Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক এমপি’র নিকট একটি আবেদন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 21 বার

প্রকাশিত: November 28, 2021 | 1:47 PM

বীর মুক্তিযোদ্ধা আকম মোজাম্মেল হক, এম পি
মাননীয় মন্ত্রী,
মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়, গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার,

নভেম্বর ২৮, ২০২১ নিউইয়র্ক
মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ন জয়ন্তী উপলক্ষে আমরা স্বাধীন দেশের অবহেলিত কিছু প্রত্যাশা নিয়ে একটি আবেদন করছি।
নিজের জীবন দিয়ে সব চেয়ে বেশি যাদের অবদান আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সেই শহীদদের কোন তালিকা এবং সন্মান প্রদর্শন করার কোন কার্যক্রম এখনো করা হয়নি। স্বাধীনতার পর পর বঙ্গবন্ধু একবার চিঠি পাঠিয়ে অর্থিক সহায়তা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং তাদের পরিবার আজকে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতেন না। জাতীর জন্য এটি শুধু দুঃখজনক ই নয় এটি বড়ই অপমান জনক। অনেক দিন থেকে শুনছি সরকার শহীদ দের তালিকা তৈরী করার কাজ হাতে নিয়েছেন তবে ৫০ বছরে ও আজ আমরা কিছুই এখনো পাইনি .
মুক্তি যুদ্ধের সকল শহীদ পরিবার গত ৫০ বছর কোনো সহায়তা বা সন্মান ছাড়াই বহু দুঃখ কষ্টে বেঁচে ছিলেন বা অনেকে ধ্বংস হয়ে গেছেন। আমরা খবর রাখিনি এবং জানার ও চেষ্টা করিনি, এই দায়বদ্ধতা আমাদের সীমাহীন লজ্জার ও দুঃখের কাহিনী।
আমাদের আবেদন এই বছর থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের সময় এলাকার সকল শহীদ এবং তাদের পরিবারের বাড়ীতে সরকার বা বেসরকারি পর্যায়ে সন্মান প্রদর্শন করার প্রথা চালু করা. প্রশাসন থেকে সরকারি ভাবে কমপক্ষে তাদের বাড়িতে একটি পতাকা আর একটি পোস্টার “মুক্তি যুদ্ধের এক মহান শহীদকে ও তার পরিবারকে জাতির পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা” দেয়া যেতে পারে। আমরা স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সচেতন মানুষে বা সংগঠনকে এই কার্যক্রমের সহায়তা এবং অনতিবিলম্বে তা প্রয়োগ করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।
আমরা চাই স্থানীয় সরকার প্রত্যেক এলাকায় অনতিবিলম্বে শহীদ দের তালিকা জোগাড় করতে এবং স্বাধীতয়তার ৫০ বছরের বিজয় দিবস থেকে সীমিত ভাবে হলেও এই প্রথা চালু করতে। কোন জটিলতা উপেক্ষা করে প্রয়োজন হলে সাধারণ মানুষ বা সংগঠন নিজ থেকে আগ্রহী হযে এগিয়ে আসবেন।
উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের পক্ষ থেকে
অধ্যাপক ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবির সন্তান, ডাঃ মাসুদুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবির সন্তান।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV