Wednesday, 11 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

আরব বিশ্বে গণতন্ত্র বিকাশে ইসলাম ধর্মের ভূমিকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 128 বার

প্রকাশিত: October 28, 2011 | 2:51 PM

আরব জগতে পরিবর্তনের হাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে,কোন্ ধরনের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে দেশগুলোতে? গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপাতত তিউনিসিয়ার এন্নাহদা এবং মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের ওপর সবার দৃষ্টি।

আরব বিশ্বে অনেক বেশি গণতন্ত্রের অর্থ কি রাজনৈতিক মঞ্চে ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠা?তাই যদি হয় তাহলে তার চরিত্র কী হবে? এসব প্রশ্ন এখন অনেকের মনে। তিউনিসিয়ার নির্বাচনের পর সেখানে ইসলামিক রাজনৈতিক দল এনাহদা বিপুল ভোট  পেয়েছে। এদিকে লিবিয়ার এনটিসির প্রধান মুস্তাফা আব্দেল জলিল জানিয়েছেন, লিবিয়ায় শরিয়া আইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করবে। খবর ডয়চে ভেলের।

নেদারল্যান্ডসের আইনের অধ্যাপক ইয়ান মিশেল অটো সমপ্রতি একটি জরিপে জানিয়েছেন,পৃথিবীর ১২টি দেশে কীভাবে শরিয়া আইন অনুসরণ করা হয়। এসব দেশের রাজনীতিতে ইসলাম ধর্মের প্রভাব চোখে পড়ার মত। লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক আরো জানান, শরিয়া আইনের প্রবর্তন করা হলে কেউ জানবে না কী অপেক্ষা করছে সামনে। অধ্যাপক মিশেল অটো একটি বই লিখেছেন ‘শারিয়া ইনকর্পোরেটেড’। তিনি জানান, পশ্চিমী বিশ্বের অনেক দেশই আতঙ্কিত শারিয়া আইন নিয়ে। অথচ ইসলামি আইনের প্রবর্তন অনেক বেশি স্বাধীনতা দিতে পারে মানুষকে।

তুরস্কের কোনিয়ার সেলচুক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী ইয়াসিন আকতায় জানান,শরিয়া আসলে কোন ধরনের আইন নয়। এখানে শুধু অত্যাচার আর শাস্তির কথা বলা হয়েছে, তা-ও ঠিক না। মধ্যেপ্রাচ্যের অনেক দেশেই শরিয়া আইন মেনে চলা হয়। কিন্তু এর পাশাপাশি পশ্চিমী বিশ্বের অনুকরণে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনও মেনে চলে  দেশগুলো। শুধু সৌদি আরব বাদে অন্য দেশগুলোতে বিভিন্ন আইনের সমন্বয় চোখে পড়বে। শরিয়া আইনের শাসন কোন দেশ চাইলে বেশ কড়াভাবে অনুসরণ করতে পারে। আবার চাইলে বেশ শিথিলভাবেও এই আইনের প্রবর্তন সম্ভব।

তিউনিসিয়ার এনাহদা ইসলামিক পার্টি রবিবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট  পেয়েছে। আরব জগতে প্রথম বিপ্লব শুরু হয়েছিল এই  দেশটিতেই। তিউনিসিয়ার এই দলটি জানিয়েছে,গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা তাদের রয়েছে এবং মানবাধিকারের বিষয়টিও তাদের কাছে বেশ গুরুত্ব পাবে।

তিউনিসিয়ার সংবিধানে দেশের আনুষ্ঠানিক ধর্ম হিসেবে ইসলামের নাম উল্লেখ করা রয়েছে। কিন্তু শারিয়া আইন মেনে চলতে হবে, এমনটা উল্লেখ করা নেই। এর আগের সংবিধানটি রচনা করেছিলেন রশিদ গানুশি। এখন নতুন সংবিধান রচনার দায়িত্ব পেয়েছে এন্নাহদা ইসলামিক পার্টি। ধারণা করা হচ্ছে,এনাহদা যদি শারিয়া আইন প্রবর্তন করতে চায়, তাহলে হয়তো তারা বিরোধিতার সম্মুখীন হবে। ইত্তেফাক

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV