বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে এম্বেসেডর শহীদুল ইসলামের সাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী হিন্দু কমিঊনিটির আলোচনা
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী হিন্দু কমিঊনিটির ঊদ্দ্যেগে ১৪ই জানুয়ারী সকাল ১১ঃ৩০ টায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ এম্বেসেডর শহীদুল ইসলামের সাথে বাংলাদেশে চলমান সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে এক ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী হিন্দু কমিঊনিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলোচনায় সংখ্যালঘু স্বীকৃতি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, মন্দির, মুর্তি ভাঙ্গচুর ও ওয়াজি হুজুরদের প্রতিরোধ করার জন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবী জানানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ রাস্ট্রদুত শহীদুল ইসলাম হিন্দু নেতৃবৃন্দের সাথে আগামীদিনে সেমিনার করে এ বিষয়ে কমিঊনিটির সকল দল ও নেতাদের সাথে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
আলোচনায় বক্তাদের মধ্যে ছিলেন মহুয়া দত্ত, দিলীপ নাথ, বিদ্যুৎ সরকার, দ্বীজেন ভট্টাচার্য, প্রবীর রায়, শীতাংশু গুহ, ভজন সরকার, জগদীন্দ্র চৌধুরী শিবু, শুভ রায়, ভবতোষ মিত্র, প্রানেশ হালদার প্রিয়তোষ দে, নিত্যানন্দ দাস, নবেন্দু দত্ত, রুপ কুমার ভৌমিক।
বীর ঊত্তম মেজর জেনারেল সি আর দত্তের কন্যা মহুয়া দত্ত বাংলাদেশ হিন্দু মন্দিরের পক্ষ থেকে বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা বিগত ৫০ বছর ধরে নির্যাতিত হচ্ছে, সংখ্যালঘু নির্যাতন ঊত্তোরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, তার পিতা জেনারেল দত্ত বাংলাদেশে রাস্ট্রধর্ম আনার জন্য যুদ্ধ করে নাই। সংখ্যালঘু জনগন অনিশ্চয়তার কারনে বাধ্য হয়ে দেশ ত্যাগ করছেন।
দ্বীজেন ভট্টাচার্য বলেন, সংখ্যালঘুরা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়ে ২৩% থেকে ৮.৫% হয়েছে। এ কারনে সংখ্যালঘু স্বীকৃতি ও জাতীয় সংসদে আলাদা আসন চাই।
এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের হিন্দু এমপি, মন্ত্রী, আমলা কেঊ হিন্দুদের এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে কথা বলে নাই। অথচ ভিন্ন দেশের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা শরনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার জাতিসংঘের সাথে কাজ করছে।
সরকার সব সময় বলে আসছে বাংলাদেশে কোন সংখ্যালঘু নাই। নেতারা ঊল্লেখ করেন, একজন মুসলিম কোন অমুসলিম দেশে সংখ্যালঘু হতে পারলে কেন একজন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান বাংলাদেশে সংখ্যালঘু স্বীকৃতি পাবে না?
ঊল্লেখ্য, দীলিপ নাথের প্রচেস্টায় যুক্তরাস্ট্রে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে আলোচনা ও সমস্যা সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাস্ট্রদুত সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে প্রতীয়মান হয় পররাস্ট্র মন্ত্রনালয় অস্বীকার করলেও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাস্ট্রদুত স্বীকার করে বলেন, তিনি সংখ্যালঘু নির্যাতনের কারনে বিদেশী মিশনের কাছে অস্বস্হি অনুভব করেন। বিষয়টির জন্য বিদেশী মিশনে যখন তলব করা হয়। তখন তিনি অস্বস্হিকর পরিস্তিতির মধ্যে পরে যান, যা তিনি তাঁর বক্তব্যে স্বীকার করেন। তিনি আগামী দিনে সেমিনার করে প্রবাসী হিন্দু কমিঊনিটির দাবী গুলি সরকারের কাছে বিবেচনার জন্য পাঠাবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল আইনে যারা এরেস্ট হয়েছে তাদের ১৭ জনকে ইতিমধ্যেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। যারা এখনো আটক আছে তারা শুনানিতে হাজির হলে স্ব স্ব কোর্ট থেকে জামিন দেয়ার জন্য সরকারী নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের