যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড নিরাময়ে প্রথম ওষুধ: ফাইজারের এন্টিভাইরাল পিল ব্যবহারের অনুমোদন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মার্কিন ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) কোভিড-১৯ নিরাময়ে ফাইজারের এন্টিভাইরাল পিল ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এটিই কোভিড আক্রান্তদের বাসায় বসে গ্রহণের অনুমোদন পাওয়া প্রথম ওষুধ। এফডিএ জানিয়েছে, ১২ বছরের বেশি বয়স্ক যে কেউ কোভিড আক্রান্ত হলে এই ওষুধ গ্রহণ করতে পারবে। তবে তার ওজন অবশ্যই ৮৮ পাউন্ড বা ৪০ কেজির বেশি হতে হবে এবং এটি কিনতে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখাতে হবে। এক বিবৃতিতে এফডিএ বলেছে, কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব এই ওষুধ খাওয়া উচিৎ।
গত সপ্তাহে ফাইজার প্যাক্সলোভিড নামের এই ওষুধের ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, এটি গ্রহণে কোভিড রোগীর হাসপাতালে ভর্তি কিংবা মৃত্যুর হাড় ৮৯ শতাংশ হ্রাস পায়। তবে এটি রোগীকে দিতে হবে কোভিডের উপসর্গ প্রকাশের প্রাথমিক পর্যায়েই।
প্রথম ৫ দিনের মধ্যে এটি প্রয়োগ করা হলে ৮৮ শতাংস কার্যকরিতা পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ফাইজারের চেয়ারম্যান এবং সিইও আলবার্ট বোরলা এক বিবৃতিতে বলেন, যে কোনো সময় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই ওষুধ সরবরাহে প্রস্তুত তারা।
গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা এই ওষুধের ১ কোটি কোর্স কিনতে যাচ্ছে। এর জন্য ব্যয় করা হবে ৫.২৯৫ বিলিয়ন ডলার। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, আমরা ফাইজারের থেকে পাওয়া আশাবাঞ্চক তথ্য দেখে এ ওষুধ কিনতে উৎসাহী হয়েছি। এই ওষুধ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে মহামারি মোকাবেলার পথে অনেক দূর এগিয়ে যাব আমরা। তিনি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টসহ পুরো কোভিড মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধে এই ওষুধকে সম্ভাব্য শক্তিশালী অস্ত্র হিসাবে আখ্যায়িত করেন। তবে তিনি আরও বলেন, এখনো জীবন রক্ষায় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ভ্যাকসিন ও বুস্টার ডোজ গ্রহণ।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি