Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আন্তর্জাতিক ফ্যামিলি রেমিট্যান্স দিবস উদযাপন : রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার বৃদ্ধি করার পরামর্শ (ভিডিও সহ)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 137 বার

প্রকাশিত: June 17, 2022 | 12:59 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : আন্তর্জাতিক ফ্যামিলি রেমিট্যান্স দিবস উপলক্ষ্যে ১৬ জুন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে “রেমিট্যান্স এবং উন্নয়ন” শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ সহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিউয়র্কস্থ সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ও সিইও দেবশ্রী মিত্র।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স এজেন্সির প্রতিনিধিসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সংস্কৃতি ও মিডিয়া অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোঃ সহিদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তা বিশদভাবে উল্লেখ করেন। ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী বান্ধব নীতি ও পদক্ষেপের বর্ণনা করে তিনি প্রবাসীদেরকে বৈধ পথে


আরও রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সুবিধা সমূহ আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে যেখানে অধিক সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী রয়েছে সেখানে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির উপর জোর গুরুত্বারোপ করেন। রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে তাদের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহবান জানান। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পিপল টু পিপল রিলেশনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসাবে অভিহিত করে, দু’দেশের মধ্যকার সহযোগিতাকে আরো গভীর ও শক্তিশালী করণে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় নিউয়র্কস্থ সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ও সিইও দেবশ্রী মিত্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহের হাল-নাগাদ চিত্র তুলে ধরেন এবং এ প্রবাহ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের প্রদত্ত নানাবিধ সুযোগ-সুবিধার বর্ণনা করেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো বৈধভাবে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনা শতকরা ২ থেকে ২.৫ ভাগে উন্নীতকরণ।
উম্মুক্ত আলোচনায় উপস্থিত প্রবাসী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রেমিট্যান্স প্রবাহ সহজীকরণ ও ত্বরান্বিত করার বিষয়ে তাদের স্ব স্ব মতামত ও চিন্তা ভাবনা তুলে ধরেন। বক্তারা সরকার ঘোষিত প্রণোদনাসমূহ কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে প্রচার-প্রচারণা চালানো, রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার বৃদ্ধি করা, রেমিট্যান্স সপ্তাহ বা মেলার আয়োজন করা, ওয়েজ আর্নার বন্ডের সুবিধাসমূহ যাতে প্রবাসীরা সহজে পেতে পারে সে ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাংলাদেশের অর্থনেতিক উন্নতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা, বিশেষ করে এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় রেমিট্যান্সের অপরিসীম অবদানের কথা দৃঢ়তার সাথে ব্যক্ত করেন। বর্তমান বিশ্ববাস্তবতায় -একদিকে করোনা মহামারীর নেতিবাচক প্রভাব ও অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন পরিস্থিতি- রেমিট্যান্সের প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজনীয়তা পূর্বের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশী বলে কনসাল জেনারেল যোগ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ রূপকল্প এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে তিনি প্রবাসীদেরকে আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখার উদাত্ত আহবান জানান। আন্তর্জাতিক ফ্যামিলি রেমিট্যান্স দিবসটি এমন এক সময় উদযাপিত হচ্ছে যখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক সপ্তাহ পালন করছে, যা আজকের অনুষ্ঠানের এক নতুন গুরুত্ব ও মাত্রা যোগ করেছে বলে কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে লিগ্যাল ওয়েতে রেমিট্যান্স প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন প্লাসিডের সিইও ডা. কামাল, বিএ এক্সপ্রেসের সিইও আতাউর রহমান, স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসের সিইও এমএ মালেক এবং সানম্যানের সিইও মাসুদ রানা তপন।
মতবিনিময়ে অংশগ্রহণকারিগণের মধ্যে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সামাদ আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা ড. প্রদীপ কর, মোর্শেদা জামান, যুক্তরাষ্ট্রস্থ ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভেটার্নস’ এর প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন প্রমুখ। সুধীজনদের মধ্যে আরো ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়, কন্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ কনস্যুলেটের এ আয়োজনকে ব্যতিক্রমধর্মী ও সময়োপযোগী বলে এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV