যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী পণ্যের অবাধ প্রবেশাধিকা থাকা উচিত : নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ জোসেফ
এনা, নিউইয়র্ক: ২০০১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জোসেফ স্টিগলিজ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের দ্বিতীয় কমিটি এবং ইকোসক-এর যৌথ সভায় ‘আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অবস্থা’র ওপর বক্তৃতাকালে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা গার্মেন্টসের ওপর শতভাগ করমুক্ত ও কোটামুক্ত সুযোগ না দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিন্দা করেন। তিনি মনে করেন, এলডিসি (স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র) সদস্য হিসেবে বাংলাশের পণ্য অবশ্যই অবাধে আমদানি করার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের নেয়া উচিত। তাহলে বাংলাদেশের উত্পাদিত পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়বে এবং তৃতীয় বিশ্বের শ্রমিকরা উত্সাহিত হবেন। তিনি বলেন, বিশ্বায়নের এ যুগে সবাইকে সম্মুখে এগোতে হবে সম্মিলিত প্রয়াসে। কাউকে পেছনে ফেলে কেউ সামনে যেতে চাইলে তা হবে বোকামির সামিল।
উল্লেখ্য যে, দ্বিতীয় কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ড. একে আবদুল মোমেন। তিনি ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই সভায় কোচেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর সম্ভবত এটিই ছিল এ দুটি সংস্থার প্রথম যৌথ সভা। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রদূত ড. মোমেন বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতির আলোকে গোটাবিশ্বের অর্থনৈতিক গতি-প্রকৃতিও পাল্টেছে। তাই নেতাদর নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে সামনে এগোনোর জন্য।
এদিকে বার্তা সংস্থা এনা জানতে পেরেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য অবাধে প্রবেশাধিকার দাবিতে আগের কংগ্রেসে একটি বিল উঠেছিল। কিন্তু সেটি তামাদি হয়ে গেছে। চলতি কংগ্রেসে এখন পর্যন্ত কোনো বিল ওঠেনি। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গত কয়েক মাসে প্রায় দু’ডজনের মতো কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটরের সঙ্গে দেখা করে এ ব্যাপারে অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু সে অনুরোধে সাড়া দিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো বিল উত্থাপন করেননি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লবিং ফার্ম নিযুক্ত করা হয়নি। এ খাতে বাজেট বরাদ্দ নেই বলেও জানা গেছে। এ বিল পাশ হলে যারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে সেই গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা এ খাতে তহবিল ব্যয়ের কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানা যায়নি।
উল্লেখ্য যে, দ্বিতীয় কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ড. একে আবদুল মোমেন। তিনি ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ওই সভায় কোচেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর সম্ভবত এটিই ছিল এ দুটি সংস্থার প্রথম যৌথ সভা। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রদূত ড. মোমেন বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতির আলোকে গোটাবিশ্বের অর্থনৈতিক গতি-প্রকৃতিও পাল্টেছে। তাই নেতাদর নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে সামনে এগোনোর জন্য।
এদিকে বার্তা সংস্থা এনা জানতে পেরেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য অবাধে প্রবেশাধিকার দাবিতে আগের কংগ্রেসে একটি বিল উঠেছিল। কিন্তু সেটি তামাদি হয়ে গেছে। চলতি কংগ্রেসে এখন পর্যন্ত কোনো বিল ওঠেনি। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গত কয়েক মাসে প্রায় দু’ডজনের মতো কংগ্রেসম্যান এবং সিনেটরের সঙ্গে দেখা করে এ ব্যাপারে অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু সে অনুরোধে সাড়া দিয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো বিল উত্থাপন করেননি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লবিং ফার্ম নিযুক্ত করা হয়নি। এ খাতে বাজেট বরাদ্দ নেই বলেও জানা গেছে। এ বিল পাশ হলে যারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে সেই গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা এ খাতে তহবিল ব্যয়ের কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানা যায়নি।
সর্বশেষ সংবাদ
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes