১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে অকুতোভয় ভুমিকা রেখেছিলেন মার্কিন সাংবাদিক জোসেফ গ্যালোওয়ের
রাশিদুল ইসলাম রুবেল: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জোসেফ গ্যালোওয়ের আমাদের স্বাধীনতার জন্য অসীম সহমর্মিতা জানিয়ে ছিলেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে অকুতোভয় ভুমিকা রেখেছিলেন।
সম্ভবতঃ জো গ্যালোওয়ে একমাত্র মার্কিন সাংবাদিক যে উত্তাল ৭১এর মার্চের যুদ্ধকালীন সময়ে বেশ কয়েক বার ঢাকা সফর করেছিলেন, এবং পাকিস্তানি সামরিক নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্ছার ভুমিকা পালন রেখেছিলেন।
১৯৭১ সালে জোসেফ গ্যালোওয়ে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নজরদারি থাকা অবস্থায় সামরিক গোয়ান্দাদের চোখ ফাকি দিয়ে এবং জীবনের ঝুকি নিয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল থেকে পায়ে হেঁটে দিলকুশা এভ্যেনুতে তৎকালীন আমেরিকান কনস্যুলেটে অফিসে গিয়েছিলেন। আমেরিকান কনস্যুলেটে অফিসে কর্মরত বাঙালিদের কাছ থেকে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর গণহত্যা এবং নৃশংশতার ব্যাপারে সম্যক ধারনা পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে জো গ্যালোওয়ে আমদের স্বাধীনতার পক্ষে এবং নিক্সন প্রশাসনের অন্যায় কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ করেছিলেন। এবং সেই কারনেই জো গ্যালোওয়ে নিক্সন প্রশাসনের বিরাগভাজন হয়েছিলেন।
৭১ সালে বাংলাদেশের সাড়ে ৭ কোটি মানুষ একটি লাল সবুজের পতকার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং ত্রিশ লক্ষ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যূদয় হয়েছে। আমাদের বিশ্বাসের কারনেই আমাদের দায়িত্ব বোধের জায়গাটা ব্যাপক এবং সুসংগঠিত। আমরা একই সাথে এটাও বিশ্বাস করি আমদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জো গ্যালোওয়ের মত অনেক বিদেশী বন্ধূ তাদের আকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।
তাদের সমর্থনের জন্য ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে আমাদের হৃদয় নিংড়ানো ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জাননো শুধুমাত্র সৌজন্যতা বা শালীনতা নয়, এটা আমাদের একান্ত নৈতিক দায়িত্ব।
-রাশিদুল ইসলাম রুবেল,

ক্যারী, নর্থ ক্যারোলিনা, আমেরিকা।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি