নিউইয়র্কে সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. মোমেনের বৈঠক : পৃথক মন্ত্রনালয় ও সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের দাবি (ভিডিও সহ)
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/470109354793545
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের এক বৈঠকে পৃথক মন্ত্রনালয় ও সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের দাবি জানান হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোয়ালিশন অব বাংলাদেশী রিলিজিয়াস এন্ড এথনিক মাইনোরিটিজের পক্ষে দিলীপ নাথের উদ্যোগে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ১১ জন প্রতিনিধি পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি টেকসই, স্থায়ী সমাধান কল্পে একটি সুপারিশনামাও পেশ করেন। ২৮শে ফেব্রুয়ারী সোমবার বিকেলে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে অনূষ্ঠিত সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে কনসাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম’র।

এসময় কোয়ালিশনের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করে এর মূল বক্তব্য পড়ে শোনান ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে যেমন রেসিজম বা বর্নবাদ সিস্টেমেটিক বলে প্রেসিডেণ্ট বাইডেন স্বীকার করেছেন। বাংলাদেশেও তেমনি সাম্প্রদায়িকতা সিস্টেমেটিক, যে কারণে ১৯৭২ সাল থেকে অদ্যাবধি সংখ্যালঘু নির্যাতকদের কোন বিচার হয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কয়েক যুগ রমনা কালী বাড়ীতে প্রবেশাধিকার মেলেনি, শত্রুসম্পত্তি আইন বাতিল হয়নি এবং লক্ষ সংখ্যালঘু অত্যাচারিত হয়ে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।
ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য বলেন, এই সমস্যার টেকসই সমাধান করতে চাইলে সরকার যে কোন দিন তা করতে পারে। বর্তমান সরকারের সংসদে এবস্যুলুট মেজরিটি রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দেয়া স্মারকলিপিতে প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘুদের সংখ্যালঘু স্বীকৃতি দিতে হবে।
দেশের প্রতিটি জেলা থেকে একজন করে ৬৪টি আসন সংখ্যালঘুদের জন্য রিজার্ভ করতে হবে। তারা সংখ্যালঘু কর্তৃক মনোনীত হয়ে শুধু সংখ্যালঘুদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে সংখ্যালঘুদের ভাল-মন্দ দেখভাল করবেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও গারো পাহাড়ের অংশবিশেষকে আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত নিরাপদ এলাকা ঘোষণা করতে হবে।
সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, এফার্মেটিভ একশন আইন, হেইট স্পীচ আইন এবং সংখ্যালঘু মন্ত্রনালয় গঠন করতে হবে।
এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আদলে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ফাউন্ডেশন গঠন করতে হবে।
সরকার প্রবাসীদের সঙ্গে সংখ্যালঘু সমস্য্য নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ গ্রহনের জন্য কোয়ালিশনের পক্ষে থেকে ড. মোমেনকে ধন্যবাদ জানান হয়।
সভায় কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন থেকে অংশগ্রহন করেন দিলীপ নাথ, ভজন সরকার, বিদ্যুৎ সরকার, প্রবীর রায়, ভবতোষ মিত্র, প্রিয়তোষ দে, রনবীর বড়–য়া, সুশীল সিনহা, শুভ রায়, দীনেশ মজুমদার, শামু রুদ্র এবং ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এর মধ্যে প্রধান প্রশ্ন ছিল সংখ্যালঘু সমস্যার সমাধান জন্য সরকারের পরিকল্পনা কী?
এর উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, সরকারের পলিসি হচ্ছে দেশে কারও প্রতি বৈষম্যেমূলক আচরনতো করা যাবেই না, আর নির্যাতনের প্রশ্নই উঠেনা – সরকার এই সমস্যার সমাধানের জন্য সক্রিয় চেষ্টা করছে। এই সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে যারা কাষ্টডিতে রয়েছেন তাদের মুক্তি দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এসময় তিনি বলেন, আজকের সভায় যে সকল দাবী এবং সুপারিশনামা পেশ করা হয়েছে সেগুলো তিনি সরকারের উর্ধ্বতন পর্যায়ে পৌঁছে দেবেন।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি