ্ছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সরকারের কাছে আগামী ১৮ই ডিসেম্বরের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদের নির্বাচন করার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন খালেদা জিয়া। মরিয়ার্টির সঙ্গে জেনারেল এমএ মতিনের ওই বৈঠকটি হয় ২০০৮ সালের ৬ই নভেম্বর। ওই বৈঠকে মরিয়ার্টি জানান, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার সময় তাকে প্রায় ৩ লাখ মানুষ বরণ করেছে। এসব কথা বলা হয়েছে জেমস এফ মরিয়ার্টির পাঠানো ২০০৮ সালের ১২ই নভেম্বরের গোপন তারবার্তায় (ঢাকা ০০১১৬৫)। এতে মরিয়ার্টি আরও লিখেছেন, ৬ই নভেম্বরের বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেনারেল এমএ মতিন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে পরের মাসে অনুষ্ঠেয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিএনপির অব্যাহত দাবি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ওই বৈঠকে তারা নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপিকে নিয়ে আসার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এমএ মতিন ও স্বরাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ আবদুল করিমকে কমিউনিটি পুলিশিং এবং সন্ত্রাসবিরোধী প্রচারণায় সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ইমপোভারাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস সচেতনতা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এ সময় মতিন এবং আবদুল করিম এ প্রচারণা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কিন্তু তারা ইঙ্গিত দেন যদি এতে আইন প্রয়োগকারী এলিট সংস্থা র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর ডিজিএফআই সমর্থন দেয় তাহলে এগুলো সম্ভব। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনা চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্ত হয়ে চার মাসেরও বেশি সময় বিদেশে কাটিয়ে যেদিন দেশে ফেরেন সেদিনই মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মতিনের ওই সাক্ষাৎ হয়। এতে একটি নোটে বলা হয়, শেখ হাসিনা এবং তার ঘোর শত্রু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দু’জনেই দুর্নীতির অনেকগুলো অভিযোগের মোকাবিলা করছেন। দু’জনেই জেলের বাইরে রয়েছেন। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৮ই ডিসেম্বর পার্লামেন্ট নির্বাচনে লড়াই করবেন বলে মনে হচ্ছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে হল্লা হলেও মতিন খালেদা জিয়ার একের পর এক দাবিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এমএ মতিন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চান, বিএনপি যদি নির্বাচন বয়কট করে তাহলে সরকারের কি করা উচিত। জবাবে মরিয়ার্টি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে নিয়ে আসার জন্য সরকারকে সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করতে হবে। এ সময় তিনি কতগুলো পরামর্শ দেন। যেমন: বিএনপির দাবি অনুযায়ী প্রার্থীদের নিবন্ধিত হওয়ার জন্য সরকার কয়েকটা দিন সময় বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে আরেক নোটে বলা হয়েছে- ৯ই নভেম্বর সরকার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে ১৩ই নভেম্বর থেকে ২০শে নভেম্বর পর্যন্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যদি বিজয়ী হয় তাহলে বিএনপিকে কিছু ক্ষমতা দেয়ার বিষয়টিও ওই বৈঠকে আলোচিত হয় মতিন ও মরিয়ার্টির মধ্যে। যেমন: বিএনপিকে ডেপুটি স্পিকারের পদ দেয়া যেতে পারে। রাষ্ট্রদূত বলেন, এ নির্বাচন যদি বিএনপিকে বাদ দিয়েই হয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা যদি বলেন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে তাহলে বিএনপি বেকুব বনে যাবে। কমিউনিটি পুলিশিংকে সমর্থন দিতে মরিয়ার্টি স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি পদক্ষেপ অনুমোদনের আহ্বান জানান মতিনের কাছে। তিনি বলেন, নভেম্বরের শেষের দিকে স্কুল পরীক্ষা হয়ে গেলে এমন কর্মসূচিতে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার। কিন্তু তাতে একটিই সমস্যা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি প্রকল্পকে অনুমোদন করে একটি চিঠি ইস্যু করে তাহলেই এ কর্মসূচি শুরু হতে পারে। জবাবে এমএ মতিন বলেন, একটি চিঠি ইস্যু করা কোন সমস্যার বিষয় নয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এমএ মতিনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টি আরও বলেন, দূতাবাসের কাউন্টার ভায়োলেন্স এবং ইমপোভারাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) সচেতনতাবিষয়ক প্রচারণা অনুমোদন দিতে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনের আগে ও পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, জনগণকে এসব মেসেজ জানাতে ব্যবহার করতে হবে টেলিভিশন, রেডিও এবং পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মতিন এবং করিম এ বিষয়ে রিজার্ভেশনস ছিলেন। তারা বলেন, আইইডি সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম বাংলাদেশীদের কাছে নেতিবাচক হিসেবে দেখা দেতে পারে। তাতে তাদের মাঝে ভীতির সঞ্চার করতে পারে। আবদুল করিম পরামর্শ দেন এ ক্ষেত্রে ইমাম ও মাদরাসার শিক্ষকদের ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা দু’জনেই বলেন, তারা ওই প্রোগ্রামকে সমর্থন করবেন যদি ডিজিএফআই ও র‌্যাব তাতে সমর্থন দেয়। ওই তারবার্তার মন্তব্য কলামে মরিয়ার্টি লিখেছেন, ওই বৈঠকের সূত্র ধরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এম এ মতিনকে স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি প্রোগ্রাম অনুমোদন করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি লিখবেন। ওই চিঠিটি পুলিশ সুপারদের কাছে ফ্যাক্স করে পাঠানো হবে, যাতে তারা বুঝতে পারেন এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে তাদের আর কোন বাধা নেই। এছাড়া দূতাবাস র‌্যাব ও ডিজিএফআই থেকে সন্ত্রাসবিরোধী এবং আইইডি সচেতনতামূলক প্রচারণায় সমর্থন চাইবে। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV