Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

সকল অংশীজনকে নব অঙ্গীকার ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কোভিড অতিমারি পরবর্তী পূন:বিনির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 96 বার

প্রকাশিত: September 8, 2021 | 12:33 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক: “কোভিড অতিমারি থেকে পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টার একটি অপরিহার্য উপাদান হিসেবে অবশ্যই এমন একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে জাতি, গোত্র, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সকলে অর্থবহভাবে অবদান রাখতে পারি। পূর্বের থেকেও ভালো অবস্থায় ফিরে যাওয়ার লক্ষ্যে কোভিড পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে শান্তির সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করার কোনো বিকল্প নেই” – জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক জাতিসংঘের উচ্চতর ফোরামে প্রদত্ত স্বাগত বক্তব্যে এসকল কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।
কোভিড পরবর্তী পূনরুদ্ধার কার্যক্রমসমুহের অন্তর্ভূক্তি এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ঘূরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জনের বিষয়টি আরও এগিয়ে নিতে শান্তির সংস্কৃতি যে রূপান্তরধর্মী ভূমিকা পালন করতে পারে তা তুলে ধরা হয় উচ্চ পর্যায়ের এই ফোরামে। দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে উদ্বোধনী পর্ব ছাড়াও একটি প্লেনারি সেশন এবং ভার্চুয়াল প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রদত্ত বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি উপস্থাপন এবং ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিবছর সর্বসম্মতিক্রমে তা রেজুলেশন হিসেবে গৃহীত হওয়া এবং ২০১২ সাল থেকে উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আয়োজন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। উদ্বোধনী পর্বে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি, ইউএন অ্যালায়েন্স ফর সিভিলাইজেশন এর উচ্চ প্রতিনিধি, জাতিসংঘ মহাসচিবের শেফ দ্যা ক্যাবিনেট এবং ইউনেসকো’র প্রতিনিধি।
কোভিড থেকে স্থিতিশীল পুনরুদ্ধারে শান্তির পরিবেশ বিনির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় ‘শান্তির সংস্কৃতি’কে মুলভাগে স্থাপন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া শান্তি ও উন্নয়নের পারস্পরিক গভীর আন্ত:সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে যথাসময়ে এজেন্ডা ২০৩০ এর বাস্তবায়নের প্রতিও আহ্বানও জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতিমারি থেকে সফল পুনরুদ্ধারের জন্য অবশ্যই বৈশ্বিকভাবে টিকাদান কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তিনি ভ্যাক্সিনের জাতীয়করণকে দূর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেন এবং বিশ্বকে এধরণের ভ্যাক্সিন বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে উন্নয়ন অংশীদারদের আরও বেশি মানবিক হওয়ার, এবং যাদের ভ্যাকসিন প্রয়োজন বৈষম্যহীনভাবে তাদের তা প্রদান করার। ভ্যাকসিন হওয়া উচিত বৈশ্বিক সাধারণ সম্পদ”।
এদিকে বিকালে “শান্তির সংস্কৃতিতে সিভিল সোসাইটি সংস্থা সমূহের অংশগ্রহণ” বিষয়ক একটি ভার্চুয়াল প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় যা সঞ্চালনা করেন জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আনোয়ারুল করিম চৌধুরী। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এতে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
প্যানেলিস্ট হিসেবে প্রদত্ত বক্তব্য রাষ্ট্রদূত ফাতিমা ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠনের উপর জোর দেন যাতে শিক্ষায় সকল শিশুর নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়। সমাজে অসমতা উদ্বেগজনকহারে বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সামগ্রিকভাবে অসমতা দূর করতে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। কোভিড থেকে অন্তর্ভূক্তিমূলক পুনরুদ্ধারের জন্য হিংসাত্বক বক্তব্য, জাতিগত বিদ্বেষ ও সামাজিক বৈষম্য দূর করতে সংলাপসহ প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন-‘ডিক্লারেশন অন দ্যা কালচার অব পিস এন্ড প্রোগাম অব অ্যাকশন’ অনুযায়ী প্রতিবছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আহ্বানে শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক জাতিসংঘ উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম অনুষ্ঠিত হয় যার আয়োজন করে বাংলাদেশ। প্রতিবছর বাংলাদেশ আনীত এই রেজুলেশনটিতে বিপুল সংখ্যক দেশ সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে এবং এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে সদস্য দেশসমূহের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রী ও সিভিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ